চলতি বছরের আগস্টে বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মিত্র শেখ হাসিনা। এরপর তিনি ভারতে পালিয়ে যান। এরপর থেকেই বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে চলছে টানাপোড়েন।
আর সম্মিলিত সনাতন জাগরনী মঞ্চের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেপ্তারের পর সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে। এমন অবস্থায় বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য নিজেদের পররাষ্ট্র সচিবকে ঢাকায় পাঠাচ্ছে ভারত।
বুধবার (৪ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিসরি আলোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। গত আগস্টে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সিনিয়র কোনও ভারতীয় কর্মকর্তার ঢাকায় এটিই প্রথম সফর হতে চলেছে বলে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, উভয় দেশের কেউই একনও এই সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও ঘোষণা দেয়নি। তবে বিক্রম মিসরি সম্ভবত আগামী ১০ ডিসেম্বর পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্ষিক আলোচনার জন্য বাংলাদেশে আসবেন। উভয় দেশের রাজধানীতে তথা ঢাকা ও দিল্লিতে বিক্রমের সফরের প্রস্তুতির বিষয়ে অবগত ব্যক্তিরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন।
ভারতীয় এই সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিসরির এই সফরটি এমন এক সময়ে হতে চলেছে যখন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক অভূতপূর্ব উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর কথিত নিপীড়ন এবং রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তারের অভিযোগে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কয়েকটি ভারতীয় রাজ্যে বিক্ষোভ হচ্ছে।
এছাড়া ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলা-ভাঙচুর এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার দায়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মাকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানায়।
হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অবসরে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের মধ্যে বৈঠকে ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিবের ঢাকা সফরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত লোকেরা জানিয়েছে। ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে শেখ হাসিনার পদত্যাগ করার পর এবং আগস্টে ইউনূসের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর সেই সময়ে এটিই ছিল উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথম উচ্চ-পর্যায়ের কোনও মতবিনিময়।
ওপরে উদ্ধৃত ব্যক্তিদের একজন জানিয়েছেন, “বিষয়টি যেমন ঠিক হয়েছে, পররাষ্ট্র সচিবের আগামী ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সফরের কথা রয়েছে। তবে সফরের আগে এখনও এক সপ্তাহ বাকি আছে এবং বর্তমান সম্পর্কের অবস্থা আমাদের দেখতে হবে।”
তিনি ভারতে হাসিনার উপস্থিতি নিয়ে ঢাকার অসন্তোষসহ বিভিন্ন কারণে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে সৃষ্ট কূটনৈতিক উত্তেজনার কথা উল্লেখ করে এই কথা বলেন। মূলত বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হাসিনাকে ভারত থেকে প্রত্যর্পণের কথা বলেছেন ড. ইউনূস এবং অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যান্য নেতারা।
এর আগে উভয় দেশের দুই পররাষ্ট্র সচিবের মধ্যে সর্বশেষ সংলাপ ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে এবারের সংলাপে ভারত-অর্থায়নকৃত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পুনরায় চালু করা, ভিসা ব্যবস্থা সহজ করা, আরও সরাসরি ফ্লাইট চালু করা এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মতো ইস্যু অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে বলে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত লোকেরা জানিয়েছে।
ভারতের দ্বিতীয় একজন কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদেশ এই সফরটি এগিয়ে নেওয়ার জন্য আগ্রহী। কারণ ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সম্ভাব্য এই সফরকে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্বাভাবিক করার পদক্ষেপ শুরুর একটি সুযোগ হিসাবে দেখা হচ্ছে। সফর ঠিকঠাকভাবে এগিয়ে গেলে মিসরি ও ড. ইউনূসের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।
Read_more
- কলকাতায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আ.লীগ নেতারা!
- দিল্লিতে নার্সিং হোমে ঢুকে ডাক্তারকে গুলি করে হত্যা করল দুই কিশোর
- ‘ছদ্মবেশে’ বাজার পরিদর্শনে উপদেষ্টা আসিফ
- আদানির বকেয়া ১৭ কোটি ডলার এ মাসেই পরিশোধ করবে সরকার
- ৯ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে
- খালেদা জিয়ার বিদেশ সফর পেছানো নিয়ে নানা গুঞ্জন!
