বিরলে বিজিবি'র অভিযানে ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৮ জুন ২০২৬, রাত ০৪.১০ টায় দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধীনস্থ এনায়েতপুর বিওপি’র একটি টহল দল চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিরলের সীমান্ত পিলার ৩২৩/১-এস হতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দ্বীপনগর এলাকা হতে মালিকবিহীন অবস্থায় ৩৭ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মাদকের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া সংশ্লিষ্ট মাদক ব্যবসায়ীদের শনাক্তকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি ভবিষ্যতেও কঠোর ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের জানমাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বদা সচেষ্ট। চোরাচালান, মাদক, মানব ও অস্ত্র পাচারসহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বাহিনীটি বরাবরই প্রশংসনীয় সাফল্য প্রদর্শন করে আসছে।
মন্তব্য / প্রেরক
দিনাজপুরের বিরামপুর থানা পুলিশ এক নারীসহ তিন মাদকসেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে দিলে আদালত তিনজনকে তিন মাস করে কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) পুলিশ তাদের দিনাজপুর কারাগারে পাঠিয়েছে।
জানা গেছে, থানা পুলিশ মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর এলাকার গড়েরপাড়ের দুই যুবক ও শিমুলতলী গ্রামের এক নারীকে মাদক সেবন অবস্থায় আটক করে। পরে তাদের বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোছাঃ তানজিনা খাতুনের ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদেরকে তিন মাস করে কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন।
বিরামপুর থানার ওসি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দন্ডপ্রাপ্ত তিন মাদকসেবীকে শুক্রবার দিনাজপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য / প্রেরক
পাঁচবিবিতে ৮৯ কেজি কষ্টিপাথরের প্রত্ননিদর্শন উদ্ধার, আটক ২
-
পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বিজিবি, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ৮৯ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের কষ্টিপাথরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ভারতে পাচারের চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। উদ্ধার করা নিদর্শনগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৯ লাখ ১০ হাজার টাকা।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের ধুরইল এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের ধুরইল গ্রামের মৃত জগা মাহাতোর ছেলে সন্তোষ মাহাতো (৩৫) এবং পূর্ব বালিঘাটা গ্রামের মৃত ধীরেন রায়ের ছেলে সুজন রায় (৩৪)।
জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের প্রেস ব্রিফিং সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহল দল পাঁচবিবি থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিনের উপস্থিতিতে ধুরইল এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় কষ্টিপাথরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, উদ্ধার করা কষ্টিপাথরের একটি খণ্ডের ওজন ৪২ দশমিক ৭ কেজি এবং অপরটির ওজন ৩৭ দশমিক ৬ কেজি। সব মিলিয়ে তিনটি খণ্ডের মোট ওজন ৮৯ কেজি ১০০ গ্রাম। এসব নিদর্শনের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৯ লাখ ১০ হাজার টাকা।
জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল লতিফুল বারী জানান, উদ্ধার করা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসম্বলিত তিনটি কষ্টিপাথরের মূর্তি নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচবিবি থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য / প্রেরক
নবাবগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় ৮ ডাকাত সদস্য গ্রেপ্তার, মালামাল জব্দ
-
মেহেদী হাসান, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের দাউদপুর টু ভাদুরিয়া সড়কের জামালপুর নামক স্থানে ডাকাতির ঘটনায় আট ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
এ সময় ডাকাতদের কাছ থেকে দুটি ল্যাবটপ, ছয়টি মোবাইলসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রসহ লুন্ঠনের মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিনাজপুর জেলা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাজাকালাই এলাকার ফুল মিয়া সরকারের ছেলে মো.শাকিল সরকার (২৬) ও মৃত চান মিয়ার ছেলে মো. রুহুল আমিন (৩৫), গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাসিরাবাদ এলাকার মো. সানোয়ার শেখ খোকার ছেলে মো. শাহিন মিয়া (৩০), রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার হাসানপুর এলাকার মো. অঞ্জু মিয়ার ছেলে মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (৩০), মৃত মোখলেস প্রধানের ছেলে মো. রবিউল প্রধান রুবেল (৩৫), মো. সুলতান মিয়ার ছেলে মো. সাজু মিয়া (৫৩), মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম চেয়ারম্যান (৪২) এবং পীরগঞ্জ উপজেলার হলদিবাড়ি এলাকার আঃ জলিল প্রধানের ছেলে মো. মিরাজ মিয়া (২৬)। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানোনা হয়, গত ১২ অক্টোবর উপজেলার ভাদুরিয়া সড়কে মধ্যরাতে গাছের ডাল ফেলে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। এ সময় গাড়িতে থাকা প্রায় বার লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন মালামাল লুন্ঠন করে নিয়ে যায় ডাকাতদল। পরবর্তীতে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানচালক মোঃ আরাফাত প্রামাণিক নবাবগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা ১২/১৩ জন ডাকাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর দিনাজপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে আটজন সক্রিয় ডাকাত সদস্যকে আটক করে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লুন্ঠনকৃত মালামালসহ, করাত, কুড়াল, কাস্তে ও দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে।
আটককৃত ডাকাত সদস্যদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার পরবর্তী কার্যক্রম তদন্তাধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য / প্রেরক
জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) ও ২৯ ব্যাটালিয়ন ফুলবাড়ীর বিজিবি পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ১ লক্ষ ১৪ হাজার টাকার
অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ এবং চোরাই পথে আনা কম্বল জব্দ করেছেন।
গতকাল সোমবার রাত ও আজ মঙ্গলবার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর অধীনস্থ ভাইগড় বিওপির বিওপি কমান্ডারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে ‘গুচ্ছগ্রাম’ নামক স্থানে পাকা রাস্তার পাশে পরিত্যাক্ত অবস্থায় একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ব্যাগটি তল্লাশি করে ১৪৪ পিস বাংলাদেশী যৌন উত্তেজক 'নিশি' (১০০ এমএল) সিরাপ আটক করতে সক্ষম হয় বিজিবি। যার আনুমানিক মুল্য ৩৬ হাজার টাকা ও বিওপির একটি দল হিলি আইসিপি (ICP) গেইটে চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ভারত থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে আনা ৩টি মূল্যবান কম্বল জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক সিজার মুল্য ২১ হাজার টাকা। অন্যদিকে ফুলবাড়ি ব্যাটালিয়ন ২৯ বিজিবির অধিনস্ত রসুলপুর বিওপি কতৃক মাদক ও চোরা চালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে ৩৮২ বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক করেন। যার আনুমানিক সিজার মুল্য ৫৭ হাজার ৩০০ টাকা।
বিজিবির দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সীমান্তে সব ধরনের মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির এমন কঠোর নজরদারি ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য / প্রেরক
সাম্প্রতিক
নিউজলেটার
নিউজলেটার বিবরণ