Image
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

রতনপুরে উন্মুক্ত কয়লাখনি বিরোধী হাটসভা জনসভায় রূপ নিল

রতনপুরে উন্মুক্ত কয়লাখনি বিরোধী হাটসভা জনসভায় রূপ নিল
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার রতনপুর বাজারে উন্মুক্ত কয়লাখনি বিরোধী হাটসভা স্থানীয় মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিতে জনসভায় রূপ নিয়েছে। সভা শেষে বিক্ষোভ মিছিল ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৪টায় তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির উদ্যোগে রতনপুর বাজারে এ হাটসভার আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিন ধরে স্থানীয় পর্যায়ে যোগাযোগের পর সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের উদ্দেশ্যে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল।

সভাকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকেই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি দেখা যায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পুলিশ সদস্যরা কর্মসূচির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং আয়োজকদের বিষয়ে তথ্য নেন। বিষয়টি স্থানীয় মানুষের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করে এবং একপর্যায়ে আরও অনেকে হাটসভায় এসে যোগ দেন।

আয়োজকদের দাবি, শুরুতে আধা ঘণ্টার মধ্যে সভা শেষ করার পরিকল্পনা থাকলেও মানুষের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বাড়তে থাকায় তা প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে। পরে সভা শেষে একটি প্রতিবাদী মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহী স্থানীয়দের অনেকে নিজেদের নাম, মোবাইল নম্বর ও স্বাক্ষর দেন বলে আয়োজকেরা জানান।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, আগামী দিনে রতনপুরসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে উন্মুক্ত কয়লাখনি বিরোধী মতবিনিময় ও প্রতিরোধ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বক্তব্যে কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষার দাবি

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিরামপুর ও আশপাশের এলাকায় কয়লা উত্তোলনের কোনো প্রকল্প নেওয়া হলে কৃষিজমি, বসতভিটা, পানি, পরিবেশ ও স্থানীয় জনজীবনের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করতে হবে। তাদের দাবি, স্থানীয় জনগণের মতামত ও সম্মতি ছাড়া উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত নয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির বিরামপুর উপজেলা আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট শাহ নেওয়াজ শুভ, রতনপুর অঞ্চলের উন্মুক্ত খনি বিরোধী নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম, আদিবাসী নেতা রামাই সরেন, ছাত্রনেতা নাসিম এবং ফুলবাড়ী শাখার নেতৃবৃন্দ আব্দুল মজিদ চৌধুরী, এসএম নুরুজ্জামান জামান, সঞ্জিত প্রসাদ জিতু, একরামুল হক, হিমেল মণ্ডল, কমল চক্রবর্তী ও শাহরিয়ার সানিসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা ২০০৬ সালের ফুলবাড়ী আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, ওই সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারের যে ছয় দফা সমঝোতা হয়েছিল, সেটির বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে আন্দোলনকারীরা। বিভিন্ন সংবাদসূত্রেও ২০০৬ সালের ওই সমঝোতায় দেশের কোথাও উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন না করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

তারা বলেন, বর্তমান সময়ে কয়লা উত্তোলন নিয়ে নতুন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে আলোচনা ও পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নের ভিত্তিতে হতে হবে। একই সঙ্গে তারা ফুলবাড়ী চুক্তির দাবিগুলো পুনরায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

পুলিশ সম্পর্কে আয়োজকদের বক্তব্য

সভা চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা হয়। আয়োজকদের অভিযোগ, কর্মসূচির বিষয়ে পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। তবে তাদের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যরা কর্মসূচির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরে এলাকা ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যদেরও দূর থেকে কর্মসূচির ছবি তুলতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আন্দোলন আরও বিস্তৃত করার ঘোষণা

