Image
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

নবাবগঞ্জে তরমুজ চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষকদের নিয়ে মাঠ দিবস

নবাবগঞ্জে তরমুজ চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষকদের নিয়ে মাঠ দিবস
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে তরমুজ চাষ সম্প্রসারণ ও কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতিতে চাষে উদ্বুদ্ধ করতে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎
‎মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের মোগরপাড়া গ্রামে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। দিনাজপুর জেলায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খরিপ-২ মৌসুমে এ আয়োজন করা হয়। মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস।
‎
‎মাঠ দিবসে কৃষকদের তরমুজ চাষের আধুনিক ও লাভজনক পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। জমি নির্বাচন, বীজ বপন, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা, গাছের পরিচর্যা এবং রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনসহ অধিক ফলন নিশ্চিত করার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়।
‎
‎এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে তরমুজ চাষ করলে কৃষকরা ভালো ফলন ও লাভবান হতে পারেন। তিনি কৃষকদের পরিকল্পিতভাবে তরমুজ চাষ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দিতে কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাবে বলেও জানান তিনি। ‎পরে মাঠে উৎপাদিত তরমুজ প্রদর্শনের মাধ্যমে কৃষকদের হাতে-কলমে বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়।
‎
‎এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, মো.আমিনুল ইসলাম, মো.গোলাম রব্বানী, মো.শহিদুজ্জামান, স্থানীয় উপকারভোগী কৃষক, মান্যগন্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য / প্রেরক

শীতের সবজিতে বাজারে ভরপুর দাম কম থাকায় ক্রেতাদের স্বস্তি

শীতের সবজিতে বাজারে ভরপুর  দাম কম থাকায় ক্রেতাদের স্বস্তি
ফটো : প্রতিকি

 দিনাজপুরের সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে উঠতে শুরু করেছে শীতে সবজি। অধিকাংশ সবজি ৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। অন্যদিকে মাছের বাজারেও চড়া দাম বিরাজ করছে। সোমবার রামডুবি হাটে ঘুরে দেখা গেছে সবজি, মাছ ও মুরগির বাজারে ক্রেতাদের খরচ করতে হচ্ছে তুলনামূলক বেশি টাকা। সবজি ব্যবসায়ী ধ্রুব রায় বলেন, বাজারে নতুন সবজি বা পণ্য উঠতে শুরুতেই দাম কিছুটা বেশি থাকলেও গত কয়েকদিন ধরে সবজির দাম সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে দাম কম রয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা যায় প্রতি কেজি ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগির বাজারে বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৬০-১৭০ টাকা অন্যদিকে সোনালী মুরগির দাম ৩০০-৩২০ টাকা। বয়লারের তুলনায় সোনালী মুরগি কিনতে ক্রেতাদের বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে। এদিকে মাছের বাজারেও দামের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে শীতকালীন সবজির সমাহার, চড়া দামে অসন্তোষ ক্রেতারা

নবাবগঞ্জে শীতকালীন সবজির সমাহার, চড়া দামে অসন্তোষ ক্রেতারা
ফটো: প্রতিনিধি

বাজারে উঠতে শুরু করেছে শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পালংশাক, টমেটো ও মুলার মতো শীতকালীন নানাবিধ আগাম সবজি। তবে স্বস্তির খবর নিয়ে আসা এসব নতুন সবজি কিনতে গিয়ে চড়া দামেই পকেট খালি হচ্ছে ক্রেতাদের।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।


বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে আলু ৩০, বেগুন ৩৫, চিচিঙ্গা ৩০, পেপে ২০, মূলা ২০, করলা ৮০, সিম ১২০, শসা ৬০, টমেটো ১০০, মূলা ২০, বরবটি ৮০, ভেন্টি ৪০, কাঁচামরিচ ১০০ ও পটল ৪০ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল শাক ১৫, ধনে পাতা ১০, ডাটা শাক ১৫, মুলা শাক ১০, পুঁইশাক ২০ ও লাউশাক ১৫ টাকা প্রতি মুঠো বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও প্রতি পিস চাল কুমড়া ৩৫, বাঁধাকপি ৩৫
ফুলকপি ৩৫, লাউ ৩৫, মিষ্ঠি কুমড়া ১০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।


দাউদপুর এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা বলেন, অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়ে আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের বাজার করতে হয়। শাকসবজি কিনতে গেলেই টাকা শেষ হয়ে যায় মাছ-মাংসের দিকে তো যাওয়ারই উপায় নেই।


