Image
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

ছলচাতুরি নয়, অবিলম্বে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করুন: মির্জা আব্বাস 

ছলচাতুরি নয়, অবিলম্বে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করুন: মির্জা আব্বাস 

অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র কাঠামোর কী কী সংস্কার করতে চায় এবং সেটা করতে কতদিন লাগবে, কোনো ছলচাতুরি ছাড়াই তা স্পষ্ট করে অবিলম্বে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সাবু'র ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম ও প্রজন্ম একাডেমির যৌথ উদ্যোগে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মির্জা আব্বাস হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জাতিকে অন্ধকারে রেখে আপনারা যা খুশি তাই করবেন, আমরা তো সেটা মেনে নিতে পারব না। সুতরাং জাতিকে ধোঁয়াশায় রাখবেন না। দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন গত ১৬ বছরের বিনা ভোটের সরকারকে মানেনি, এখন এই সরকারকেও দীর্ঘদিন মানবে না। 

তিনি আরও বলেন, আজকে দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে। সামনে আরও ঘোলাটে হতে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, এই সরকার অবশ্যই জাতিকে একটা আশার আলো দেখাবে। তবে আপনারা এমন কিছু করবেন না, যাতে জাতি আপনাদের ওপর থেকে বিশ্বাস হারায়।  

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, বর্তমানে সংস্কারের কোনো লক্ষণ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। নির্বাচন নিয়ে আপনারা কোনো কথা বলছেন না। আমরা নির্বাচনের কথা বললেই আপনারা বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আমরা উদগ্রীব হয়ে পড়েছি। এখন আমরা যদি বলি, আপনারা নির্বাচনের কথা না বলে ক্ষমতায় থাকার জন্য পাগল হয়ে গেছেন। সুতরাং কোনো রকম ছলচাতুরি করবেন না। জাতিকে ধোঁয়াশায় রাখবেন, তারা তামাশা দেখবে- এমনটা হবে না।

বিএনপির এই নীতি নির্ধারক আরও বলেন, সংবিধান সংশোধন করার আপনারা কে? পার্লামেন্ট ছাড়াই সংবিধান সংশোধন করে ফেলবেন? মনে রাখতে হবে, সংবিধান কোনো রাফ খাতা নয় যে, যা খুশি তাই করবেন। সংবিধান সংশোধন কিংবা পুনর্লিখন করতে হলে, যারা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছেন, যারা স্টেকহোল্ডার রয়েছেন- তাদের সঙ্গে আলোচনা করে তা করতে হবে।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা আব্বাস বলেন, আজকে জোরেসোরে এই দ্বিতীয় স্বাধীনতার কথা বলা হচ্ছে। এটা কীসের দ্বিতীয় স্বাধীনতা? এই কথাটার আবিষ্কার করলো কে? কোন গোষ্ঠী আবিষ্কার করলো। কেন করলো? আমরা স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছি, ফ্যাসিস্টমুক্ত হয়েছি। এখন দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কী বোঝাতে চান আপনারা? আমার কাছে এর ব্যাখ্যা হচ্ছে-আপনারা কি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করতে চান? মনে রাখতে হবে, বাবার আগে ছেলে হাঁটলে সেই দেশ- জাতি শেষ হয়ে যায়।  

তিনি আরও বলেন, তিন মাস হলো অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। কিন্তু এখনও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আমাদের মামলাগুলো প্রত্যাহার হয়নি। অথচ আপনারা একটা অর্ডিন্যান্স জারি করে ২০০৭ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন পর্যন্ত  বিএনপি ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যত মামলা হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার করে নিতে পারেন। কিন্তু সেটা করছেন না। হয়তো করবেন অথবা করবেন না।   

বিএনপি'র এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, আগে আমরা কারাগারেই থাকতাম, মাঝে মধ্যে কারাগার থেকে বের হতাম। কারাগার ছিল আমাদের আবাসিক ঠিকানা। কারণ, গত ১৬ বছরে আমাদের ওপর ভয়াবহ অত্যাচার-নির্যাতন চালানো হয়েছে। সরকারকে বলব, আমাদেরকে-জনগণকে শান্তি দিন, স্বস্তি দিন। অবিলম্বে রোডম্যাপ ঘোষণা করুন। 

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশে বর্তমানে একটা ধোয়াশাচ্ছন্ন পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই সরকার বেশি সময় থাকবে, না যথাসময়ে দায়িত্ব পালন করে চলে যাবে-বুঝতে পারছি না। আপনারা আমাদের সহযোগিতা চান কিনা, সেটাও বুঝতে পারছি না।

তিনি আরও বলেন, এই সরকার ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ফসল, তাদের রক্তের ফসল। এই সরকারের কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশা, তারা নির্বাচনমুখী প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুততম সময়ে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। সরকার এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে, ইতিহাসে তারা উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন, জ্বলজ্বল করবে তাদের নাম।  এর ব্যত্যয় ঘটলে দেশটা ধ্বংসের দিকে যেতে পারে। তাই এই সরকারকে ব্যর্থ হওয়া যাবে না। 

অনুষ্ঠানে আলোচ্য বিষয় নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন শাহীন।

প্রজন্ম একাডেমির সভাপতি কালাম ফয়েজীর সভাপতিত্বে এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম কলিমের  সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, প্রয়াত সাবুর সহধর্মিণী হোসনে আরা বেগম রিনা, যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএম মিজানুর রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপি'র তথ্য সম্পাদক মজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সহ-সভাপতি শারমিন আহমেদ রিনা, প্রজন্মের নেতা মাইনুদ্দিন আহমেদ তুহিন, আবু হায়দার মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, এস এম কমর উদ্দিন, রমিজ উদ্দিন রুমি, ডা. মামুন হাসিব ভূঁইয়া, বিএনপি নেতা মোরশেদ আলম, কবীর হোসেন প্রমুখ।

