Image
  • বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

বিদ্যুৎ সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন জ্বালানি ঘাটতি ও উৎপাদন ব্যাহত, বাড়ছে লোডশেডিং—চাপে শিল্প ও কৃষি

বিদ্যুৎ সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন জ্বালানি ঘাটতি ও উৎপাদন ব্যাহত, বাড়ছে লোডশেডিং—চাপে শিল্প ও কৃষি
ফটো : প্রতিকি

দেশে আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে বিদ্যুৎ সংকট। গরমের মধ্যে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লেও জ্বালানি সংকট ও কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এতে রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম—বিভিন্ন এলাকায় বাড়ছে লোডশেডিং। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস সংকটের পাশাপাশি কয়লা ও তরল জ্বালানির ঘাটতিও বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব ফেলছে। এর সঙ্গে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটি যুক্ত হওয়ায় সামগ্রিক উৎপাদন আরও কমেছে।

চাহিদা বাড়লেও কমছে উৎপাদন

বিদ্যুতের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে বিকেল ও সন্ধ্যার সময়ে। এ সময় একসঙ্গে বাসাবাড়ি, দোকানপাট, অফিস-আদালত ও শিল্পকারখানায় বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়ে যায়। কিন্তু পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় অনেক কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না।

২৯ আগস্টের হিসাবে, কোনো কোনো সময়ে জাতীয় পর্যায়ে চাহিদা ও সম্ভাব্য উৎপাদনের মধ্যে বড় ব্যবধান দেখা গেছে। ফলে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

এর আগে ১০ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছিল ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট। আগস্টের মাঝামাঝি এক সপ্তাহেও গড়ে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।

গ্রামাঞ্চলে বেশি ভোগান্তি

শহরের তুলনায় গ্রাম ও মফস্বল এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ বেশি পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও কোথাও দিনের একাধিক সময়ে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এতে পানির পাম্প, সেচব্যবস্থা, ছোট ব্যবসা ও ক্ষুদ্র শিল্প কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

নওগাঁয় বিদ্যুৎ সংকটের কারণে শিল্পকারখানার উৎপাদন কমার পাশাপাশি আমন ধানের জমিতে সেচ কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জেলার শহরের বাইরের কিছু এলাকায় দিনে সাত থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তথ্যও এসেছে।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও প্রভাব

দীর্ঘ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাও ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনা চালিয়ে নিতে সমস্যায় পড়ছে শিক্ষার্থীরা। গরমের মধ্যে আলো ও বৈদ্যুতিক পাখা বন্ধ থাকায় পড়াশোনার পরিবেশ আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

শিল্পকারখানায় বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়

বিদ্যুৎ সংকটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে। উৎপাদন সচল রাখতে অনেক প্রতিষ্ঠান বিকল্প হিসেবে ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নির্দিষ্ট সময়সূচি ছাড়া বারবার বিদ্যুৎ চলে গেলে উৎপাদন পরিকল্পনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে তারা আগাম ও নির্ভরযোগ্য লোডশেডিং সূচি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।

সংকটের মূল কারণ কী?

বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি। বিশেষ করে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে কয়লা ও তরল জ্বালানির সংকটও পরিস্থিতিকে জটিল করেছে।

এ ছাড়া কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রে কারিগরি সমস্যার কারণে উৎপাদন কমেছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি ও কেন্দ্রের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে না পারায় বাস্তবে সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপ

বিদ্যুৎ সংকট শুধু জনভোগান্তিই বাড়াচ্ছে না, এর প্রভাব পড়ছে সামগ্রিক অর্থনীতিতেও। একটি সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি ব্যয় ১০ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১০৭ শতাংশ বেশি। একই গবেষণায় গ্যাস-সংযোগের অপেক্ষায় থাকা শিল্প বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সামনে কী?

বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, অচল ও কারিগরি ত্রুটিযুক্ত কেন্দ্রগুলো দ্রুত সচল করা এবং বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে আমদানি-নির্ভরতার ঝুঁকি কমিয়ে দেশীয় গ্যাস, কয়লা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়েও কার্যকর পরিকল্পনা প্রয়োজন।

বিদ্যুৎ সংকটের তাৎক্ষণিক সমাধান না হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির পাশাপাশি কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়তে পারে। তাই সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থার সমন্বিত উন্নয়ন এখন সবচেয়ে জরুরি।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরে জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালী, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ ‎

বিরামপুরে জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালী, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ ‎
ফটো: প্রতিনিধি

‎দিনাজপুরের বিরামপুরে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
‎
‎রোববার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে দিবসটি পালিত হয়।
‎
‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ তানজিনা খাতুনের সভাপতিত্বে এবং একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আহসান হায়দার চৌধুরী।
‎
‎সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ হুমায়ুন কবির, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিঞা মোঃ শফিকুল আলম মামুন, পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজুসহ অন্যান্য অতিথিরা।
‎
‎বক্তারা যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়নে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও ঋণসুবিধা কাজে লাগিয়ে বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান।
‎
‎অনুষ্ঠানে যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে এবং জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখতে সহায়তা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস পালিত, উদ্যোক্তাদের ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ

নবাবগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস পালিত, উদ্যোক্তাদের ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ
ফটো: প্রতিনিধি

“দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।


রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মাঠে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হালদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা, উদ্যোক্তাদের ঋণের চেক ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো.সাইফ উদ্দিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.নাজমুল হুদা,
খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোফাখখারুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. মাছুমা খাতুন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো ইকবাল হোসেন ও বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, যুব উন্নয়ন থেকে ঋণ গ্রহণকারী ও প্রশিক্ষণার্থী এবং ইলেকট্রনিকস ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকসহ প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, “যুবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ। প্রশিক্ষণ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগিয়ে যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল হতে হবে। দেশের উন্নয়নে দক্ষ ও উদ্যোমী যুবকদের কাজে লাগাতে হবে। বক্তারা যুবসমাজকে মাদক, বেকারত্ব ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে দক্ষতা অর্জন এবং আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরলে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন

বিরলে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন
ফটো: প্রতিনিধি

বিরলে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে র‍্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ও যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার সকালে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় র‍্যালি শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল ইসলাম।


উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মাহফুজার রহমান চৌধুরী এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাবুল হোসেন, জামায়াতের সেক্রেটারি আজমীর হোসাইন, জাতীয় ছাত্রশক্তি জেলা শাখার সিনিয়র সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন উপজেলা শাখার সভাপতি নাজমুল ইসলাম, ওসি (তদন্ত) আনিছুর রহমান সরকার, প্রাণি সম্পদ অফিসার ডা. মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিরল মহিলা কলেজ এর অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত)  মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। আলোচনা শেষে ১৬ জন প্রশিক্ষিত যুব উদ্যোক্তাকে মোট ১৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার ঋণের চেক বিতরণ করা হয়।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচীর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সরজমিন পরিদর্শন

বিরলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচীর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সরজমিন পরিদর্শন
ফটো: প্রতিনিধি

বিরলের প্রত্যন্ত গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচীর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সরজমিন পরিদর্শন করেছেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শাহ মোহাম্মদ মাহবুব। এসময় তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহকারীগণ আপনাদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। আপনাদের বাড়ীর বাহিরে এসে কোন তথ্য প্রদান করতে হবে না, এমনকি আপনাদের কাউকে কোন টাকা পয়সাও দিতে হবে না। শুধুমাত্র আপনারা সঠিক তথ্য প্রদানের মধ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন।


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) বিকালে বিরল উপজেলার ১২ নং রাজামপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের হাসিলা সন্যাসীপুকুর আদর্শ গ্রামে তথ্য সংগ্রহকালে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক আব্দুল মতিন, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মুনির হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রাজুল ইসলাম, রাজারামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল চন্দ্র রায়, ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মহসিন আলী, বিরল প্রেস ক্লাব সভাপতি আতিউর রহমান, ইউপি সদস্য মিলন চন্দ্র প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date