Image
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিউক্লিয়ার ফিশন শুরু

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিউক্লিয়ার ফিশন শুরু
ফটো: সংগৃহিত

বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে ঐতিহাসিক অগ্রগতি। পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আজ রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে প্রথমবারের মতো নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ নিউক্লিয়ার চেইন রিঅ্যাকশন বা পারমাণবিক শৃঙ্খল বিক্রিয়া প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অর্জিত হলো। তবে এখনই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়নি।

কী ঘটেছে রূপপুরে?

দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর প্রথম ইউনিটে ফিশন বিক্রিয়া শুরু করা হয়। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (BAERA) গত ৮ অক্টোবর ইউনিটটির কমিশনিংয়ের B-2 পর্যায়ে যাওয়ার অনুমোদন দিয়েছিল।

 
এই ধাপকে পারমাণবিক চুল্লির First Criticality বলা হয়। অর্থাৎ, চুল্লির ভেতরে নিয়ন্ত্রিত এমন একটি পারমাণবিক বিক্রিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা নিজে থেকেই ধারাবাহিকভাবে চলতে পারে।

কী ঘটেছে রূপপুরে?

দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর প্রথম ইউনিটে ফিশন বিক্রিয়া শুরু করা হয়। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (BAERA) গত ৮ অক্টোবর ইউনিটটির কমিশনিংয়ের B-2 পর্যায়ে যাওয়ার অনুমোদন দিয়েছিল।

 

এই ধাপকে পারমাণবিক চুল্লির First Criticality বলা হয়। অর্থাৎ, চুল্লির ভেতরে নিয়ন্ত্রিত এমন একটি পারমাণবিক বিক্রিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা নিজে থেকেই ধারাবাহিকভাবে চলতে পারে।

প্রকল্পটির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

প্রথম ইউনিটের পরিকল্পিত উৎপাদনক্ষমতা

১,২০০ মেগাওয়াট

দুই ইউনিটের মোট পরিকল্পিত ক্ষমতা

২,৪০০ মেগাওয়াট

অবস্থান

রূপপুর, ঈশ্বরদী, পাবনা

রিঅ্যাক্টর প্রযুক্তি

রাশিয়ার VVER-1200 প্রেসারাইজড ওয়াটার রিঅ্যাক্টর

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউরেনিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াস বিভাজনের মাধ্যমে তাপ উৎপন্ন হয়। এই প্রক্রিয়াকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলা হয়। রূপপুরের প্রথম ইউনিটে এই তাপ কাজে লাগিয়ে কয়েকটি ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।

  1. পারমাণবিক বিক্রিয়া: ইউরেনিয়াম পরমাণুর নিয়ন্ত্রিত বিভাজনে তাপ উৎপন্ন হবে।

  2. বাষ্প তৈরি: তাপ বিনিময় ব্যবস্থার মাধ্যমে পানি থেকে উচ্চচাপের বাষ্প তৈরি করা হবে।

  3. টারবাইন চালানো: বাষ্পের চাপে টারবাইন ঘুরবে।

  4. বিদ্যুৎ উৎপাদন: টারবাইনের সঙ্গে যুক্ত জেনারেটর বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।

  5. জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ: প্রয়োজনীয় পরীক্ষা, নিরাপত্তা যাচাই ও অনুমোদন শেষে উৎপাদিত বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হবে।

কবে থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যেতে পারে?

১১ অক্টোবর প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে কিছু পার্থক্য রয়েছে। ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে ২০ নভেম্বর থেকে উৎপাদন শুরুর সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ আগামী মাসে শুরু হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

তবে এগুলো সম্ভাব্য সময়সূচি, নিশ্চিত তারিখ নয়। প্রথমে চুল্লির স্থিতিশীলতা যাচাই, বিভিন্ন ক্ষমতায় পরীক্ষা, টারবাইন ও জেনারেটরের কার্যকারিতা পরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রয়োজনীয় অনুমোদন সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলাদেশের কী কী সুবিধা হতে পারে?