মন্তব্য / প্রেরক

‎ বিরামপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

‎ বিরামপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
ফটোঃ প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা ও পৌর যুবদলের যৌথ আয়োজনে বুধবার (২৮ অক্টোবর) এই কর্মসূচি পালিত হয়।

‎প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বুধবার বিকেল ৪টায় বিরামপুর শহরের বিএনপি মোড়ে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

‎র‌্যালীতে উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মিঞা শফিকুল আলম মামুন, উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল, পৌর বিএনপি'র সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজু, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক নুর ইসলাম এবং নূর আলম নূরা, মুকুন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জীবন চৌধুরী শাহিন, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মিঞা শিরন আলম, পৌর যুবদলের আহবায়ক তসলিম উদ্দিন মন্ডল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব পলাশ বিন আশরাফীসহ উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

‎র‌্যালী শেষে সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জীবন চৌধুরী শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মিঞা শিরন আলম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জাকির খন্দকার, পৌর যুবদলের আহবায়ক তসলিম উদ্দিন মন্ডল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব পলাশ বিন আশরাফী প্রমুখ।

‎এ সময় বক্তারা বলেন, "শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল দেশের প্রতিটি সংকটে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে যুবদল অগ্রভাগে লড়াই করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে বাংলাদেশ নতুনভাবে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি দিনাজপুর-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, সমাজকল‍্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন এর নেতৃত্ব বিগত সময়ে উন্নয়ন কর্মকান্ডে পিছিয়ে থাকা দিনাজপুর-৬ আসনের অন্তর্গত বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট এই চারটি উপজেলায় উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজ ও কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে।"

‎

‎

মন্তব্য / প্রেরক

বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত

বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত
ফটো: প্রতিনিধি

বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় হতে র‍্যালি বের হয়ে পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ শেষে পূণরায় দলীয় কার্যালয়ে ফরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা বিএনপি'র সহ-সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলাম বাদশা, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ রশিদ, পৌর বিএনপি'র সহ-সভাপতি আসাদুল হক হিরা, সাধারণ সম্পাদক নুরজামাল হোসেন সোনাহার, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) হাবিবুর রহমান, যুগ্মআহ্বায়ক মামুনুর রশিদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক জাহিদ হাসান বুলেট, রোস্তম আলী, মমিনুর ইসলাম, খায়রুল আলম বাবু, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি/সম্পাদকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কুরবান আলী।


এছাড়াও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুল ইসলাম, কৃষকদলের সভাপতি বেলাল হোসেন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুমন রেজা, সদস্য সচিব রেজাউল ইসলাম রুবেল, পৌরছাত্রদলের আহ্বায়ক মাইদুল ইসলাম, সদস্য সচিব শিহাব ইমতিয়াজ, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদসহ উপজেলা যুবদল ও বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে বৃক্ষরোপণ করা হয়। ০৩ নং ধামইর ইউনিয়ন হতে শতাধিক মোটরসাইকেল বহরসহকারে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রোস্তম আলীর নেতৃত্বে র‍্যালিতে আগত নেতাকর্মীবৃন্দকে স্বাগত জানান উপজেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ। 

মন্তব্য / প্রেরক

দিনাজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নবগঠিত ১০১ সদস্যের কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নবগঠিত ১০১ সদস্যের কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
ফটো: প্রতিনিধি
দিনাজপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম জেলা শাখার নবগঠিত ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎শুক্রবার সন্ধ্যায় দিনাজপুর শহরের স্টেশন রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যালয়ে এ পরিচিতি সভার আয়োজন করে সংগঠনটির দিনাজপুর জেলা শাখা।
 
‎অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। পরে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর নবগঠিত কমিটির সার্বিক বিষয় নিয়ে সূচনা বক্তব্য দেন নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব ইমরুল হাসান রাজিব। তাঁর বক্তব্যের শেষাংশে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে আমন্ত্রিত অতিথিদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার পর দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তম, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে বক্তব্য রাখেন।
 
‎উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক ড. কে আই মন্টি স্বাক্ষরিত অনুমোদনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দিনাজপুর জেলা শাখার ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
এরপর ‎সভায় নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য প্রদান করেন, ককমিটির অন্যতম সদস্য মো. আসলাম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাদিব গোলাম বীন নাছের, কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মঞ্জুর মুর্শেদ সুমন, সদস্য মোঃ নয়ন, সদস্য রাশেদুজ্জামান জামান রাশেদ।
এরপর নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভায় আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর-৩ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও  দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, মুক্তিযোদ্ধা দল দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকশেদ আলী মঙ্গোলিয়া।
 
সভায় নবগঠিত কমিটির সকল যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতি ও সাংগঠনিক অংশগ্রহণ অতিথিদের প্রশংসা অর্জন করে।
‎নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মারুফ নুরুন্নবী চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য / প্রেরক

হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব বহিষ্কার

হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব বহিষ্কার
ফটো: প্রতিনিধি

“নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে দিনাজপুরের হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আলী মর্তূজাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আজ বুধবার ( ৭ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ভূইয়া স্বাক্ষরিত প্যাডে এই আদেশ দেন।

আরও উল্লেখ রয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।

স্বাক্ষরিত পত্রে আরো উল্লেখ আছে, বহিষ্কৃতদের কোন ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নিবে না। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date