Image
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

বিডিআর হত্যা মামলায় পুনঃতদন্ত কমিশন কেন হবে না: হাইকোর্টের রুল

বিডিআর হত্যা মামলায় পুনঃতদন্ত কমিশন কেন হবে না: হাইকোর্টের রুল

ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের সময় ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের মামলায় পুনঃতদন্ত কেন হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে পিলখানা হত্যা মামলার পুনঃতদন্তের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে করা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

এর আগে, ৪ নভেম্বর (সোমবার), স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছিলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত শিগগিরই শুরু হবে। তিনি বলেন, "বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত হবে এবং অবশ্যই হবে। দ্রুত তদন্ত টিম গঠন করা হবে।"

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। এই ঘটনাটি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

এ ঘটনার পর, সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর নাম পরিবর্তন করা হয় এবং এখন এটি "বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ" (বিজিবি) নামে পরিচিত। বিদ্রোহের বিচার বিজিবির আদালতে হলেও হত্যাকাণ্ডের মামলাটি সাধারণ আদালতে বিচার হয়। এ ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছিল—একটি হত্যা এবং একটি বিস্ফোরক আইনে। হত্যাকাণ্ডের মামলায় ৮৫০ জন আসামির বিচার সম্পন্ন হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর, যেখানে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২৭৮ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স এবং আপিলের রায় ঘোষিত হয়, যাতে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। এছাড়া ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়, ২৮৩ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

এছাড়া, ২০১০ সালে বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচার কাজ শুরু হয়েছিল, কিন্তু এটি মাঝপথে স্থগিত হয়ে শুধু হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়, যার কারণে বিস্ফোরক আইনের মামলাটি এখনো ঝুলে রয়েছে।

ক্ষমতার পালাবদলের পর, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় পুনরায় তদন্ত শুরুর দাবি উঠেছে।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরে নারীসহ তিন মাকদসেবীর কারাদন্ড

বিরামপুরে নারীসহ তিন মাকদসেবীর কারাদন্ড
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুর থানা পুলিশ এক নারীসহ তিন মাদকসেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে দিলে আদালত তিনজনকে তিন মাস করে কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) পুলিশ তাদের দিনাজপুর কারাগারে পাঠিয়েছে।


জানা গেছে, থানা পুলিশ মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর এলাকার গড়েরপাড়ের দুই যুবক ও শিমুলতলী গ্রামের এক নারীকে মাদক সেবন অবস্থায় আটক করে। পরে তাদের বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোছাঃ তানজিনা খাতুনের ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদেরকে তিন মাস করে কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন।


বিরামপুর থানার ওসি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দন্ডপ্রাপ্ত তিন মাদকসেবীকে শুক্রবার দিনাজপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য / প্রেরক

পাঁচবিবিতে ৮৯ কেজি কষ্টিপাথরের প্রত্ননিদর্শন উদ্ধার, আটক ২

পাঁচবিবিতে ৮৯ কেজি কষ্টিপাথরের প্রত্ননিদর্শন উদ্ধার, আটক ২
ফটো: প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বিজিবি, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ৮৯ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের কষ্টিপাথরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ভারতে পাচারের চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। উদ্ধার করা নিদর্শনগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৯ লাখ ১০ হাজার টাকা।


রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের ধুরইল এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের ধুরইল গ্রামের মৃত জগা মাহাতোর ছেলে সন্তোষ মাহাতো (৩৫) এবং পূর্ব বালিঘাটা গ্রামের মৃত ধীরেন রায়ের ছেলে সুজন রায় (৩৪)।
জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের প্রেস ব্রিফিং সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহল দল পাঁচবিবি থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিনের উপস্থিতিতে ধুরইল এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় কষ্টিপাথরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।


বিজিবি সূত্র জানায়, উদ্ধার করা কষ্টিপাথরের একটি খণ্ডের ওজন ৪২ দশমিক ৭ কেজি এবং অপরটির ওজন ৩৭ দশমিক ৬ কেজি। সব মিলিয়ে তিনটি খণ্ডের মোট ওজন ৮৯ কেজি ১০০ গ্রাম। এসব নিদর্শনের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৯ লাখ ১০ হাজার টাকা।


জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল লতিফুল বারী জানান, উদ্ধার করা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসম্বলিত তিনটি কষ্টিপাথরের মূর্তি নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে হস্তান্তর করা হয়েছে।  এ ঘটনায় পাঁচবিবি থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় ৮ ডাকাত সদস্য গ্রেপ্তার, মালামাল জব্দ

নবাবগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় ৮ ডাকাত সদস্য গ্রেপ্তার, মালামাল জব্দ
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের দাউদপুর টু ভাদুরিয়া সড়কের জামালপুর নামক স্থানে ডাকাতির ঘটনায় আট ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

এ সময় ডাকাতদের কাছ থেকে দুটি ল্যাবটপ, ছয়টি মোবাইলসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রসহ লুন্ঠনের মালামাল জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিনাজপুর জেলা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাজাকালাই এলাকার ফুল মিয়া সরকারের ছেলে মো.শাকিল সরকার (২৬) ও মৃত চান মিয়ার ছেলে মো. রুহুল আমিন (৩৫), গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাসিরাবাদ এলাকার মো. সানোয়ার শেখ খোকার ছেলে মো. শাহিন মিয়া (৩০), রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার হাসানপুর এলাকার মো. অঞ্জু মিয়ার ছেলে মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (৩০), মৃত মোখলেস প্রধানের ছেলে মো. রবিউল প্রধান রুবেল (৩৫), মো. সুলতান মিয়ার ছেলে মো. সাজু মিয়া (৫৩), মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম চেয়ারম্যান (৪২) এবং পীরগঞ্জ উপজেলার হলদিবাড়ি এলাকার আঃ জলিল প্রধানের ছেলে মো. মিরাজ মিয়া (২৬)। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানোনা হয়, গত ১২ অক্টোবর উপজেলার ভাদুরিয়া সড়কে মধ্যরাতে গাছের ডাল ফেলে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। এ সময় গাড়িতে থাকা প্রায় বার লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন মালামাল লুন্ঠন করে নিয়ে যায় ডাকাতদল। পরবর্তীতে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানচালক মোঃ আরাফাত প্রামাণিক নবাবগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা ১২/১৩ জন ডাকাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর দিনাজপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে আটজন সক্রিয় ডাকাত সদস্যকে আটক করে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লুন্ঠনকৃত মালামালসহ, করাত, কুড়াল, কাস্তে ও দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে।

আটককৃত ডাকাত সদস্যদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার পরবর্তী কার্যক্রম তদন্তাধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

মন্তব্য / প্রেরক

বিপুল পরিমান টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ও অবৈধ কম্বল জব্দ করেছে বিজিবি

বিপুল পরিমান টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ও অবৈধ কম্বল জব্দ করেছে বিজিবি
ফটো: প্রতিনিধি

জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) ও ২৯ ব্যাটালিয়ন ফুলবাড়ীর বিজিবি পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ১ লক্ষ ১৪ হাজার টাকার
অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ এবং চোরাই পথে আনা কম্বল জব্দ করেছেন।

গতকাল সোমবার রাত ও আজ মঙ্গলবার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর অধীনস্থ ভাইগড় বিওপির বিওপি কমান্ডারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে ‘গুচ্ছগ্রাম’ নামক স্থানে পাকা রাস্তার পাশে পরিত্যাক্ত অবস্থায় একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ব্যাগটি তল্লাশি করে ১৪৪ পিস বাংলাদেশী যৌন উত্তেজক 'নিশি' (১০০ এমএল) সিরাপ আটক করতে সক্ষম হয় বিজিবি। যার আনুমানিক মুল্য ৩৬ হাজার টাকা ও বিওপির একটি দল হিলি আইসিপি (ICP) গেইটে চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ভারত থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে আনা ৩টি মূল্যবান কম্বল জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক সিজার মুল্য ২১ হাজার টাকা। অন্যদিকে ফুলবাড়ি ব্যাটালিয়ন ২৯ বিজিবির অধিনস্ত রসুলপুর বিওপি কতৃক মাদক ও চোরা চালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে ৩৮২ বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক করেন। যার আনুমানিক সিজার মুল্য ৫৭ হাজার ৩০০ টাকা।

বিজিবির দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সীমান্তে সব ধরনের মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির এমন কঠোর নজরদারি ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date