Image
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

বিচারক নেই ১০ মাস, সাদুল্লাপুরে ঝুলে আছে ৪ হাজার মামলা বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের ভোগান্তি বাড়ছে, দ্রুত স্থায়ী বিচারক নিয়োগের দাবি

বিচারক নেই ১০ মাস, সাদুল্লাপুরে ঝুলে আছে ৪ হাজার মামলা বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের ভোগান্তি বাড়ছে, দ্রুত স্থায়ী বিচারক নিয়োগের দাবি
ফটো: সংগৃহিত

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে প্রায় ১০ মাস ধরে স্থায়ী বিচারক না থাকায় প্রায় ৪ হাজার মামলা ঝুলে রয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং মামলা নিষ্পত্তির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই আদালতে দেওয়ানি ও অন্যান্য বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনায় দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হওয়ায় ভুক্তভোগী পক্ষগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। মামলা নিয়ে আদালতে হাজির হলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় অনেককে বারবার সময় ও অর্থ ব্যয় করে আদালতে আসতে হচ্ছে।

১০ মাস ধরে নেই স্থায়ী বিচারক

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদুল্লাপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে প্রায় ১০ মাস ধরে কোনো স্থায়ী বিচারক নেই। এ সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার সংখ্যা জমতে জমতে প্রায় ৪ হাজারে পৌঁছেছে।

আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের মতে, দীর্ঘদিন বিচারক না থাকলে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তির স্বাভাবিক গতি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে পুরোনো মামলার সঙ্গে নতুন মামলাও যুক্ত হতে থাকে।

বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি

মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে আদালতে আসেন। নির্ধারিত সময়ে মামলার কার্যক্রম এগোতে না পারলে তাদের যাতায়াত, সময় ও অর্থ—সবকিছুর ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

বিশেষ করে জমি, সম্পত্তি ও পারিবারিক বিরোধসংক্রান্ত মামলায় দ্রুত বিচার না হলে বিরোধ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

দ্রুত বিচারক নিয়োগের দাবি

স্থানীয় আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা সাদুল্লাপুর আদালতে দ্রুত একজন স্থায়ী বিচারক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠেছে।

গাইবান্ধায় আরও জনস্বার্থের বিষয়

এদিকে আজ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে গত কয়েক দিনে ৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং চারজন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অন্যদিকে পলাশবাড়ী পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে অবৈধভাবে বসানো দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না সরালে উচ্ছেদের কথাও জানানো হয়েছে।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরে নারীসহ তিন মাকদসেবীর কারাদন্ড

বিরামপুরে নারীসহ তিন মাকদসেবীর কারাদন্ড
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুর থানা পুলিশ এক নারীসহ তিন মাদকসেবীকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে দিলে আদালত তিনজনকে তিন মাস করে কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) পুলিশ তাদের দিনাজপুর কারাগারে পাঠিয়েছে।


জানা গেছে, থানা পুলিশ মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর এলাকার গড়েরপাড়ের দুই যুবক ও শিমুলতলী গ্রামের এক নারীকে মাদক সেবন অবস্থায় আটক করে। পরে তাদের বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোছাঃ তানজিনা খাতুনের ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদেরকে তিন মাস করে কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন।


বিরামপুর থানার ওসি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দন্ডপ্রাপ্ত তিন মাদকসেবীকে শুক্রবার দিনাজপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য / প্রেরক

পাঁচবিবিতে ৮৯ কেজি কষ্টিপাথরের প্রত্ননিদর্শন উদ্ধার, আটক ২

পাঁচবিবিতে ৮৯ কেজি কষ্টিপাথরের প্রত্ননিদর্শন উদ্ধার, আটক ২
ফটো: প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বিজিবি, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ৮৯ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের কষ্টিপাথরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ভারতে পাচারের চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। উদ্ধার করা নিদর্শনগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৯ লাখ ১০ হাজার টাকা।


রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের ধুরইল এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের ধুরইল গ্রামের মৃত জগা মাহাতোর ছেলে সন্তোষ মাহাতো (৩৫) এবং পূর্ব বালিঘাটা গ্রামের মৃত ধীরেন রায়ের ছেলে সুজন রায় (৩৪)।
জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের প্রেস ব্রিফিং সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহল দল পাঁচবিবি থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিনের উপস্থিতিতে ধুরইল এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় কষ্টিপাথরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।


