Image
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

ফেব্রুয়ারির মধ্যেই দেশে ফিরতে পারেন তারেক রহমান

ফেব্রুয়ারির মধ্যেই দেশে ফিরতে পারেন তারেক রহমান

গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে কবে দেশে ফিরছেন তা নিয়ে নানা ধরনের জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।


বিশেষ করে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বেকসুর খালাস পাওয়ার পর বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণের মধ্যে এ নিয়ে জানার আগ্রহ বেড়েছে।

এদিকে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘লিডার আসছে’, এ ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। আসলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঠিক কবে ফিরবেন, সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত কোনো দিনক্ষণ পাওয়া যায়নি।

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যে পাঁচটি মামলায় সাজা হয়, তার মধ্যে একটিতে তিনি খালাস পেয়েছেন। বাকি চারটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দ্রুততম সময়ে এসব মামলায় খালাস পেলে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি নাগাদ তিনি দেশে ফিরতে পারেন বলে বিএনপিতে আলোচনা রয়েছে।

তবে দলটির অভ্যন্তরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরার তারিখ এখনো সুনির্দিষ্ট হয়নি। তার দেশে ফেরার ইস্যুটির একদিকে যেমন আইনি দিক রয়েছে, অন্যদিকে এটি রাজনৈতিক বিষয় বলেও মনে করছেন কেউ কেউ। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কখন বিদেশে যেতে পারেন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কখন দেশে ফিরতে পারেন-এ ব্যাপারে লন্ডন সফররত দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশে ফিরলে কিছুটা স্পষ্ট হতে পারে বলেও অনেকে ধারণা করছেন।

বৃহস্পতিবার দেশে ফেরার কথা রয়েছে বিএনপির মহাসচিবের। তবে তারেক রহমানের দেশে ফেরার পথ প্রশস্ত হচ্ছে জানিয়ে তার আইনজীবীরা বলছেন, সাজা হওয়া চারটি মামলাসহ ৩৯টির মতো মামলা আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

এ বিষয়ে শনিবার লন্ডনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দল যখন মনে করবে তখন তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। এছাড়া উনার (তারেক রহমান) আরও কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে, সেগুলো শেষ করে দেশে যাবেন।

জানতে চাইলে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এমএ মালিক যুগান্তরকে বলেন, ‘ম্যাডাম খালেদা জিয়ার লন্ডনে আসার কথা রয়েছে। ম্যাডামকে তো প্রথম রিসিভ করতে হবে। তার চিকিৎসার জন্য প্রস্তুতিও নিশ্চয়ই একটা আছে। ম্যাডামকে রিসিভ না করে আমার মনে হয় না কোনো কিছু হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করছি, উনি (তারেক রহমান) হয়তো ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) জন্য অপেক্ষা করছেন।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ, মানহানি, নাশকতা, গ্রেনেড হামলা ও দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকাসহ দেশব্যাপী ৮০-৮২টির মতো মামলা করা হয়। ওয়ান-ইলেভেনের সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এসব মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ১৭টি মামলা হয়। তারেক রহমানের মামলাগুলোর মধ্যে ৬২টির মতো মানহানির মামলা বলে জানান তার আইনজীবীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ও তারেক রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল যুগান্তরকে বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে ৮০ থেকে ৮২টি মামলা করা হয়েছিল। ৫টি মামলায় তার দণ্ড হয়েছে। এর মধ্যে একটিতে খালাস পেয়েছেন। বাকি চারটি আদালতে বিচারাধীন আছে, এখন পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি।

তিনি জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত তারেক রহমানের মোট ৩৯টি মামলা বাতিল বা খারিজ কিংবা খালাস পেয়েছেন। এর মধ্যে একটি মামলায় তিনি খালাস পেয়েছেন। আর বাকি ৩৮টির মধ্যে কোনো কোনো মামলা বাতিল হয়েছে, আবার কোনোটি খারিজ হয়েছে। ৩৫টির মতো মামলা আছে পেন্ডিং, এগুলো সব মানহানি মামলা।

কায়সার কামাল আরও জানান, হাইকোর্টে ৯টি মামলা আইনগতভাবে বাতিল হয়েছে এবং একটি মামলায় (একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা) তারেক রহমান বেকসুর খালাস পান। বাকিগুলো সংশ্লিষ্ট আদালত (জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট) কর্তৃক বাতিল বা খারিজ হয়েছে। এখন পর্যন্ত তারেক রহমানের কোনো মামলা প্রত্যাহার হয়নি বলে জানান তার এই আইনজীবী।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান দেশের প্রচলিত আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সংবিধানের প্রতি পূর্ণ আস্থাশীল। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত প্রত্যেকটি মামলা ভিত্তিহীন। তারপরও তিনি আদালতের মাধ্যমে মামলাগুলোর নিষ্পত্তি চান।

সেনা সমর্থিত ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তারেক রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। পরের বছর ৩ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পেয়ে ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার জন্য সপরিবারে যুক্তরাজ্য যান। তখন থেকেই তিনি লন্ডনে রয়েছেন। লন্ডনে থাকাকালে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারিতে তার মা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন ‘সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান’ তারেক রহমান। সেখানে থেকেই তিনি দল পরিচালনা করছেন।

