এবারের বিজয় দিবসকে অন্যরকম বলে উল্লেখ করেছেন তরুণ আলেম ও জনপ্রিয় ইসলামিক আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী। তবে ৭১ এর আলোকে ২৪ এর স্বাধীনতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। একইসঙ্গে আগামীর বাংলাদেশকে কীভাবে গড়া হবে- তারও কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে ৭১ এর স্বাধীনতা, জুলাই বিপ্লব ও আগামীর বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। যুগান্তরের পাঠকদের জন্য তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘‘এবারের বিজয়-দিবসটি অন্যরকম। সত্যিই অন্যরকম অনুভূতি। কারণ, জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি যে এখনো তাজা। স্বাধীনতা ২.০ এর স্বাদ নিয়ে আমরা উদযাপন করছি— এবারের বিজয়ের দিনটি। কিন্তু আজকের এই দিনে দাঁড়িয়ে আমি খুব করে ভাবতে চাই— জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ভাই-বোনদের ত্যাগের যথাযথ মূল্য কি আমরা দিতে পারছি?
একাত্তরে আমরা লড়াই করেছিলাম— জালিম রেজিমের বিরুদ্ধে। অন্যায় আর বৈষম্যের বিরুদ্ধে। কিন্তু বছর না-ঘুরতেই আমাদের সেই বিজয় লুট হয়ে যায়। দেশ চলে যায় পুঁজিপতিদের পকেটে, কালচারাল এলিটদের দখলে। যার ফলাফল— ৭৪ এর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। যার ফলাফল— নিজ দেশে থেকেও আমরা কোণঠাসা।
এই কালচারাল এলিটরা বিগত ৫০ বছরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিজেদের খায়েশমতো ফ্রেইমিং করেছে। মুক্তিযুদ্ধে যেখানে অংশই নিয়েছে এদেশের আপামর মুসলিম জনতা, সেখানে মুসলিমদেরকেই বানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষ। দাড়ি-টুপিকে বানিয়েছে রাজাকারের প্রতীক। কালচারাল এলিটদের এই তীব্র মেরুকরণের ফলাফল— আজকের বৈষম্য আর ফ্যাসিজম।
তাই বিজয়ের দিনে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই— জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার প্রতীক ছিল মুসলিম ভাতৃত্ববোধ। তাদের হৃদয়ে ছিল শহিদি আকাঙ্ক্ষা। মজলুম, শহিদ, আল্লাহর সাহায্য— এসব পরিভাষাই সেদিন আন্দোলনকে ট্রিগার করেছিল। মানুষকে চুম্বকের মতো টেনে এনেছিল রাজপথে। একাত্তরও এর ব্যতিক্রম কিছু ছিল না।
বিজয়ের এই দিনটা উদযাপনের। একইভাবে ভবিষ্যত-কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করবার। আমরা এমন একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই— যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। এমন একটা বাংলাদেশ, যেখানে কারো ধর্মীয় মূল্যবোধকে দমন করতে, কোনো 'জ*ঙ্গী' নাটক সাজানো হবে না। এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের উদ্দেশ্যে সংখ্যালঘুদের ওপর হাম*লার ছক আঁকা হবে না। যেখানে নিশ্চিত হবে সকল বিশ্বাসের স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। আগামীর বাংলাদেশ হবে জনতার বাংলাদেশ।’’
তিনি আরও বলেন ...
এবারের বিজয়-দিবসটি অন্যরকম। সত্যিই অন্যরকম অনুভূতি। কারণ, জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি যে এখনো তাজা। স্বাধীনতা ২.০ এর স্বাদ নিয়ে আমরা উদযাপন করছি— এবারের বিজয়ের দিনটি। কিন্তু আজকের এই দিনে দাঁড়িয়ে আমি খুব করে ভাবতে চাই— জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ভাই-বোনদের ত্যাগের যথাযথ মূল্য কি আমরা দিতে পারছি?
