Image
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

বিএনপির তিন সংগঠনের লংমার্চ আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছেছে

বিএনপির তিন সংগঠনের লংমার্চ আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছেছে
লংমার্চকে স্বাগত জানাতে আগে থেকেই স্থলবন্দর এলাকায় অবস্থান নেন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। আজ বুধবার দুপুরে আখাউড়া স্থলবন্দরের পাশের সড়কে

ঢাকা যাত্রা শুরু করা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের লংমার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছেছে। আজ বুধবার বিকেল চারটার দিকে লংমার্চের বহর স্থলবন্দর মাঠে আসে। সেখানে সমাবেশের মধ্য দিয়ে লংমার্চ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা, জাতীয় পতাকার অবমাননাসহ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি করছে বিএনপির তিন সংগঠন। কর্মসূচি ঘিরে স্থলবন্দর এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আখাউড়া স্থলবন্দরে গ্রাম পুলিশ, থানা–পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন করে তিন স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে সংগঠন তিনটির ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, সিলেটসহ বিভিন্ন জেলার নেতা-কর্মীরা মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে এবং হাতে ফেস্টুন, জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দিতে আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছেছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, স্থলবন্দরের মাঠের পাশের রাস্তায় গ্রাম পুলিশ ও শুল্ক স্টেশনের প্রধান ফটক থেকে ১০০-১৫০ গজ দূরত্বে ব্যারিকেড দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে জেলা পুলিশ। দুই দেশের যাত্রীদের হেঁটে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্টে যেতে হচ্ছে। ইমিগ্রেশনের সামনে বিজিবির সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। বিকেল চারটা পর্যন্ত ২৮ বাংলাদেশি ও ২৪ ভারতীয় যাত্রী আখাউড়া ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে গেছেন। অন্য দিনের তুলনায় যাত্রীদের পারাপার তুলনামূলক কম।

লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের পথসভায় বক্তব্য দেন নেতারা। আজ বুধবার দুপুরে

স্থলবন্দর মাঠ থেকে আধা কিলোমিটার আগেই জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লার নেতৃত্বে নেতা–কর্মীসহ সব মানুষের যানবাহন থামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে একটি ফাঁকা জায়গায় নেতা–কর্মীদের পাঁচ হাজার যানবাহন রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এ এম জাবের বিন জব্বার প্রথম আলোকে বলেন, আখাউড়া স্থলবন্দরে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিজিবির সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া রিজার্ভেও রাখা হয়েছে বিজিবি সদস্যদের একটি দল।

এর আগে আজ সকাল আটটায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে লংমার্চ শুরু হওয়ার কথা ছিল, শুরু হয় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সকাল সাতটার পর থেকে বিএনপির তিন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে জড়ো হতে থাকেন।

ভারতের আগরতলা অভিমুখে লংমার্চ শুরুর আগে নয়াপল্টনে বিএনপির তিন সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী জড়ো হন
সেখানে লংমার্চ শুরর আগে সমাবেশে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমরা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা কিনেছি, এই স্বাধীনতা বিক্রি করে দেব? আমরা পিন্ডির কাছ থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছি দিল্লির কাছে আত্মসমর্পণ করার জন্য নয়?’ রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভুটান, নেপাল, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কার লোকেরা নিজের কথায় চলুক, এটা ভারত চায় না। দিল্লির কথায় চলতে হবে কেন? বাংলাদেশের মানুষের রক্তের তেজ, আত্মশক্তি, বীরত্ব দিল্লির শাসকেরা বুঝতে পারেননি।

লংমার্চটি দুপুরে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পৌঁছায়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেলা দেড়টার দিকে ভৈরবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ডে পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম বলেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে বিএনপি ঐক্যবদ্ধ। ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আপসহীন থেকে কাজ করে যাবে। ঐক্যবদ্ধ থেকে আমরা ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দেব।’

 

মন্তব্য / প্রেরক

৫০৩ উপজেলায় ন্যায় নবাবগঞ্জে ‘নতুন কুঁড়ি’ সিজন-২ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

৫০৩ উপজেলায় ন্যায় নবাবগঞ্জে ‘নতুন কুঁড়ি’ সিজন-২ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
ফটো: প্রতিনিধি

“ ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ফরসা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনার লক্ষ্যে শুভ উদ্বোধন হলো ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবারের আসরে অংশ নিতে ইতোমধ্যে অনলাইনে নিবন্ধন করেছে ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন। এরই ধারাবাহিকতায় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’- সেজন ২ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হালদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো.আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার, উপজেলা প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী, ক্রিয়া সংগঠক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান আগের আসরের তুলনায় এবার শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরে এক বছরেও রাস্তার কাজ শুরু না হওয়াই, মানব বন্ধন ও মন্ত্রীর কাছে স্মারক লিপি প্রদান