বিএনপি নেতারা জানান, তারেক রহমান দলকে যেমন সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করেছেন, তেমনিভাবে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। তার নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলনেই ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের পতন ত্বরান্বিত হয়। এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তার দেশে ফেরা খুবই কাঙ্ক্ষিত এবং নেতাকর্মীরা সেদিকেই চেয়ে আছে।

জানা গেছে, তারেক রহমানের মামলাগুলো বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই তিনি খালাস পাচ্ছেন। বাকি মামলাগুলো যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি হয়, সে ব্যাপারে আইনজীবীরা তৎপর রয়েছেন।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কথা বলে জানা গেছে, তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বাইরে আছেন। এ ক্ষেত্রে তার দেশে ফেরার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান কী, দলের পক্ষ থেকে সেটা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত প্রভাবশালী দেশগুলোর মনোভাবও জানার চেষ্টা করবে বিএনপি।

বিএনপির নেতারা বলছেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনের ক্ষেত্রে তার নেতৃত্ব ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারেক রহমানের ইতিবাচক ও পরিবর্তনের রাজনীতি জাতির সামনে নতুনভাবে আশার সঞ্চার করছে। মানুষের মন জয় করতে নিচ্ছেন একের পর এক যুগান্তকারী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। তার (তারেক রহমান) দূরদর্শী সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্র নিয়ে ভাবনা দেশের জনগণও গ্রহণ করেছে। তিনিই আগামীতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক।

 

সাজা হওয়া মামলাগুলোর অবস্থা-

 

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় খালাস : ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সমাবেশ চলার সময় গ্রেনেড হামলা হয়। সেই হামলায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতা অল্পের জন্য বেঁচে গেলেও ২৪ জন নিহত হয়েছিলেন, আহত হয়েছিলেন ৪০০-এর বেশি নেতাকর্মী। জজ আদালত এ মামলায় ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১১ পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। বহুল আলোচিত এ মামলায় ১ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আসামিদের সবাইকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

 

অর্থ পাচার মামলায় সাজা স্থগিত : ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারের একটি মামলায় ঢাকার একটি আদালত তারেক রহমানকে খালাস দেন। ওই মামলায় তারেক রহমানের বন্ধু ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। বিচারিক আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে দুদক। ২০১৬ সালে বিচারিক আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে তারেক রহমানকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ২০ কোটি টাকা জরিমানা করেন। এটি ছিল তারেক রহমানের প্রথম সাজা। মঙ্গলবার তারেক রহমানের ৭ বছরের সাজা স্থগিত করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। একই মামলায় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের ৭ বছরের সাজাও স্থগিত করা হয়েছে। তারেক রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বিচারিক আদালতে তারেক রহমান খালাস পেলেও উচ্চ আদালতে তাকে সাজা দেওয়া হয়। এরূপ দৃষ্টান্ত বিচার ব্যবস্থায় বিরল। আমরা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতির আবেদন (লিভ টু আপিল) দায়ের করি। আপিল বিভাগ লিভ মঞ্জুর (আপিলের অনুমতি) করে আদেশ দেন। ৩১ ডিসেম্বরে মধ্যে পক্ষদ্বয়কে আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দিতে বলেছেন সর্বোচ্চ আদালত। পাশাপাশি হাইকোর্টের সাজাও স্থগিত করেছেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা : ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন। এ মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে তারেক রহমানসহ অন্য পাঁচ আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। হাইকোর্ট পরে খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড বাড়িয়ে ১০ বছর করেন। এই মামলায় খালেদা জিয়া ২ বছর কারাভোগ করেন। ২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর রাষ্ট্রপতির আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে।

জ্ঞাতআয়বহির্ভূত সম্পদের মামলায় কারাদণ্ড : ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও জুবাইদা রহমানের মা সৈয়দা ইকবাল বানুর বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিল দুদক। অভিযোগ ছিল, তারেক রহমান ও তার স্ত্রীর ঘোষিত আয়ের বাইরেও ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকারও বেশি পরিমাণ অর্থের অবৈধ সম্পদ রয়েছে। গত বছরের (২০২৩ সাল) আগস্টে এ মামলায় তারেক রহমানকে ৯ বছরের এবং তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার একটি আদালত।

মানহানির মামলায় দণ্ড : ২০১৪ সালে লন্ডনে এক সমাবেশে শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজাকার ও পাকবন্ধু উল্লেখ করে তারেক রহমান নানা অবমাননাকর কটূক্তি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ এনে সে সময় নড়াইলে তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান বিশ্বাস। ওই মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানকে ২ বছরের কারাদণ্ড দেন নড়াইলের আদালত।

 

মন্তব্য / প্রেরক

‎ বিরামপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

‎ বিরামপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
ফটোঃ প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা ও পৌর যুবদলের যৌথ আয়োজনে বুধবার (২৮ অক্টোবর) এই কর্মসূচি পালিত হয়।