- ইসলাম-বৌদ্ধ-হিন্দু-খ্রিষ্টান, সবাই মিলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: সেনাপ্রধান
- অভিনেতা নীতিন চৌহানের মৃত্যু ঘিরে রহস্য!
- এখন জনগণের প্রত্যাশা ও করণীয়
- ট্রাম্পের শপথের আগে বিদেশি শিক্ষার্থীদের দ্রুত ফিরে আসার আহ্বান
- প্রতি কনসার্টে কত টাকা পারিশ্রমিক নেন আতিফ আসলাম
- ঘূর্ণিঝড় ফিনজালের তাণ্ডবে ভারত-শ্রীলঙ্কায় প্রাণ গেল ১৯ জনের
- ‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান : রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন
- আমিরাতে ক্ষমা পাওয়া ৭৫ বাংলাদেশির ২৪ জন দেশে ফিরছেন আজ
- রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মমতার বক্তব্য সঠিক পদক্ষেপ নয়
- ভারতকে বুঝতে হবে, এটা শেখ হাসিনার বাংলাদেশ নয়: আইন উপদেষ্টা
- জরুরি তলবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার
- সবার সঙ্গে বৈঠক করে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেবেন ড. ইউনূস
- পাকিস্তানের কাছ থেকে ২৫ হাজার টন চিনি কিনল বাংলাদেশ
- সীমান্তে বিজিবির হাতে এক ভারতীয় আটক
- সর্বকালের তলানিতে ভারতীয় রুপির মান
- হিন্দুদের নিরাপত্তা চেয়ে ভারতে বিক্ষোভ, আটক ৫০০
- বাংলাদেশে নয়, ভারতেই শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো উচিত : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- বাংলাদেশি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরলো ত্রিপুরার হোটেল মালিকরা
- মৃত্যুর কতদিন পর বিয়ে করা যায় সার্চ দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা
- ধর্ম-বর্ণ-মতের ঊর্ধ্বে আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য : ড. ইউনূস
- ভারতের জনগণকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশের ১৪৫ নাগরিকের বিবৃতি
- বাংলাদেশ হাইকমিশন অভিমুখে আরএসএসের কর্মসূচি ঘোষণা
- শিথিলতার সুযোগে সরকার উৎখাতের চেষ্টা হচ্ছে : ফরহাদ মজহার
- বৈশ্বিক মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কত টাকা পেল রংপুর রাইডার্স
- ভারতকে পছন্দ করেন ৫৩.৬ শতাংশ, অপছন্দ করেন ৪১.৩ শতাংশ বাংলাদেশি
- সীমান্তে ড্রোন মোতায়েনের খবরটি ভুয়া
- ভারতের সঙ্গে আর নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নয়, বললেন সাবেক সেনা সদস্যরা
- ১০ বছরে বিশ্বে বিলিওনিয়ার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি
- ভারতকে কাঁদিয়ে যুব এশিয়া কাপের শিরোপা বাংলাদেশের
- এক দিনে তিনবার হার, ভারতের দুঃস্বপ্নের মতো দিন
- পদ্মায় বাংলাদেশ-ভারত পররাষ্ট্র সচিবদের বৈঠক চলছে
- সাবেক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল সম্পদেও ‘লাল’
- আগামীকাল শুরু হচ্ছে অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ
- দিল্লি থেকে দূতাবাস ঢাকা অথবা প্রতিবেশী অন্য দেশে স্থানান্তর করুন
- অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী ভারত
- ‘নরম-গরমে’ কড়া ঢাকা
- অন্য দেশ থেকে আলু-পেঁয়াজ কেনার কথা ভাবছে বাংলাদেশ, চিন্তায় ভারত
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সামরিক সংলাপ বুধবার
- নেচারের সেরা ১০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় ড. ইউনূস
- ক্ষমা পাওয়া আরো ২৭ জন আমিরাত থেকে দেশে ফিরেছেন
- বাংলাদেশ সীমান্তে অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিট মোতায়েন করছে ভারত
- কোম্পানি বিক্রির পর কর্মীদের ২৬২ কোটি টাকা বোনাস দিলেন বাংলাদেশি
- শিক্ষা, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিকভাবে পার্বত্য অঞ্চলকে এগিয়ে নিতে হবে
- ভারতে ভেঙে দেওয়া হলো প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো মসজিদের একাংশ
- এশিয়া কাপজয়ী তামিমের ফিফটি, ব্যর্থ তামিম ইকবাল
- আসাদের পর ইসরায়েল ও সিরিয়ার সম্পর্ক কী হবে?