একাত্তরে আমরা লড়াই করেছিলাম— জালিম রেজিমের বিরুদ্ধে। অন্যায় আর বৈষম্যের বিরুদ্ধে। কিন্তু বছর না-ঘুরতেই আমাদের সেই বিজয় লুট হয়ে যায়। দেশ চলে যায় পুঁজিপতিদের পকেটে, কালচারাল এলিটদের দখলে। যার ফলাফল— ৭৪ এর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। যার ফলাফল— নিজ দেশে থেকেও আমরা কোণঠাসা।
এই কালচারাল এলিটরা বিগত ৫০ বছরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিজেদের খায়েশমতো ফ্রেইমিং করেছে। মুক্তিযুদ্ধে যেখানে অংশই নিয়েছে এদেশের আপামর মুসলিম জনতা, সেখানে মুসলিমদেরকেই বানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষ। দাড়ি-টুপিকে বানিয়েছে রাজাকারের প্রতীক। কালচারাল এলিটদের এই তীব্র মেরুকরণের ফলাফল— আজকের বৈষম্য আর ফ্যাসিজম।
তাই বিজয়ের দিনে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই— জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার প্রতীক ছিল মুসলিম ভাতৃত্ববোধ। তাদের হৃদয়ে ছিল শহিদি আকাঙ্ক্ষা। মজলুম, শহিদ, আল্লাহর সাহায্য— এসব পরিভাষাই সেদিন আন্দোলনকে ট্রিগার করেছিল। মানুষকে চুম্বকের মতো টেনে এনেছিল রাজপথে। একাত্তরও এর ব্যতিক্রম কিছু ছিল না।
বিজয়ের এই দিনটা উদযাপনের। একইভাবে ভবিষ্যত-কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করবার। আমরা এমন একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই— যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। এমন একটা বাংলাদেশ, যেখানে কারো ধর্মীয় মূল্যবোধকে দমন করতে, কোনো 'জ*ঙ্গী' নাটক সাজানো হবে না। এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের উদ্দেশ্যে সংখ্যালঘুদের ওপর হাম*লার ছক আঁকা হবে না। যেখানে নিশ্চিত হবে সকল বিশ্বাসের স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। আগামীর বাংলাদেশ হবে জনতার বাংলাদেশ। হে আল্লাহ, এদেশকে আপনি নিরাপদ ও শান্তিময় করুন। এদেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করুন। সকল অপশক্তির কূটচাল থেকে এ ভূখন্ডকে মুক্ত রাখুন। একটি সুখী সমৃদ্ধশীল জাতি হিসাবে বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দাড়াবার সক্ষমতা দান করুন।
Read_more
- কলকাতায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আ.লীগ নেতারা!
- দিল্লিতে নার্সিং হোমে ঢুকে ডাক্তারকে গুলি করে হত্যা করল দুই কিশোর
- অভিনেতা নীতিন চৌহানের মৃত্যু ঘিরে রহস্য!
- ঘূর্ণিঝড় ফিনজালের তাণ্ডবে ভারত-শ্রীলঙ্কায় প্রাণ গেল ১৯ জনের
- ভারতকে বুঝতে হবে, এটা শেখ হাসিনার বাংলাদেশ নয়: আইন উপদেষ্টা
- জরুরি তলবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার
- ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
- সীমান্তে বিজিবির হাতে এক ভারতীয় আটক
- সর্বকালের তলানিতে ভারতীয় রুপির মান
- হিন্দুদের নিরাপত্তা চেয়ে ভারতে বিক্ষোভ, আটক ৫০০
- বাংলাদেশে নয়, ভারতেই শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো উচিত : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- বাংলাদেশি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরলো ত্রিপুরার হোটেল মালিকরা
- মৃত্যুর কতদিন পর বিয়ে করা যায় সার্চ দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা
- ভারতের জনগণকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশের ১৪৫ নাগরিকের বিবৃতি
- বাংলাদেশ হাইকমিশন অভিমুখে আরএসএসের কর্মসূচি ঘোষণা
- ভারতকে পছন্দ করেন ৫৩.৬ শতাংশ, অপছন্দ করেন ৪১.৩ শতাংশ বাংলাদেশি
- সীমান্তে ড্রোন মোতায়েনের খবরটি ভুয়া
- ভারতের সঙ্গে আর নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নয়, বললেন সাবেক সেনা সদস্যরা
- ভারতকে কাঁদিয়ে যুব এশিয়া কাপের শিরোপা বাংলাদেশের
- এক দিনে তিনবার হার, ভারতের দুঃস্বপ্নের মতো দিন
- পদ্মায় বাংলাদেশ-ভারত পররাষ্ট্র সচিবদের বৈঠক চলছে
- অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী ভারত
- ‘নরম-গরমে’ কড়া ঢাকা
- অন্য দেশ থেকে আলু-পেঁয়াজ কেনার কথা ভাবছে বাংলাদেশ, চিন্তায় ভারত
- বাংলাদেশ সীমান্তে অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিট মোতায়েন করছে ভারত
- ভারতে ভেঙে দেওয়া হলো প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো মসজিদের একাংশ
- আটক বাংলাদেশিদের ছবি প্রকাশ করল ভারতীয় কোস্ট গার্ড
- বিএনপির তিন সংগঠনের লংমার্চ আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছেছে
- দিল্লিতে অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান
- ভারতে বসে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যক্রম, কী বলছেন বিক্রম মিশ্রি
- বাঁচানো গেল না ১৫০ ফুট গভীর গর্তে পড়ে যাওয়া আরিয়ানকে
- হাসিনার কোনো বক্তব্যকে সমর্থন করে না ভারত: বিক্রম মিশ্রি
- ওয়ানডের বদলে টি-টোয়েন্টিতে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি!
- ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’র পথে ভারত
- ১৮ হাজার ভারতীয়কে তাড়াবেন ট্রাম্প
- কলকাতায় বিজয় দিবস উদযাপনে যোগ দিতে পারে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল
- বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে এলো ৪৬৮ টন আলু
- ভারতকে দেওয়া বিশেষ সুবিধা বাতিল
- ভারতকে ‘অসহযোগী’ দেশ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
- শেখ হাসিনাকে আশ্রয় কেন, প্রশ্ন উঠছে ভারতে
- বুমরাহর ফাইফারের দিনে হেড-স্মিথের সেঞ্চুরি
- এবার ভারতে সংখ্যালঘুদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ, যা বললেন ওয়াইসি
- অবৈধ মালামালসহ ভারতীয় ট্রাকচালক আটক
- বিজয় দিবস : স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা
- জাতীয় পতাকা বুকে নিয়ে কোরআন খতম করে বিজয় দিবস উদযাপন
- দুই মাসের মধ্যে রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেবে নাগরিক কমিটি
- ‘৭১ সালে আমাদের আশ্রয় দেওয়ার পেছনে ভারতের রাজনৈতিক স্বার্থ ছিল’
- মোদির দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানালেন আসিফ নজরুল
- বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া
- স্বাধীনতার বিজয়কে ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত করেছিল আ.লীগ
- বাংলাদেশ ‘ইন্টারনেট ট্রানজিট’ না দিলে ভারতের সেভেন সিস্টার্স কি সমস্যায় পড়বে?
- ‘বাংলাদেশের বিজয়কে অস্বীকারের অপচেষ্টা’: মোদির পোস্ট নিয়ে সমালোচনার ঝড়
- বিজয় দিবসের ছুটিতেও আশানুরূপ পর্যটক নেই কুয়াকাটায়
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের স্বাধীনতা পদকের আবেদন
- হাসিনার ৩ মাস ৫ দিন পর যেভাবে দেশ ছাড়েন কাদের
- লাল-সবুজের রঙে সাজলো পোল্যান্ডের স্লাসকো সেতু
- ঢাবিতে দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের বিজয় দিবস পালিত
- ভারতে ফেরিতে স্পিডবোটের ধাক্কা, নিহত ১৩
- শামিকে মাঠে ফিরতে যে ‘কঠিন শর্ত’ দিলেন রোহিত
- বাংলাদেশকে ৬৮৫ ভারতীয় বিশিষ্ট নাগরিকের খোলা চিঠি
- অবশেষে নির্ধারিত হলো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভাগ্য
- একাত্তরে আত্মসমর্পণ পর্বে বাংলাদেশ নেই কেন, প্রশ্ন ফারুকীর
- ভারতের সংসদ চত্বরে বিজেপি-কংগ্রেস এমপিদের হাতাহাতি, আইসিইউতে ২
- রেকর্ড ভেঙে ভারতীয় রুপির দাম সর্বকালের সর্বনিম্নে
- হাসিনা পালিয়ে দিল্লিতে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক তলানিতে
- ওয়াজ শুনতে এসে ভারতীয় কিশোর আটক
- এবার চণ্ডীগড়ে বিজেপি-কংগ্রেস হাতাহাতি, নেপথ্যে অমিত শাহ
- দেশে ফিরলেন আজহারী, অংশ নেবেন মাহফিলে
- কনস্টাসকে ধাক্কা দেওয়ায় কোহলির কত টাকা কাটল আইসিসি
- ভারতের মহারাষ্ট্রে ১৭ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
- আজহারীর বয়ান শুনলেন কয়েক লাখ মানুষ
- দেশকে ভারতের তাঁবেদার করতে চেয়েছিল হাসিনা
- সিলেট পৌঁছেছেন মিজানুর রহমান আজহারী
- সিলেটে মাহফিলে হট্টগোল, মেজাজ হারালেন আজহারী
মন্তব্য / প্রেরক
৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে বিক্ষোভ, বন্ধ শত শত কারখানা; উৎপাদন ব্যাহত, বাড়ছে শ্রমিক-মালিক অসন্তোষ
-
ডিজিটাল ডেস্ক : সম্পাদনা: মো; রফিকুল ইসলাম সরকার
মাসিক ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণ, শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ এবং শ্রমিকদের বিরুদ্ধে কালোতালিকা বা হোয়াইট লিস্টের নামে হয়রানি বন্ধের দাবিতে নতুন করে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প। কয়েক দিন ধরে ঢাকা, মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে। এতে দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্পে উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
শ্রমিকদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান মজুরিতে পরিবার পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে বিনা কারণে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানি ও কালোতালিকাভুক্ত করার মতো পদক্ষেপ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
শিল্পাঞ্চলে অচলাবস্থা, বন্ধ শত শত কারখানা
শ্রমিক অসন্তোষের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে রাজধানীর মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে। বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকেরা কারখানা থেকে বেরিয়ে এসে সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। কোথাও কোথাও দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকেরা।
শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ১ নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের কারণে ৩১৮টি পোশাক কারখানা বন্ধ ছিল। একই সময়ে প্রায় ৭ লাখ শ্রমিক কর্মস্থল ছেড়ে চলে যান বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। পরবর্তী দিনগুলোতেও বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে কারখানা বন্ধ ও সাধারণ ছুটি ঘোষণার ঘটনা ঘটেছে। ৩ নভেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুরেই কয়েক শ কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল।
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড
আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার মধ্যেও বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মিরপুর, গাজীপুরের কালিয়াকৈর, সাভার ও আশুলিয়ায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কোথাও কোথাও কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। এসব ঘটনায় শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কয়েকটি স্থানে ভাঙচুর, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটেছে।
এদিকে বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনায় বিভিন্ন এলাকায় মামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটেছে। ৩ নভেম্বর প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, গাজীপুর ও মিরপুরে অন্তত ৮২ জনকে আটক বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়।
শ্রমিক নেতাদের আটক ও হয়রানির অভিযোগ
আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শ্রমিক নেতাদের আটক এবং শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। শ্রমিকদের একাংশের অভিযোগ, ন্যায্য মজুরির দাবিতে আন্দোলন করলেই তাঁদের চাকরিচ্যুত করা, মামলায় জড়ানো কিংবা ভবিষ্যতে অন্য কারখানায় চাকরি পেতে বাধা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে।
বিশেষ করে শ্রমিকদের কালোতালিকাভুক্ত করা কিংবা হোয়াইট লিস্টের নামে হয়রানির অভিযোগ তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়িয়েছে। আন্দোলনকারীরা এসব ব্যবস্থা বাতিলের পাশাপাশি শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও চাকরির নিশ্চয়তা দাবি করছেন।
তবে আন্দোলনে সহিংসতা, ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানও অব্যাহত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং শিল্পাঞ্চলে শান্তি বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা জরুরি হয়ে পড়েছে।
নতুন মজুরি বোর্ড গঠন, ডিসেম্বর থেকে নতুন কাঠামোর উদ্যোগ
শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে সরকার ছয় সদস্যের একটি নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। ২ নভেম্বর সরকার ও পোশাকশিল্পের মালিকপক্ষের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়ে বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। শ্রমিকদের দাবি ও মালিকপক্ষের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৪ নভেম্বর মজুরি বোর্ডের প্রথম বৈঠকে ডিসেম্বর থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার বিষয়ে সম্মতি হয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। নতুন কাঠামোয় কত টাকা মজুরি নির্ধারণ করা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নতুন কাঠামো অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তবে শ্রমিকদের আশঙ্কা, তাঁদের প্রত্যাশিত ৩০ হাজার টাকার পরিবর্তে সামান্য মজুরি বৃদ্ধি করা হতে পারে। এ কারণে বোর্ডের সিদ্ধান্ত ও আলোচনার অগ্রগতির দিকে নজর রাখছেন তাঁরা।
মালিকপক্ষের উদ্বেগ, রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা
অন্যদিকে পোশাকশিল্পের মালিকপক্ষ বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট এবং বিদেশি ক্রেতাদের কাছ থেকে কম দামে পণ্য সরবরাহের চাপের মধ্যে হঠাৎ বড় অঙ্কের মজুরি বৃদ্ধি শিল্পের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
দীর্ঘ সময় কারখানা বন্ধ থাকলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, নির্ধারিত সময়ে পণ্য রপ্তানি এবং বিদেশি ক্রেতাদের কাছে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাকশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধান করা প্রয়োজন।
সংকট সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প দেশের রপ্তানি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। ফলে শ্রমিক অসন্তোষ দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু শ্রমিক ও মালিকপক্ষ নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, রপ্তানি আয় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। একই সঙ্গে মালিকপক্ষের বাস্তব সক্ষমতা যাচাই করে গ্রহণযোগ্য মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা, হয়রানিমূলক তালিকা বাতিল এবং শ্রমিক-মালিকের মধ্যে আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা জরুরি।