বিজিবি সূত্র জানায়, উদ্ধার করা কষ্টিপাথরের একটি খণ্ডের ওজন ৪২ দশমিক ৭ কেজি এবং অপরটির ওজন ৩৭ দশমিক ৬ কেজি। সব মিলিয়ে তিনটি খণ্ডের মোট ওজন ৮৯ কেজি ১০০ গ্রাম। এসব নিদর্শনের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৯ লাখ ১০ হাজার টাকা।


জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল লতিফুল বারী জানান, উদ্ধার করা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসম্বলিত তিনটি কষ্টিপাথরের মূর্তি নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে হস্তান্তর করা হয়েছে।  এ ঘটনায় পাঁচবিবি থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় ৮ ডাকাত সদস্য গ্রেপ্তার, মালামাল জব্দ

নবাবগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় ৮ ডাকাত সদস্য গ্রেপ্তার, মালামাল জব্দ
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের দাউদপুর টু ভাদুরিয়া সড়কের জামালপুর নামক স্থানে ডাকাতির ঘটনায় আট ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

এ সময় ডাকাতদের কাছ থেকে দুটি ল্যাবটপ, ছয়টি মোবাইলসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রসহ লুন্ঠনের মালামাল জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিনাজপুর জেলা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাজাকালাই এলাকার ফুল মিয়া সরকারের ছেলে মো.শাকিল সরকার (২৬) ও মৃত চান মিয়ার ছেলে মো. রুহুল আমিন (৩৫), গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাসিরাবাদ এলাকার মো. সানোয়ার শেখ খোকার ছেলে মো. শাহিন মিয়া (৩০), রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার হাসানপুর এলাকার মো. অঞ্জু মিয়ার ছেলে মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (৩০), মৃত মোখলেস প্রধানের ছেলে মো. রবিউল প্রধান রুবেল (৩৫), মো. সুলতান মিয়ার ছেলে মো. সাজু মিয়া (৫৩), মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম চেয়ারম্যান (৪২) এবং পীরগঞ্জ উপজেলার হলদিবাড়ি এলাকার আঃ জলিল প্রধানের ছেলে মো. মিরাজ মিয়া (২৬)। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানোনা হয়, গত ১২ অক্টোবর উপজেলার ভাদুরিয়া সড়কে মধ্যরাতে গাছের ডাল ফেলে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। এ সময় গাড়িতে থাকা প্রায় বার লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন মালামাল লুন্ঠন করে নিয়ে যায় ডাকাতদল। পরবর্তীতে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানচালক মোঃ আরাফাত প্রামাণিক নবাবগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা ১২/১৩ জন ডাকাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর দিনাজপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে আটজন সক্রিয় ডাকাত সদস্যকে আটক করে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লুন্ঠনকৃত মালামালসহ, করাত, কুড়াল, কাস্তে ও দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে।

আটককৃত ডাকাত সদস্যদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার পরবর্তী কার্যক্রম তদন্তাধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

মন্তব্য / প্রেরক

বিপুল পরিমান টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ও অবৈধ কম্বল জব্দ করেছে বিজিবি

বিপুল পরিমান টাকার যৌন উত্তেজক সিরাপ ও অবৈধ কম্বল জব্দ করেছে বিজিবি
ফটো: প্রতিনিধি

জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) ও ২৯ ব্যাটালিয়ন ফুলবাড়ীর বিজিবি পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ১ লক্ষ ১৪ হাজার টাকার
অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ এবং চোরাই পথে আনা কম্বল জব্দ করেছেন।

গতকাল সোমবার রাত ও আজ মঙ্গলবার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এর অধীনস্থ ভাইগড় বিওপির বিওপি কমান্ডারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে ‘গুচ্ছগ্রাম’ নামক স্থানে পাকা রাস্তার পাশে পরিত্যাক্ত অবস্থায় একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ব্যাগটি তল্লাশি করে ১৪৪ পিস বাংলাদেশী যৌন উত্তেজক 'নিশি' (১০০ এমএল) সিরাপ আটক করতে সক্ষম হয় বিজিবি। যার আনুমানিক মুল্য ৩৬ হাজার টাকা ও বিওপির একটি দল হিলি আইসিপি (ICP) গেইটে চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ভারত থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে আনা ৩টি মূল্যবান কম্বল জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক সিজার মুল্য ২১ হাজার টাকা। অন্যদিকে ফুলবাড়ি ব্যাটালিয়ন ২৯ বিজিবির অধিনস্ত রসুলপুর বিওপি কতৃক মাদক ও চোরা চালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে ৩৮২ বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপ আটক করেন। যার আনুমানিক সিজার মুল্য ৫৭ হাজার ৩০০ টাকা।

বিজিবির দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সীমান্তে সব ধরনের মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির এমন কঠোর নজরদারি ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date