- আটক বাংলাদেশিদের ছবি প্রকাশ করল ভারতীয় কোস্ট গার্ড
- বিএনপির তিন সংগঠনের লংমার্চ আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছেছে
- দিল্লিতে অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান
- ঢাকায় আসছেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট
- আশুলিয়ায় ১৩ পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা
- ভারতে বসে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যক্রম, কী বলছেন বিক্রম মিশ্রি
- বাঁচানো গেল না ১৫০ ফুট গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া আরিয়ানকে
- বিয়ের ১২ বছর পূর্তিতে সাকিবকে নিয়ে শিশিরের আবেগঘন বার্তা
- হাসিনার কোনো বক্তব্যকে সমর্থন করে না ভারত: বিক্রম মিশ্রি
- হালাল পণ্যের বাজার বাড়াতে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া
- চাঁদা না দিয়েও ভোটার, ডিএফএ নিয়ে বাফুফের ভজকট
- ভারত-পাকিস্তানের কিছু ইস্যুর কারণে সার্ক সক্রিয় হচ্ছে না
- টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
- ওয়ানডের বদলে টি-টোয়েন্টিতে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি!
- লেবানন থেকে ফিরলেন আরও ৮৫ বাংলাদেশি
- কারা নির্যাতিত বিডিআর পরিবারের ৮ দাবি
- ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’র পথে ভারত
- ১৮ হাজার ভারতীয়কে তাড়াবেন ট্রাম্প
- কলকাতায় বিজয় দিবস উদযাপনে যোগ দিতে পারে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল
- বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে এলো ৪৬৮ টন আলু
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও তবে নিষিদ্ধ হচ্ছে সাকিবের বোলিং?
- ভারতকে দেওয়া বিশেষ সুবিধা বাতিল
- মালয়েশিয়ায় পোশাক কারখানা থেকে ৩৫ বাংলাদেশি আটক
- ভারতকে ‘অসহযোগী’ দেশ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
- শেখ হাসিনাকে আশ্রয় কেন, প্রশ্ন উঠছে ভারতে
- ভারতে মুসলিমরা আর সংখ্যালঘু থাকব না, সংখ্যাগুরু হব: কলকাতা মেয়র
- ‘বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানিতে আগ্রহী পাকিস্তান’
- বুমরাহর ফাইফারের দিনে হেড-স্মিথের সেঞ্চুরি
- এবার ভারতে সংখ্যালঘুদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ, যা বললেন ওয়াইসি
- অবৈধ মালামালসহ ভারতীয় ট্রাকচালক আটক
- বেশি বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা
- এবার টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পেলেন নাহিদ রানা
- ৫৭ হাজার কোটা ফাঁকা রেখে শেষ হলো হজ নিবন্ধন
- যুব এশিয়া কাপজয়ীদের তামিমের মূল্যবান উপহার
- এবারের বিজয় দিবসটি ব্যতিক্রম, তারপরও যে কারণে শঙ্কা আজহারীর
- মোদির দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানালেন আসিফ নজরুল
- ছেলেদের মতো মেয়েরাও বিজয় দিবস রাঙিয়েছে জয়ে
- বাংলাদেশ ‘ইন্টারনেট ট্রানজিট’ না দিলে ভারতের সেভেন সিস্টার্স কি সমস্যায় পড়বে?
