দেশের রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে বরারই সোচ্চার থাকেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
এরই অংশ হিসেবে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পতনের পর দেশের রাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যুগান্তরের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কার্যক্রম নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?
প্রশ্নোত্তরে অলি আহমদ বলেন, তারা খুব দীর্ঘ গতিতে চলছে। আরও দ্রুতগতিতে চলা উচিৎ ছিল। তাদের কাছ থেকে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পর্বত সমান। কিন্তু জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা তারা ভঙ্গ করেছে। তাদেরকে আরও সুপরিকল্পিতভাবে; নির্দিষ্টভাবে প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয়ের কী করণীয়-প্রধান উপদেষ্টার উচিত ছিল প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয়ের জন্য একটা রূপরেখা তৈরি করা এবং এই রূপরেখা তৈরি করে প্রত্যেকটা মন্ত্রীকে কাগজটা হাতে ধরিয়ে দেওয়া। তুমি এই লাইনটা ফলো করো; এই লাইনটা ফলো করে তোমার কর্মকাণ্ডগুলো পরিচালনা করো। তাহলে অধিক সফলতা আসত এবং এটা সময়সীমা বেঁধে দেওয়া উচিত ছিল।
তিনি আরও বলেন, একটা পোস্টিং করতেও দুই সপ্তাহ চলে যায়; একটা পোস্টিং ক্যানসেল করতে পাঁচ সপ্তাহ চলে যাচ্ছে-এভাবে তো হয় না। প্রত্যেক মন্ত্রীকে অর্থাৎ যারা উপদেষ্টা হয়েছে তাদেরকে একটা রূপরেখা দেওয়া হওয়া উচিত ছিল-যে তোমাকে এই কাজগুলো এতদিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। যেমন আমি যখন প্রধান উপদেষ্টার কাছে গেলাম উনাকে কতগুলো পরামর্শ দিয়েছিলাম-যে আপনি কমিটিগুলো করেছেন খুবই ভালো করেছেন।
কমিটির কাজ হবে বড় বড় এক্সপার্টদেরকে নিয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো আলোচনা করবে; আলোচনা করে তারা একটা রূপরেখা রেডি করবে। এই রূপরেখা রেডি করে তাদের মেম্বারদের সঙ্গে এগুলো নিয়ে আলোচনা করে একটা চূড়ান্ত রূপ নেবে। চূড়ান্ত রূপ নেওয়ার পরে এটা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সার্কুলেট করা হবে। রাজনৈতিক দলগুলো এই খসরা পেপারের ওপরে তাদের মন্তব্যগুলি দেবে।
কিন্তু ঠিক উলটাটা হয়েছে- এই কমিটিগুলি তার ধারের কাছেও যায় নাই। কমিটিগুলি প্রথম দিন থেকেই রাজনৈতিক দলের মন্তব্য চাচ্ছে। একটা রূপরেখা তৈরি করে রাজনৈতিক দলগুলোকে দিলে তাহলে দেশ উপকৃত হতো এবং তারপরে রাজনৈতিক দলের মতামত পাওয়ার পরে লিখিতভাবে পুরো দেশে একটা কর্মশালা হওয়া উচিত ছিল দুই তিন দিনের জন্য।
বিভিন্ন জেলা থেকে যারা এ বিষয়ে এক্সপার্ট তাদের ডেকে দুইদিন তিনদিন এটার ওপরে ডেলিব্রেশন হবে; তাদের মন্তব্য নেবে- তাহলে কোনো রাজনৈতিক দল আর দ্বিমত পোষণ করার সুযোগ পেত না। সমগ্র জাতিকে এটাতে ইনভল্ভ করা হতো- প্রথমে ইনভল্ভ করলেন আপনি এক্সপার্টদেরকে, তারপরে আপনি ওই কমিটির মেম্বারদেরকে, তারপরে রাজনৈতিক দলকে, তারপরে কর্মশালার মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশের এক্সপার্টদেরকে; তাহলে এখানে রাজনৈতিক দলের আর কোনো বিষয় থাকতো না; কেউ আপত্তি করার মত সুযোগ থাকতো না। কিন্তু এ কাজটা কোন কমিটি করে নাই। তারা নিজের ইচ্ছামত একটা চিঠি ইস্যু করে প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলকে দায়সারা গোছের কাজ করছে। তারা নিজেই কাজ জানে না আমাদের কাছ থেকে কী কাজ নেবে।
আপনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিতে চান কিনা বা এ বিষয়ে আপনি কি বলবেন?
জবাবে অলি আহমদ বলেন, দেশের মঙ্গলের জন্য নিতে পারি। কারণ বাংলাদেশে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা আমি ছাড়া বর্তমানে কারো নাই- আমি এটা গর্ব করে বলব না- শহিদ জিয়ার সঙ্গে আমি পাঁচ বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করেছি একসঙ্গে- তিনবার মন্ত্রী ছিলাম, ছয়বার এমপি ছিলাম- এই অভিজ্ঞতা নিয়ে এর ধারের কাছে বাংলাদেশে কেউ নেই। রাষ্ট্র পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা কারো নাই। হয়তো মন্ত্রী পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা আছে কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা আমি ছাড়া বর্তমানে কারো নেই; সেই দক্ষতাও নেই।
Read_more
- ‘ছদ্মবেশে’ বাজার পরিদর্শনে উপদেষ্টা আসিফ
- ছলচাতুরি নয়, অবিলম্বে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করুন: মির্জা আব্বাস
- ৯ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে
- 'ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের সঙ্গে সব মামলা বাতিল হবে'
- এখন জনগণের প্রত্যাশা ও করণীয়
- আন্তর্জাতিক আদালতে ড. ইউনূসসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
- অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী ভারত
- হাসিনার সরব হওয়াকে যেভাবে দেখছে সরকার, বিএনপি ও জামায়াত
- বাজার সিন্ডিকেটের কব্জায় অন্তর্বর্তী সরকারও?