সরকার, শ্রমিক সংগঠন ও পোশাকশিল্পের মালিকপক্ষের মধ্যে কার্যকর সংলাপই হতে পারে চলমান সংকট সমাধানের প্রধান পথ।
সব মিলিয়ে, ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন এখন দেশের শিল্প ও অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত, শ্রমিকদের প্রত্যাশা এবং মালিকপক্ষের অবস্থানের মধ্যে কতটা সমন্বয় করা সম্ভব হয়, তার ওপরই নির্ভর করছে দেশের পোশাকশিল্পে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসার বিষয়টি।
প্রতিবেদনের তথ্যসূত্র: রয়টার্স, দ্য ডেইলি স্টার, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, বিডিনিউজ২৪ ও বাসস।
মন্তব্য / প্রেরক
বিরামপুরে জাতীয় যুব দিবসে র্যালী, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ
-
মোঃ নজরুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি বিরামপুর দিনাজপুর
দিনাজপুরের বিরামপুরে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে দিবসটি পালিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ তানজিনা খাতুনের সভাপতিত্বে এবং একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আহসান হায়দার চৌধুরী।
সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ হুমায়ুন কবির, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিঞা মোঃ শফিকুল আলম মামুন, পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজুসহ অন্যান্য অতিথিরা।
বক্তারা যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়নে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও ঋণসুবিধা কাজে লাগিয়ে বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে এবং জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখতে সহায়তা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
মন্তব্য / প্রেরক
নবাবগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস পালিত, উদ্যোক্তাদের ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ
-
মেহেদী হাসান, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
“দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মাঠে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হালদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা, উদ্যোক্তাদের ঋণের চেক ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো.সাইফ উদ্দিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.নাজমুল হুদা,
খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোফাখখারুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. মাছুমা খাতুন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো ইকবাল হোসেন ও বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, যুব উন্নয়ন থেকে ঋণ গ্রহণকারী ও প্রশিক্ষণার্থী এবং ইলেকট্রনিকস ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকসহ প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, “যুবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ। প্রশিক্ষণ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগিয়ে যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল হতে হবে। দেশের উন্নয়নে দক্ষ ও উদ্যোমী যুবকদের কাজে লাগাতে হবে। বক্তারা যুবসমাজকে মাদক, বেকারত্ব ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে দক্ষতা অর্জন এবং আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য / প্রেরক
বিরলে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে র্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ও যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার সকালে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় র্যালি শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল ইসলাম।
উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মাহফুজার রহমান চৌধুরী এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাবুল হোসেন, জামায়াতের সেক্রেটারি আজমীর হোসাইন, জাতীয় ছাত্রশক্তি জেলা শাখার সিনিয়র সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন উপজেলা শাখার সভাপতি নাজমুল ইসলাম, ওসি (তদন্ত) আনিছুর রহমান সরকার, প্রাণি সম্পদ অফিসার ডা. মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিরল মহিলা কলেজ এর অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। আলোচনা শেষে ১৬ জন প্রশিক্ষিত যুব উদ্যোক্তাকে মোট ১৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার ঋণের চেক বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য / প্রেরক
সাম্প্রতিক
নিউজলেটার
নিউজলেটার বিবরণ