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের স্বাধীনতা পদকের আবেদন
- হাসিনার ৩ মাস ৫ দিন পর যেভাবে দেশ ছাড়েন কাদের
- নাসার প্রধান মহাকাশচারীর বাংলাদেশ সফর সমাপ্ত
- পূর্ব তিমুরে ২০০-৩০০ বাংলাদেশির বসবাস
- ভানুয়াতুতে ভূমিকম্পে প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ জন
- এডিপির সঙ্গে ৬০ কোটি ডলার ঋণ চুক্তি
- তিউনিসিয়া উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকাডুবি, মৃত অন্তত ২০
- ভারতে ফেরিতে স্পিডবোটের ধাক্কা, নিহত ১৩
- শামিকে মাঠে ফিরতে যে ‘কঠিন শর্ত’ দিলেন রোহিত
- বাংলাদেশকে ৬৮৫ ভারতীয় বিশিষ্ট নাগরিকের খোলা চিঠি
- অবশেষে নির্ধারিত হলো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভাগ্য
- আর কোনো ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় বসাবেন না : ফয়জুল করিম
- ভারতের সংসদ চত্বরে বিজেপি-কংগ্রেস এমপিদের হাতাহাতি, আইসিইউতে ২
- রেকর্ড ভেঙে ভারতীয় রুপির দাম সর্বকালের সর্বনিম্নে
- অবৈধ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতে দিল্লির সব স্কুলে নির্দেশনা জারি
- আর্থিক খাতের শৃঙ্খলাসহ অর্থনীতিতে ৫ চ্যালেঞ্জ : ড. হোসেন জিল্লুর
- হাসিনা পালিয়ে দিল্লিতে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক তলানিতে
- প্রবাসী আয়ে ঝলক দেখাচ্ছে বাংলাদেশ
- রেমিট্যান্সের জোয়ারে রিজার্ভ ছাড়াল ২০ বিলিয়ন ডলার
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ভাতা বৃদ্ধির জন্য কমিটি
- নতুন ট্রেনে ৪৪৫ টাকায় ঢাকা থেকে খুলনা ও বেনাপোল
- সাবিনাদের শিরোপা, বাফুফে নির্বাচন ছাপিয়ে লাল-সবুজের হামজা
- বিএসএফের বিরুদ্ধে ১৩ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
- কমিশন চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চাইলেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা
- ওয়াজ শুনতে এসে ভারতীয় কিশোর আটক
- এবার চণ্ডীগড়ে বিজেপি-কংগ্রেস হাতাহাতি, নেপথ্যে অমিত শাহ
- সেরা দশে মেহেদি, ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে তাসকিন-রিশাদ
- লটারিতে পাঁচ তারকা হোটেলের মালিক হলেন প্রবাসী জাহেদুল
- স্বৈরশাসক হাসিনাকে হটানোর পর গণতন্ত্র পুনঃনির্মাণে শিক্ষার্থীরা
- ভবিষ্যতে এলাকাভিত্তিক আর কোনো বৈষম্য থাকবে না : আসিফ মাহমুদ
- ব্যাপক দুর্নীতি দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে
- পিলখানা হত্যাকাণ্ড : নিরপেক্ষ থেকে ষড়যন্ত্র চিহ্নিত করা হবে
- সচিবালয়ে আগুন : হুঁশিয়ারি সারজিস আলমের
- ফায়ার ফাইটাররা যখন আগুন নেভাচ্ছিল পুলিশ কেন রাস্তা বন্ধ করেনি?
- আফগানিস্তানে হামলা চালিয়ে ৭১ সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে পাকিস্তান
- জাপান এয়ারলাইন্সে সাইবার হামলা
- বাংলাদেশ-পাকিস্তানের বাণিজ্যে বইছে সুবাতাস, বেড়েছে আমদানি-রপ্তানি
- কনস্টাসকে ধাক্কা দেওয়ায় কোহলির কত টাকা কাটল আইসিসি
- ভারতের মহারাষ্ট্রে ১৭ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
- তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব, সতর্ক অবস্থানে যৌথ বাহিনী
- দেশকে ভারতের তাঁবেদার করতে চেয়েছিল হাসিনা
- সে ‘দূরত্ব’ আর ঘোচাতে চাইলেন না তামিম, কেন?
