Image
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

পাঁচবিবিতে গ্রাম আদালতের বিচার কার্যক্রম দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

পাঁচবিবিতে গ্রাম আদালতের বিচার কার্যক্রম দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

 ১০ থেকে ২০ টাকা ফি জমা দিয়ে মিলছে ন্যায় বিচার,বেশ খুশি বাদী-বিবাদী

 

জয়পুরহটের পাঁচবিবিতে ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে গ্রাম আদালতের বিচার কার্যক্রম দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ইউনিয়নের মানুষগুলোর আদালতে না গিয়ে গ্রাম আদালতের উপর রাস্তা রাখছে। মাত্র ১০ থেকে ২০ টাকা ফি জমা দিয়ে ন্যায় বিচার পাওয়ায় বেশ খুশি বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষ। বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে দায়ের করা ১৯৭'টি মামলার মধ্যে ১৭২'টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং জেলার ৩২'টি  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে পিছনে ফেলে প্রথমস্থানের অধিকার লাভ করেন পাঁচবিবির বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নাজমুল হক।

ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সীমান্তবর্তী চকশিমুলীয়া গ্রামের দিনমজুর ইউনুেছ আলী মন্ডল জামাইয়ের বিরুদ্ধে বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করেন। ওই দিনমজুর গ্রাম আদালতে অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ের বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আমার জামাই ও তার পরিবারের সবাই মিলে আমার মেয়েকে নানা ভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন করে আসছিল। আমার মেয়ের সংসার টিকানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেও কোন কাজ হয়নি। তাই আমি গ্রাম আদালতে আশ্রয় নেই।

উপজেলার চকশিমুলীয়া গ্রামের দিনমজুর ইউনুছ আলী মন্ডল বলেন, আমি গরীব মানুষ আমার কষ্ট করে জমানো টাকা দিয়ে আত্বীয় স্বজন নিয়ে ধুমধাম করে একমাত্র আদরের স্কুল পড়–য়াা মেয়ের বিয়ে দেই। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আমার জামাই ও তার পরিবারের সবাই মিলে আমার মেয়েকে নানা ভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন করে আসছিলেন। বিয়ের এক বছরের মাথায় আমার মেয়ে একটি প্রতিবন্ধী সন্তান হয়।  আমি অনেক চিন্তা করি যে আদালতে গেলে অনেক টাকা খরচ হবে এবং বছরের পর বছর আদালত চত্বরে ঘুরতে হতো। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসারকে জানালে তিনি গ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করতে বলেন। তাই নিজেদের মধ্যে ছোটখাটো সমস্যা নিয়ে উচ্চ আদালতে না গিয়ে ১০ টাকা ফি জমা দিয়ে বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগ দায়ের একদিন পরেই সমাধান পাই। একদিনে সমাধান পাওয়ায় আমি অনেক খুশি হয়েছি।

উপজেলার ১ নং বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গ্রাম আদালতের বিচারক নাজমুল হক বলেন, গ্রাম আদালতে বাদি বিবাদী, উকিল ও পেশকারের সমন্বয়ে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। গ্রাম আদালতে সরকারি বিধি অনুযায়ী ৩ লাখ টাকার বিচার কার্যক্রম করতে পারি। ৩ লাখ টাকার বিচার কার্যক্রমে চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা মিলে গ্রাম আদালতেই মিটিয়ে দেই। এছাড়াও ১০ টাকা ফি জমা দিয়ে ছোটখাটো সমস্যার সমাধান পেয়ে বাদী বিবাদী উভয় পক্ষেই খুশি হন। বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে দায়ের করা ১৯৭'টি মামলার মধ্যে ১৭২'টি নিষ্পত্তি হওয়ায় জেলার মধ্যে আমরা প্রথমস্থান অধিকার করেছি।

বালিঘাটা ইউনিয়নের একজন বিচার প্রাথী বলেন, আমার জমিজমা নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। আমি ২০ টাকা ফি দিয়ে গ্রাম আদালতে অভিযোগ দেয়। পরবর্তীতে গ্রাম আদালত বসিয়ে উভয়পক্ষকে বুঝিয়ে সমস্যার সমাধাণ করে দেন গ্রাম আদালতের বিচারক।

বালিঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের বিচারক মামুনুর রশিদ রাশেদুল বলেন, আমি গ্রাম আদালতের দায়িত্ব পাওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে ৪১ টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্য ৩১ টি মামলা নিষ্পতি করা হয়েছে। গ্রাম আদালতে কেউ মামলা দায়ের করলে তা দ্রুত সমাধান করে দেওয়া হয়। আমি প্রায় দুই মাসে ৩১ টি মামলা নিষ্পতি করেছি। আশা করছি আগামীতে জেলার মধ্য প্রথমস্থানের অধিকার লাভ করবো।

আটাপুর ইউনিয়নের একজন নারী স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেয়ে ওই নারী গ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে গ্রাম আদালত বসিয়ে একদিনেই সমস্যার সমাধান করে দেন গ্রাম আদালতের বিচারক।

আটাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গ্রাম আদালতের বিচারক আ,স,ম সামছুল আরেফিন চৌধুরী আবু বলেন, গ্রাম আদালতে বাদি বিবাদী, উকিল ও পেশকারের সমন্বয়ে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। আমার ইউনিয়নে ২০২৪ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রাম আদালতে ৬২ টি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা। এর মধ্য ৬২টি মামলায় গ্রাম আদালতে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারী থেকে জুন পর্যন্ত ৩৯ টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্য ৩৯ টি মামলায় গ্রাম আদালতে নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

গ্রাম আদালতের ডিস্ট্রিক ম্যানেজার মোঃ রাজিউর রহমান রাজু জানান, গ্রাম আদালতের বিচার কার্যক্রমগুলো নিয়মিত মনিটরিং করে থাকি। বর্তমানে গ্রাম আদালতের বিচার কার্যক্রম জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ইউনিয়নের মানুষগুলোর আদালতে না গিয়ে গ্রাম আদালতের উপর রাস্তা রাখছে।

পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা রিয়াজ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের বিচার কার্যক্রম নিয়মিত পরিদর্শন করছি। উপজেলার ৮ টি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে মোট ৮২৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। যার মধ্যে ৭৯২টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই সরকার এই ব্যবস্থা চালু করেছে।

চলিত বছরের (১৯ আগষ্ট) জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের কনফারেন্স রুমে ইউনিয়ন পরিষদের পরিচালিত গ্রাম আদালত পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রথম স্থান অর্জনকারীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আফরোজা আক্তার চৌধুরী।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান
ফটোঃ প্রতিনিধি

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌর নাগরিকদের দূর্ভোগ নিরসন ও শহরের শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবিতে সোমবার ২ নভেম্বর দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সরকার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুনের নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন, বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের সদস্য সচিব ও বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, সাবেক ভিপি গোলাম মোর্শেদ সৈকত, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, হাফিজ উদ্দিন সরকার, মোবারক আলী, ফরিদ হোসেন, মানিক চৌধুরী, মাজহারুল ইসলাম তানিম।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, বিরামপুর শহরের উভয় পাশে এবং ঢাকামোড়ে অটোরিক্সা, মিশুক, টেম্পু, ভ্যান ও বাসের অবৈধ স্ট্যান্ড অপসারণ, যানজট নিরসন, অটোরিক্সার ভাড়া নির্ধারণ, শব্দ দুষন নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করণ, ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, এবং সপ্তাহে দু’দিন পৌর কার্যালয়ে প্রশাসকের কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানানো হয়।
দাবির প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুন বলেন, অচিরেই ঢাকামোড় ও হাসপাতাল মোড় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত
নীলফামারীর দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে জেলা ইজতেমায় জুমার নামাজে অংশ নিয়েছেন বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। ছবি: সংগৃহীত।

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে চলছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে সমবেত হন লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।

জেলার সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়কসংলগ্ন দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে আয়োজিত এ ইজতেমায় নীলফামারী ছাড়াও ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নেন। জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি মূল মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

 

আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ

এবারের ইজতেমায় বিদেশি মুসল্লিদেরও অংশগ্রহণ রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সুদান ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এতে অংশ নিয়েছেন।

ইজতেমায় দ্বীনের দাওয়াত, মানবকল্যাণ, ধর্মীয় জীবনযাপন এবং আখিরাতের প্রস্তুতি বিষয়ে বয়ান পেশ করা হচ্ছে।

নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও সাদাপোশাকের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মুসল্লিদের সার্বিক সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

শনিবার আখেরি মোনাজাত

আয়োজকদের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ জেলা ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি এবং মানবকল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
ফটোঃ প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিধান কান্তি হালদার।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

এ মাসিক সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফ উদ্দিন, নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শুভ্রত্ব কুমার চক্রবর্তী, উপজেলা প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দীপক কুমার বণিক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন জুয়া,
মাদক, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ নানা সামাজিক সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় হয়। মাসিক সভায় বক্তারা উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

মন্তব্য / প্রেরক

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ
ফটো: প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা নিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা যুবদল। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে উপজেলার ২ নম্বর পালশা ইউনিয়নের পশ্চিম পালশা সড়কের পাশে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণ করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং প্রকৃতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব এমন উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

তালগাছ প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় তালগাছের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও জনসচেতনতা রয়েছে। সড়কের পাশে রোপণ করা এসব তালবীজ যথাযথ পরিচর্যায় বেড়ে উঠলে ভবিষ্যতে এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের।

ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মোফাজ্জল হোসেন প্রধান বলেন, ‘যুবসমাজ দেশের শক্তি। দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই যুবদলের অন্যতম অঙ্গীকার। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পশ্চিম পালশা সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা চাই, এ উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম পরিবেশ রক্ষায় আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ হোক।’

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহরুল ইসলাম শান্ত বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাইনি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, গাছ লাগানো শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা বাবলু মিয়া, মাসুদুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন প্রধান, ২নং পালশা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি
জোবায়ের হোসেন এবং স্বেচ্ছাসেবক নেতা সাইদুল এরশাদসহ যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date