বিরামপুরে এক বছরেও রাস্তার কাজ শুরু না হওয়াই, মানব বন্ধন ও মন্ত্রীর কাছে স্মারক লিপি প্রদান
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌরসভায় বিশ্ব ব্যাংকের বরাদ্দের ১ বছরেও কাজ শুরু না করার প্রতিবাদে এবং রাস্তার কাজ শুরুর দাবিতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মানববন্ধন ও মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছে। সমাজ কল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন শেষে সমাজ কল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।


স্মারকলিপিতে জানানো হয়, শহরের নবাবগঞ্জ রোড (শালবাগান) থেকে চরকাই তিনমাথা পর্যন্ত ১.৭ কিলোমিটার রাস্তা চলাচলের অনুপযোগি হওয়ায় পৌর কর্তৃপক্ষ রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে আরসিসি রাস্তা, ড্রেন, সড়ক বাতি ও ফুটপাত তৈরি কাজের টেন্ডার দেওয়া হয়। টেন্ডারে রাজশাহীর দু’টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সে কাজের দরপত্র পায়। ঐ কাজ ১৩ নভেম্বর ২০২৫ সালে শুরু হয়ে ২০২৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে শেষ করার কথা। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার সম্মুখে এসেও সেই প্রকল্পের কাজ শুরুই করা হয়নি। এতে ঐ রাস্তা দিয়ে শহরে চলাচলকারী ছাত্র-ছাত্রী, কৃষক-শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রায় এক বছরেও বরাদ্দকৃত প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়ায় এলাকার ৩ শথাধিক মানুষ বৃহস্পতিবার মিছিলসহ উপজেলা চত্বরে গিয়ে কাজ শুরুর দাবিতে মানববন্ধন শেষে স্থানীয় এমপি, সমাজ কল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক ও সাংবাদিক রিপন মানিক চৌধুরী সহ এলাকাবাসীর গণ স্বাক্ষরে স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন, সাবেক পৌর কাউন্সিলর জোবায়দুল হক জুয়েল, ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের, জাহিদুল ইসলাম খোকন, মশকুরুল হক, আনোয়ার সরকার, রিয়াজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, শিহাবুর রহমান প্রমূখ।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান
ফটোঃ প্রতিনিধি

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌর নাগরিকদের দূর্ভোগ নিরসন ও শহরের শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবিতে সোমবার ২ নভেম্বর দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সরকার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুনের নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন, বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের সদস্য সচিব ও বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, সাবেক ভিপি গোলাম মোর্শেদ সৈকত, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, হাফিজ উদ্দিন সরকার, মোবারক আলী, ফরিদ হোসেন, মানিক চৌধুরী, মাজহারুল ইসলাম তানিম।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, বিরামপুর শহরের উভয় পাশে এবং ঢাকামোড়ে অটোরিক্সা, মিশুক, টেম্পু, ভ্যান ও বাসের অবৈধ স্ট্যান্ড অপসারণ, যানজট নিরসন, অটোরিক্সার ভাড়া নির্ধারণ, শব্দ দুষন নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করণ, ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, এবং সপ্তাহে দু’দিন পৌর কার্যালয়ে প্রশাসকের কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানানো হয়।
দাবির প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুন বলেন, অচিরেই ঢাকামোড় ও হাসপাতাল মোড় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত
নীলফামারীর দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে জেলা ইজতেমায় জুমার নামাজে অংশ নিয়েছেন বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। ছবি: সংগৃহীত।

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে চলছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে সমবেত হন লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।

জেলার সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়কসংলগ্ন দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে আয়োজিত এ ইজতেমায় নীলফামারী ছাড়াও ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নেন। জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি মূল মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

 

আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ

এবারের ইজতেমায় বিদেশি মুসল্লিদেরও অংশগ্রহণ রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সুদান ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এতে অংশ নিয়েছেন।

ইজতেমায় দ্বীনের দাওয়াত, মানবকল্যাণ, ধর্মীয় জীবনযাপন এবং আখিরাতের প্রস্তুতি বিষয়ে বয়ান পেশ করা হচ্ছে।

নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও সাদাপোশাকের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মুসল্লিদের সার্বিক সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

শনিবার আখেরি মোনাজাত

আয়োজকদের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ জেলা ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি এবং মানবকল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date