- দেশে প্রথমবারের মতো ৫ জনের শরীরে রিওভাইরাস শনাক্ত
- দেশে এইচএমপি ভাইরাস শনাক্ত
- ১১ দিনে এলো ৮৯৮৬ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
- এস আলম পরিবারের ৬৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, সম্পদ জব্দের আদেশ
মন্তব্য / প্রেরক
রিয়াদ বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হুথিদের হামলার দাবি। সৌদি আকাশসীমা ব্যবহারে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে সতর্কবার্তা
-
আন্তার্জাতিক ডেস্ক : সম্পাদনা: মেf: রফিকুল ইসলাম সরকার
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশটির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি আন্দোলন। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেওয়া এক বিবৃতিতে হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে।
হুথিদের দাবি অনুযায়ী, হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। একইসঙ্গে সৌদি আরবের রাবিঘ এলাকায় আরামকোর একটি স্থাপনা, দক্ষিণাঞ্চলের আবহা বিমানবন্দর এবং খামিস মুশাইত এলাকার সামরিক স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয় বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।
বিমান চলাচলে বিঘ্নের দাবি
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র দাবি করেছেন, রিয়াদ বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হামলার ফলে বিমান চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। সোমবার রাতে রিয়াদের আকাশে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন এএফপির সাংবাদিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বিভিন্ন উন্মুক্ত উৎসের তথ্যেও কয়েকটি ফ্লাইটের গতিপথ পরিবর্তন বা বিলম্বের কথা উঠে এসেছে। তবে বিমানবন্দরে হামলার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি বা পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম বন্ধের দাবিগুলো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।
সৌদি আকাশসীমা নিয়ে হুথিদের সতর্কবার্তা
হামলার আগে হুথিরা সৌদি আকাশসীমা ব্যবহারকারী আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকেও সতর্ক করে। গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মক্কা ও মদিনার পবিত্র আকাশসীমা বাদে সৌদি আরবের বাকি আকাশসীমাকে তারা সম্ভাব্য হামলার আওতায় বিবেচনা করছে। আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে সৌদি আকাশসীমা ব্যবহারের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
সৌদির কঠোর প্রতিক্রিয়া
হুথিদের হামলার দাবির পর সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানায়। সরকারি বিবৃতিতে রিয়াদসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর, বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা এবং লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব এলাকায় সৌদি নৌযান লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ করা হয়। একই সঙ্গে সৌদি সরকার দেশের ভূখণ্ড, সার্বভৌমত্ব, সম্পদ ও নাগরিকদের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সৌদি সরকারের এই অবস্থানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইয়েমেনে সৌদি-সমর্থিত বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘাতও সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে তীব্র হয়েছে। ৫ অক্টোবর সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনী বাব আল-মান্দাব প্রণালির আশপাশে হুথিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালায়। এর পরই সৌদি ভূখণ্ডে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি সামনে আসে।
আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা
রিয়াদে হামলার দাবি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইয়েমেনের সংঘাত নতুন করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে। সৌদি আরবের পাশাপাশি লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাবের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। জাতিসংঘও ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের রিয়াদ মিশন ৫ অক্টোবর সৌদি আরবে সম্ভাব্য ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি নিয়ে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে নাগরিকদের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।
সর্বশেষ পরিস্থিতি: হুথিরা রিয়াদ বিমানবন্দরসহ একাধিক সৌদি স্থাপনায় হামলার দাবি করলেও বিমানবন্দরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি। তবে রিয়াদের আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা এবং সম্ভাব্য বিমান চলাচল বিঘ্নের তথ্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এসেছে। ফলে সৌদি-ইয়েমেন সংঘাতের নতুন এই উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
মন্তব্য / প্রেরক
জাতিসংঘ ‘অকার্যকর সংস্থা’, এর কর্মকর্তারা ‘অহংকারী পরজীবী’: আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
-
আন্তর্জাতিক ডেস্ক |
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তীব্র ভাষায় জাতিসংঘের সমালোচনা করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। তিনি জাতিসংঘকে একটি ‘অকার্যকর সংস্থা’ এবং এর কর্মকর্তাদের ‘অহংকারী পরজীবী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
ভাষণে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলা দেশগুলো কোনো ন্যায্যতা বা পুরস্কার পাচ্ছে না, অন্যদিকে যারা নিয়ম ভঙ্গ করছে তাদেরও কোনো জবাবদিহিতা বা শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে না। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, বিশ্বসংস্থাটি সম্মিলিত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার রক্ষা করার ক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে এবং এর পরিবর্তে সেখানে বিশৃঙ্খলা ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (আর্জেন্টিনার কাছে যা ‘লাস মালভিনাস’ নামে পরিচিত) নিয়ে যুক্তরাজ্যের সাথে দীর্ঘদিনের সার্বভৌমত্ব বিরোধের ক্ষেত্রে জাতিসংঘ কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখেনি এবং চোখ বন্ধ করে রয়েছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাভিয়ের মিলেই। তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে জানান যে, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দিকে তাকিয়ে বসে না থেকে আর্জেন্টিনা নিজেদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় নিজেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
মন্তব্য / প্রেরক
দিনটি ছিল অন্য দিনের মতোই স্বাভাবিক। বুলডোজার দিয়ে মাটি সরানোর কাজ করছিলেন এক খনি শ্রমিক। হঠাৎ মাটির নিচে চোখে পড়ে চকচকে একটি বস্তু। প্রথম দেখায় পাথর মনে হলেও কাছে যেতেই বোঝা যায়—এটি কোনো সাধারণ পাথর নয়, বিশাল এক প্রাকৃতিক সোনার পিণ্ড!