সমাবেশ শেষে আয়োজকেরা জানান, রতনপুর ও আশপাশের এলাকায় গ্রামভিত্তিক মতবিনিময় এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিটি গঠনের কার্যক্রম চালানো হবে। একই সঙ্গে কৃষিজমি, পানি, বসতভিটা ও পরিবেশ রক্ষায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ফুলবাড়ী কয়লাখনি বিরোধী আন্দোলনের প্রভাব বিরামপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়েছিল। সাম্প্রতিক সময়েও দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা ও এর বিরোধিতায় নতুন কর্মসূচির খবর প্রকাশিত হয়েছে।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান
ফটোঃ প্রতিনিধি

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌর নাগরিকদের দূর্ভোগ নিরসন ও শহরের শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবিতে সোমবার ২ নভেম্বর দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সরকার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুনের নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন, বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের সদস্য সচিব ও বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, সাবেক ভিপি গোলাম মোর্শেদ সৈকত, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, হাফিজ উদ্দিন সরকার, মোবারক আলী, ফরিদ হোসেন, মানিক চৌধুরী, মাজহারুল ইসলাম তানিম।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, বিরামপুর শহরের উভয় পাশে এবং ঢাকামোড়ে অটোরিক্সা, মিশুক, টেম্পু, ভ্যান ও বাসের অবৈধ স্ট্যান্ড অপসারণ, যানজট নিরসন, অটোরিক্সার ভাড়া নির্ধারণ, শব্দ দুষন নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করণ, ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, এবং সপ্তাহে দু’দিন পৌর কার্যালয়ে প্রশাসকের কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানানো হয়।
দাবির প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুন বলেন, অচিরেই ঢাকামোড় ও হাসপাতাল মোড় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত
নীলফামারীর দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে জেলা ইজতেমায় জুমার নামাজে অংশ নিয়েছেন বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। ছবি: সংগৃহীত।

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে চলছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে সমবেত হন লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।

জেলার সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়কসংলগ্ন দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে আয়োজিত এ ইজতেমায় নীলফামারী ছাড়াও ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নেন। জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি মূল মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

 

আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ

এবারের ইজতেমায় বিদেশি মুসল্লিদেরও অংশগ্রহণ রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সুদান ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এতে অংশ নিয়েছেন।

ইজতেমায় দ্বীনের দাওয়াত, মানবকল্যাণ, ধর্মীয় জীবনযাপন এবং আখিরাতের প্রস্তুতি বিষয়ে বয়ান পেশ করা হচ্ছে।

নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও সাদাপোশাকের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মুসল্লিদের সার্বিক সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

শনিবার আখেরি মোনাজাত

আয়োজকদের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ জেলা ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি এবং মানবকল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
ফটোঃ প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিধান কান্তি হালদার।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

এ মাসিক সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফ উদ্দিন, নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শুভ্রত্ব কুমার চক্রবর্তী, উপজেলা প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দীপক কুমার বণিক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন জুয়া,
মাদক, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ নানা সামাজিক সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় হয়। মাসিক সভায় বক্তারা উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

মন্তব্য / প্রেরক

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ
ফটো: প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা নিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা যুবদল। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে উপজেলার ২ নম্বর পালশা ইউনিয়নের পশ্চিম পালশা সড়কের পাশে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণ করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং প্রকৃতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব এমন উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

তালগাছ প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় তালগাছের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও জনসচেতনতা রয়েছে। সড়কের পাশে রোপণ করা এসব তালবীজ যথাযথ পরিচর্যায় বেড়ে উঠলে ভবিষ্যতে এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের।

ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মোফাজ্জল হোসেন প্রধান বলেন, ‘যুবসমাজ দেশের শক্তি। দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই যুবদলের অন্যতম অঙ্গীকার। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পশ্চিম পালশা সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা চাই, এ উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম পরিবেশ রক্ষায় আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ হোক।’

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহরুল ইসলাম শান্ত বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাইনি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, গাছ লাগানো শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা বাবলু মিয়া, মাসুদুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন প্রধান, ২নং পালশা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি
জোবায়ের হোসেন এবং স্বেচ্ছাসেবক নেতা সাইদুল এরশাদসহ যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date