‎প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বুধবার বিকেল ৪টায় বিরামপুর শহরের বিএনপি মোড়ে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

‎র‌্যালীতে উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মিঞা শফিকুল আলম মামুন, উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল, পৌর বিএনপি'র সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজু, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক নুর ইসলাম এবং নূর আলম নূরা, মুকুন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জীবন চৌধুরী শাহিন, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মিঞা শিরন আলম, পৌর যুবদলের আহবায়ক তসলিম উদ্দিন মন্ডল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব পলাশ বিন আশরাফীসহ উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

‎র‌্যালী শেষে সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জীবন চৌধুরী শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মিঞা শিরন আলম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জাকির খন্দকার, পৌর যুবদলের আহবায়ক তসলিম উদ্দিন মন্ডল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব পলাশ বিন আশরাফী প্রমুখ।

‎এ সময় বক্তারা বলেন, "শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল দেশের প্রতিটি সংকটে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে যুবদল অগ্রভাগে লড়াই করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে বাংলাদেশ নতুনভাবে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি দিনাজপুর-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, সমাজকল‍্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন এর নেতৃত্ব বিগত সময়ে উন্নয়ন কর্মকান্ডে পিছিয়ে থাকা দিনাজপুর-৬ আসনের অন্তর্গত বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট এই চারটি উপজেলায় উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজ ও কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে।"

‎

‎

মন্তব্য / প্রেরক

বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত

বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত
ফটো: প্রতিনিধি

বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় হতে র‍্যালি বের হয়ে পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ শেষে পূণরায় দলীয় কার্যালয়ে ফরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা বিএনপি'র সহ-সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলাম বাদশা, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ রশিদ, পৌর বিএনপি'র সহ-সভাপতি আসাদুল হক হিরা, সাধারণ সম্পাদক নুরজামাল হোসেন সোনাহার, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) হাবিবুর রহমান, যুগ্মআহ্বায়ক মামুনুর রশিদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক জাহিদ হাসান বুলেট, রোস্তম আলী, মমিনুর ইসলাম, খায়রুল আলম বাবু, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি/সম্পাদকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কুরবান আলী।


এছাড়াও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুল ইসলাম, কৃষকদলের সভাপতি বেলাল হোসেন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুমন রেজা, সদস্য সচিব রেজাউল ইসলাম রুবেল, পৌরছাত্রদলের আহ্বায়ক মাইদুল ইসলাম, সদস্য সচিব শিহাব ইমতিয়াজ, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদসহ উপজেলা যুবদল ও বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে বৃক্ষরোপণ করা হয়। ০৩ নং ধামইর ইউনিয়ন হতে শতাধিক মোটরসাইকেল বহরসহকারে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রোস্তম আলীর নেতৃত্বে র‍্যালিতে আগত নেতাকর্মীবৃন্দকে স্বাগত জানান উপজেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ। 

মন্তব্য / প্রেরক

দিনাজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নবগঠিত ১০১ সদস্যের কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নবগঠিত ১০১ সদস্যের কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
ফটো: প্রতিনিধি
দিনাজপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম জেলা শাখার নবগঠিত ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎শুক্রবার সন্ধ্যায় দিনাজপুর শহরের স্টেশন রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যালয়ে এ পরিচিতি সভার আয়োজন করে সংগঠনটির দিনাজপুর জেলা শাখা।
 
‎অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। পরে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর নবগঠিত কমিটির সার্বিক বিষয় নিয়ে সূচনা বক্তব্য দেন নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব ইমরুল হাসান রাজিব। তাঁর বক্তব্যের শেষাংশে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে আমন্ত্রিত অতিথিদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার পর দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তম, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে বক্তব্য রাখেন।
 
‎উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক ড. কে আই মন্টি স্বাক্ষরিত অনুমোদনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দিনাজপুর জেলা শাখার ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
এরপর ‎সভায় নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য প্রদান করেন, ককমিটির অন্যতম সদস্য মো. আসলাম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাদিব গোলাম বীন নাছের, কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মঞ্জুর মুর্শেদ সুমন, সদস্য মোঃ নয়ন, সদস্য রাশেদুজ্জামান জামান রাশেদ।
এরপর নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভায় আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর-৩ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও  দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, মুক্তিযোদ্ধা দল দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকশেদ আলী মঙ্গোলিয়া।
 
সভায় নবগঠিত কমিটির সকল যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতি ও সাংগঠনিক অংশগ্রহণ অতিথিদের প্রশংসা অর্জন করে।
‎নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মারুফ নুরুন্নবী চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য / প্রেরক

হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব বহিষ্কার

হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব বহিষ্কার
ফটো: প্রতিনিধি

“নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে দিনাজপুরের হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আলী মর্তূজাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আজ বুধবার ( ৭ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ভূইয়া স্বাক্ষরিত প্যাডে এই আদেশ দেন।

আরও উল্লেখ রয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।

স্বাক্ষরিত পত্রে আরো উল্লেখ আছে, বহিষ্কৃতদের কোন ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নিবে না। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date