ঘটনাটি ঘটে ১৯৯৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের রুবি শহরের কাছে সুইফট ক্রিক এলাকায়। খনি শ্রমিক ব্যারি ক্লে মাটি কাটার সময় আবিষ্কার করেন প্রায় ৯ দশমিক ১৪ কেজি ওজনের বিশাল ওই সোনার পিণ্ড। পরবর্তী সময়ে এটি পরিচিতি পায় ‘আলাস্কা সেন্টেনিয়াল নাগেট’ নামে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পিণ্ডটির ওজন ছিল ২৯৪ দশমিক ১০ ট্রয় আউন্স—অর্থাৎ ২০ পাউন্ডের কিছু বেশি। আকারে এটি প্রায় একটি শিশুর মাথার সমান। আবিষ্কারের পর এটি আলাস্কায় পাওয়া সবচেয়ে বড় অক্ষত প্রাকৃতিক সোনার পিণ্ড হিসেবে বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
নামকরণে রয়েছে ইতিহাস
আলাস্কার বিখ্যাত ক্লনডাইক সোনার সন্ধানের শতবর্ষ পূর্তিকে স্মরণ করে পিণ্ডটির নাম দেওয়া হয় ‘আলাস্কা সেন্টেনিয়াল নাগেট’। বিশাল আকৃতি, প্রাকৃতিক অবস্থার অক্ষুণ্নতা এবং বিরলতার কারণে এটি দ্রুতই খনি ও সোনার ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নেয়।
তৎকালীন হিসাবে, পশ্চিম গোলার্ধে আবিষ্কৃত প্রাকৃতিক সোনার পিণ্ডগুলোর মধ্যে এটি ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম। এর চেয়ে বড় ‘বুট অব কর্টেজ’ নামের একটি সোনার পিণ্ড ১৯৮৯ সালে মেক্সিকোতে পাওয়া যায়, যার ওজন ছিল প্রায় ২৪ পাউন্ড।
দীর্ঘদিন ব্যক্তিগত মালিকানায়
অবিশ্বাস্য এই আবিষ্কারের পরপরই ব্যারি ক্লে পিণ্ডটি বিক্রি করে দেননি। দুই দশকেরও বেশি সময় এটি ব্যক্তিগত মালিকানায় ছিল।
পরে ২০২১ সালে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, ক্লের কাছ থেকে পিণ্ডটি সংগ্রহ করেন এক বিক্রেতা। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে অবস্থিত হেরিটেজ নিলাম প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এটি নিলামে তোলা হয়।
অনলাইন নিলামে এক সংগ্রাহক ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারে ‘আলাস্কা সেন্টেনিয়াল নাগেট’ কিনে নেন।
শুধু সোনার দামেই নয়, বিরলতাতেও মূল্যবান
বিশেষজ্ঞদের মতে, এত বড় আকারের এবং তুলনামূলকভাবে অক্ষত অবস্থায় থাকা প্রাকৃতিক সোনার পিণ্ড অত্যন্ত বিরল। ফলে এর মূল্য কেবল এতে থাকা সোনার বাজারদর দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না। ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বিরলতার কারণেও সংগ্রাহকদের কাছে এর বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে।
হেরিটেজ নিলামের পক্ষ থেকেও নিলামের আগে জানানো হয়েছিল, ‘আলাস্কা সেন্টেনিয়াল নাগেট’ আলাস্কায় আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় সোনার পিণ্ড।
একজন খনি শ্রমিকের সাধারণ কর্মদিবসে বুলডোজারের নিচে হঠাৎ পাওয়া সেই চকচকে বস্তুটি শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে আলাস্কার খনি ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত আবিষ্কার। মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা সেই সোনার পিণ্ড শুধু ব্যারি ক্লের ভাগ্যই বদলায়নি, বরং স্বর্ণ অনুসন্ধানের ইতিহাসে যোগ করেছে এক বিস্ময়কর অধ্যায়।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য / প্রেরক
সুইডেনের নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে এগিয়ে বামঘেঁষা জোট, ফিরতে পারেন ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন ১৭৬ আসন পেয়েছে চারদলীয় বিরোধী জোট, ক্রিস্টারসনের জোটের আসন ১৭৩; পদত্যাগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
-
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | সম্পাদনায় : মোঃ রফিকুল ইসলাম সরকার, সম্পাদক, ঢাকামোড়২৪.কম