- ইউক্রেন থেকে দেশে পৌঁছাল ৫২ হাজার টন গম
- অন্তর্বর্তী সরকার উন্নত সুশাসিত দেশ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধান উপদেষ্টা
- নির্বাচনের পর নিজের কাজে ফিরে যাব : প্রধান উপদেষ্টা
- আগে একদল সড়কে দুর্নীতি করত এখন করছে অন্যদল: উপদেষ্টা নাহিদ
- আশ্বস্ত করছি বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দেবে না: প্রধান উপদেষ্টা
- সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি এস আলমের
- রাজনৈতিক দলগুলোর স্বার্থপরতার কারণে দেশ পিছিয়ে আছে: জামায়াত আমির
- হাসিনার দালালরা অপকর্মের ফাইল পুড়িয়ে দিল
- সরবরাহ বাড়াতে আদানির কাছে আরও বিদ্যুৎ চায় সরকার
মন্তব্য / প্রেরক
বিরামপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
-
মোঃ নজরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি, বিরামপুর, দিনাজপুর
দিনাজপুরের বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা ও পৌর যুবদলের যৌথ আয়োজনে বুধবার (২৮ অক্টোবর) এই কর্মসূচি পালিত হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বুধবার বিকেল ৪টায় বিরামপুর শহরের বিএনপি মোড়ে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
র্যালীতে উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মিঞা শফিকুল আলম মামুন, উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল, পৌর বিএনপি'র সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজু, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক নুর ইসলাম এবং নূর আলম নূরা, মুকুন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জীবন চৌধুরী শাহিন, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মিঞা শিরন আলম, পৌর যুবদলের আহবায়ক তসলিম উদ্দিন মন্ডল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব পলাশ বিন আশরাফীসহ উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
র্যালী শেষে সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জীবন চৌধুরী শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মিঞা শিরন আলম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জাকির খন্দকার, পৌর যুবদলের আহবায়ক তসলিম উদ্দিন মন্ডল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব পলাশ বিন আশরাফী প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, "শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল দেশের প্রতিটি সংকটে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে যুবদল অগ্রভাগে লড়াই করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে বাংলাদেশ নতুনভাবে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি দিনাজপুর-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন এর নেতৃত্ব বিগত সময়ে উন্নয়ন কর্মকান্ডে পিছিয়ে থাকা দিনাজপুর-৬ আসনের অন্তর্গত বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট এই চারটি উপজেলায় উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজ ও কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে।"
মন্তব্য / প্রেরক
বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত
-
বেলাল হোসেন, বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।।
বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় হতে র্যালি বের হয়ে পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ শেষে পূণরায় দলীয় কার্যালয়ে ফরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা বিএনপি'র সহ-সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলাম বাদশা, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ রশিদ, পৌর বিএনপি'র সহ-সভাপতি আসাদুল হক হিরা, সাধারণ সম্পাদক নুরজামাল হোসেন সোনাহার, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) হাবিবুর রহমান, যুগ্মআহ্বায়ক মামুনুর রশিদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক জাহিদ হাসান বুলেট, রোস্তম আলী, মমিনুর ইসলাম, খায়রুল আলম বাবু, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি/সম্পাদকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কুরবান আলী।
এছাড়াও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুল ইসলাম, কৃষকদলের সভাপতি বেলাল হোসেন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুমন রেজা, সদস্য সচিব রেজাউল ইসলাম রুবেল, পৌরছাত্রদলের আহ্বায়ক মাইদুল ইসলাম, সদস্য সচিব শিহাব ইমতিয়াজ, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদসহ উপজেলা যুবদল ও বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে বৃক্ষরোপণ করা হয়। ০৩ নং ধামইর ইউনিয়ন হতে শতাধিক মোটরসাইকেল বহরসহকারে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রোস্তম আলীর নেতৃত্বে র্যালিতে আগত নেতাকর্মীবৃন্দকে স্বাগত জানান উপজেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য / প্রেরক
দিনাজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নবগঠিত ১০১ সদস্যের কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
-
বেলাল হোসেন, বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।।
মন্তব্য / প্রেরক
“নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে দিনাজপুরের হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আলী মর্তূজাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আজ বুধবার ( ৭ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ভূইয়া স্বাক্ষরিত প্যাডে এই আদেশ দেন।
আরও উল্লেখ রয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
স্বাক্ষরিত পত্রে আরো উল্লেখ আছে, বহিষ্কৃতদের কোন ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নিবে না। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
মন্তব্য / প্রেরক
সাম্প্রতিক
নিউজলেটার
নিউজলেটার বিবরণ