  • বিদ্যুৎ উৎপাদনে বৈচিত্র্য: গ্যাস, কয়লা ও তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার বাড়বে।

  • জ্বালানি নিরাপত্তা: কেন্দ্রটি নির্ভরযোগ্যভাবে চালানো গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস বহুমুখী হবে।

  • শিল্প ও অর্থনীতিতে সহায়তা: পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ শিল্পকারখানা, ব্যবসা ও বিনিয়োগে সহায়ক হতে পারে।

  • প্রযুক্তিগত দক্ষতা: পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা ও দক্ষ জনবল গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।

এসব সুবিধা বাস্তবে কতটা পাওয়া যাবে, তা নির্ভর করবে কেন্দ্রটির নিরাপদ পরিচালনা, উৎপাদনক্ষমতার ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের ধারাবাহিকতার ওপর।

নিরাপত্তা কেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন বাড়ানোর প্রতিটি ধাপে চুল্লির তাপমাত্রা, চাপ, নিউট্রন কার্যক্রম, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ও সুরক্ষা সরঞ্জাম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। রূপপুরেও পরবর্তী ধাপগুলোতে এসব পরামিতি এবং নির্ধারিত নিরাপত্তাবিধি মেনে চলতে হবে। প্রথম ফিশন বিক্রিয়া শুরু হওয়া মানেই সব পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়া নয়।

 

নিউক্লিয়ার ফিশন থেকে কীভাবে বিদ্যুৎ তৈরি হবে?  -

 
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিউক্লিয়ার ফিশন শুরু

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরে জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালী, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ ‎

বিরামপুরে জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালী, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ ‎
ফটো: প্রতিনিধি

‎দিনাজপুরের বিরামপুরে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
‎
‎রোববার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে দিবসটি পালিত হয়।
‎
‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ তানজিনা খাতুনের সভাপতিত্বে এবং একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আহসান হায়দার চৌধুরী।
‎
‎সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ হুমায়ুন কবির, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিঞা মোঃ শফিকুল আলম মামুন, পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজুসহ অন্যান্য অতিথিরা।
‎
‎বক্তারা যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়নে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও ঋণসুবিধা কাজে লাগিয়ে বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান।
‎
‎অনুষ্ঠানে যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে এবং জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখতে সহায়তা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস পালিত, উদ্যোক্তাদের ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ

নবাবগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস পালিত, উদ্যোক্তাদের ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ
ফটো: প্রতিনিধি

“দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।


রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মাঠে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হালদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা, উদ্যোক্তাদের ঋণের চেক ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো.সাইফ উদ্দিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.নাজমুল হুদা,
খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোফাখখারুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. মাছুমা খাতুন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো ইকবাল হোসেন ও বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, যুব উন্নয়ন থেকে ঋণ গ্রহণকারী ও প্রশিক্ষণার্থী এবং ইলেকট্রনিকস ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকসহ প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, “যুবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ। প্রশিক্ষণ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগিয়ে যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল হতে হবে। দেশের উন্নয়নে দক্ষ ও উদ্যোমী যুবকদের কাজে লাগাতে হবে। বক্তারা যুবসমাজকে মাদক, বেকারত্ব ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে দক্ষতা অর্জন এবং আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরলে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন

বিরলে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন
ফটো: প্রতিনিধি

বিরলে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে র‍্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ও যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার সকালে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় র‍্যালি শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল ইসলাম।


উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মাহফুজার রহমান চৌধুরী এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাবুল হোসেন, জামায়াতের সেক্রেটারি আজমীর হোসাইন, জাতীয় ছাত্রশক্তি জেলা শাখার সিনিয়র সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন উপজেলা শাখার সভাপতি নাজমুল ইসলাম, ওসি (তদন্ত) আনিছুর রহমান সরকার, প্রাণি সম্পদ অফিসার ডা. মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিরল মহিলা কলেজ এর অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত)  মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। আলোচনা শেষে ১৬ জন প্রশিক্ষিত যুব উদ্যোক্তাকে মোট ১৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার ঋণের চেক বিতরণ করা হয়।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচীর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সরজমিন পরিদর্শন

বিরলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচীর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সরজমিন পরিদর্শন
ফটো: প্রতিনিধি

বিরলের প্রত্যন্ত গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচীর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সরজমিন পরিদর্শন করেছেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শাহ মোহাম্মদ মাহবুব। এসময় তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহকারীগণ আপনাদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। আপনাদের বাড়ীর বাহিরে এসে কোন তথ্য প্রদান করতে হবে না, এমনকি আপনাদের কাউকে কোন টাকা পয়সাও দিতে হবে না। শুধুমাত্র আপনারা সঠিক তথ্য প্রদানের মধ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন।


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) বিকালে বিরল উপজেলার ১২ নং রাজামপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের হাসিলা সন্যাসীপুকুর আদর্শ গ্রামে তথ্য সংগ্রহকালে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক আব্দুল মতিন, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মুনির হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রাজুল ইসলাম, রাজারামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল চন্দ্র রায়, ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মহসিন আলী, বিরল প্রেস ক্লাব সভাপতি আতিউর রহমান, ইউপি সদস্য মিলন চন্দ্র প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date