সুইডেনের জাতীয় নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে এগিয়ে গেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসনের নেতৃত্বাধীন মধ্য-বামপন্থী বিরোধী জোট। চূড়ান্ত ভোট গণনা শেষে চারদলীয় বিরোধী জোট ৩৪৯ আসনের রিক্সড্যাগে পেয়েছে ১৭৬টি আসন। বিপরীতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসনের নেতৃত্বাধীন ডানঘেঁষা জোট পেয়েছে ১৭৩টি আসন।
ফলাফল প্রকাশের পরই প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি পার্লামেন্টের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার কথা জানান।
অল্প ব্যবধানে পাল্টে গেল ক্ষমতার সমীকরণ
সুইডেনের ২০২৬ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দুই শিবিরের মধ্যে ব্যবধান অত্যন্ত কম। ৩৪৯ আসনের পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসনের নেতৃত্বাধীন জোট।
সুইডিশ নির্বাচন কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, অ্যান্ডারসনের নেতৃত্বাধীন চার দলের জোট পেয়েছে ১৭৬ আসন এবং ক্রিস্টারসনের নেতৃত্বাধীন সরকারপন্থী চার দলের জোট পেয়েছে ১৭৩ আসন। বিদেশ থেকে আসা ভোটসহ বাকি ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর এই ব্যবধান নিশ্চিত হয়।
তবে আসনসংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও নতুন সরকার গঠন অ্যান্ডারসনের জন্য সরল হবে না। তাঁর সম্ভাব্য মিত্র দলগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ও রাজনৈতিক পার্থক্য রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি আসন সোশাল ডেমোক্র্যাটদের
নির্বাচনে একক দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসনের সোশাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। দলটি পেয়েছে ৯৯টি আসন। তবে আগের পার্লামেন্টের তুলনায় দলটির আসন কমেছে আটটি।
অ্যান্ডারসন ২০২১ সালে সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। ২০২২ সালের নির্বাচনের পর তিনি ক্ষমতা হারান। এবারের নির্বাচনী ফল তাঁকে আবারও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ফেরার সুযোগ তৈরি করেছে।
ফলাফল ঘোষণার পর অ্যান্ডারসন বলেন, সুইডিশ জনগণ দেশের জন্য নতুন দিক বেছে নিয়েছে এবং বিভাজনের পরিবর্তে ঐক্যের পক্ষে ভোট দিয়েছে।
সরকার গঠনেই বড় পরীক্ষা অ্যান্ডারসনের
অ্যান্ডারসনের নেতৃত্বাধীন জোটে রয়েছে সোশাল ডেমোক্র্যাট, গ্রিন পার্টি, লেফট পার্টি ও সেন্টার পার্টি। চার দলের রাজনৈতিক অবস্থান এক নয়। বিশেষ করে সেন্টার পার্টি ও লেফট পার্টির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য রয়েছে।
সেন্টার পার্টি জানিয়েছে, তারা এমন কোনো সরকারে যোগ দিতে চায় না যেখানে লেফট পার্টিও সরাসরি অংশীদার থাকবে। ফলে অ্যান্ডারসনকে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে সমঝোতার কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে।
রাজনৈতিকভাবে একটি সম্ভাব্য পথ হতে পারে—লেফট পার্টিকে মন্ত্রিসভার বাইরে রেখে পার্লামেন্টে তাদের সমর্থন নিশ্চিত করা। তবে এই সমীকরণ চূড়ান্ত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
ক্রিস্টারসনের জোটে বড় ধাক্কা
উলফ ক্রিস্টারসনের নেতৃত্বাধীন সরকার ২০২২ সাল থেকে তিনদলীয় মধ্য-ডান জোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় ছিল। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে তাদের বাইরে থেকে সুইডেন ডেমোক্র্যাটদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।
এবার সেই সমীকরণেও পরিবর্তন এসেছে। সুইডেন ডেমোক্র্যাটরা ৬২টি আসন পেয়েছে—আগের তুলনায় ১১টি কম। দলটি এবার ক্রিস্টারসনের সম্ভাব্য নতুন সরকারে মন্ত্রিসভায় সরাসরি অংশ নেওয়ার প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু নির্বাচনী ফল সেই পরিকল্পনাকে জটিল করে তুলেছে।
এখন কী হবে?
সুইডেনের সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় পার্লামেন্টের স্পিকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। স্পিকার প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী মনোনয়ন করবেন এবং রিক্সড্যাগে সেই প্রার্থীর বিষয়ে ভোট হবে।
অ্যান্ডারসন এখন সরকার গঠনের জন্য সম্ভাব্য মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করতে পারেন, অথবা কিছু দলের সমর্থন নিয়ে সংখ্যালঘু সরকার পরিচালনার চেষ্টা করতে পারেন।
তবে কোনো প্রার্থীকে চারবার প্রত্যাখ্যান করা হলে সুইডেনের নিয়ম অনুযায়ী নতুন নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
অভিবাসন ও অপরাধনীতি নিয়ে পরিবর্তনের সম্ভাবনা
নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল অভিবাসন ও অপরাধনীতি। ক্রিস্টারসনের সরকার গত চার বছরে অভিবাসন ও অপরাধ দমনে কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে। অ্যান্ডারসনের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট এসব নীতির কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তনের কথা বলেছে এবং কল্যাণব্যবস্থা, পরিবেশ ও সামাজিক বৈষম্যের বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।
তবে সুইডেনের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতির বেশ কিছু বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে বিস্তর ঐকমত্য রয়েছে। ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন এবং ন্যাটোর সদস্যপদ তার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। সুইডেন ২০২৪ সালে ন্যাটোর ৩২তম সদস্য হয়।
ইউরোপীয় রাজনীতিতেও নজর সুইডেনের দিকে
সুইডেনের নির্বাচনের ফল ইউরোপীয় রাজনীতিতেও বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কারণ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ডানপন্থী ও অভিবাসনবিরোধী দলগুলোর প্রভাব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়েছে। সুইডেনে এবার সেই প্রবণতার বিপরীতে মধ্য-বামপন্থী জোট অল্প ব্যবধানে এগিয়ে এসেছে।
তবে মাত্র তিন আসনের ব্যবধানে পাওয়া এই ফলকে সরাসরি একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের চূড়ান্ত চিত্র হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। নতুন সরকার কীভাবে গঠিত হবে এবং কোন দলগুলো মন্ত্রিসভায় থাকবে—তার ওপরই আগামী দিনের রাজনৈতিক দিক অনেকটা নির্ভর করবে।
আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন স্টকহোমে
চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর সুইডেনে শুরু হয়েছে সরকার গঠনের আলোচনা। ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফিরতে পারবেন কি না, তা এখন নির্ভর করছে তাঁর নেতৃত্বাধীন জোটের অভ্যন্তরীণ সমঝোতা এবং পার্লামেন্টে প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করার ওপর।
অন্যদিকে ক্রিস্টারসনের পদত্যাগের পর তাঁর জোটও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে আলোচনা করবে। ফলে নির্বাচনে ১৭৬–১৭৩ আসনের ফলাফল প্রকাশ হলেও সুইডেনের পরবর্তী সরকার কেমন হবে, তার চূড়ান্ত উত্তর এখনো বাকি।
তথ্য : ইন্টারনেট
মন্তব্য / প্রেরক
সাম্প্রতিক
নিউজলেটার
নিউজলেটার বিবরণ