সবজির দাম বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে এক সবজি বিক্রেতা বলেন “ আমাদের বেশি দামে সব কিনে আনতে হচ্ছে। তাই একটু বেশি দামে বিক্রি করি। বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রি করলেতো আমাদের লস হবে।” মাছ ও মাংসের বাজার ঘুরে দেখা যায়,মাছ ও মুরগির বাজারেও দামে তেমন পরিবর্তন নেই।

উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের দলারদর্গা হাটে আসা এক ক্রেতা আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, “ শীতের নতুন সবজি বাজারে দেখা গেলেও দাম অনেক চড়া।”

এদিকে নবাবগঞ্জ বাজারে আসা মোঃ সাজেদুল ইসলাম নামে এক শিক্ষক
জানান “ শীতকালীন সবজি বাজারে উঠতে শুরু করায় বৈচিত্র্য বাড়লেও সবজির দাম এখনো সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বিশেষ করে টমেটো, শিম, কাঁচা মরিচ ও গাজরের দাম তুলনামূলক বেশি। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী সবজি কিনতে গিয়ে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছে নতুন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে পুরনো সবজির ওপর চাপ কমবে তখন সবজির দাম কমে যাবে।

মন্তব্য / প্রেরক

ঘোড়াঘাটে সাবিত সীডস কোম্পানির বীজ বিক্রেতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে সাবিত সীডস কোম্পানির বীজ বিক্রেতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভা এলাকায় ডিলার ও রিটেইলারদের নিয়ে ‘বীজ বিক্রেতা সমাবেশ-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় পৌর এলাকার সিপি রোড সংলগ্ন স্থানে সাবিত সীডস কোম্পানির আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলন, সাবিত সীডস কোম্পানির প্রোপাইটর লিপন মিয়া, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন, সাব্বির আহম্মেদ, জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বীজ ব্যবসায়ীরা।

সমাবেশে সাবিত সীডস কোম্পানির উন্নত মানের ভুট্টা বীজ এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত বীজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ডিলার ও রিটেইলারদের সঙ্গে বীজের মান, বিপণন এবং কৃষকদের কাছে উন্নত মানের বীজ পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

আয়োজকরা জানান, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত মানের বীজ কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করাই এ ধরনের সমাবেশের অন্যতম উদ্দেশ্য।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে আঙুর চাষে সফল তৌহিদুল, কৃষিতে নতুন দ্বার উন্মোচন

নবাবগঞ্জে আঙুর চাষে সফল তৌহিদুল, কৃষিতে নতুন দ্বার উন্মোচন
ফটো: প্রতিনিধি

মাদকের ভয়াল থাবায় ও মোবাইলে অনলাইন জুয়া খেলে অনেকেই নিঃস্ব হচ্ছেন, আবার কেউ কেউ ফেসবুক ও ইউটিউব দেখে হয়েছেন স্বাবলম্বী। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে বদলে যাচ্ছে জীবনের গল্প। ঠিক তেমনি ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে সফল আঙুর চাষের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের নলেয়া গ্রামের বাসিন্দা কলেজ পড়ুয়া তরুণ যুবক মো. তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ।

শখের বসে মাত্র পাঁচটি আংগুর চারা রোপণের মাধ্যমে তার প্রথম আঙুর চাষে পথচলা। প্রথমবার সফলতার মুখ না দেখলেও পরবর্তীতে ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
আঙুর চাষ সম্পর্কে নানাবিধ জ্ঞান অর্জন করেন। ২০২৬ সালে তৌহিদুল মাত্র ১০ শতাংশ জমিতে ১৫ জাতের প্রায় ৮৫টি চারা রোপণ করেন করে গড়ে তোলেন
আঙুরের বাগান

শুরুতে স্থানীয়রা তার উদ্যোগকে ভালোভাবে নেয়নি। তবে ধীরে ধীরে বাগান দৃশ্যমান হলে অনেকেই অবাক হন। এখন থোকায় থোকায় ঝুলে থাকা আঙুর দেখে উৎসাহিত হচ্ছেন আশপাশের মানুষ। অনেকেই আগ্রহ দেখাচ্ছেন নতুন করে আঙুর চাষে নামার।

মো.তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ বলেন, ‘প্রথমে কারও সহযোগিতা পাইনি। ফেসবুক ও ইউটিউব দেখে নিজের মতো করে শুরু করি। অনেকে কটাক্ষ করলেও থেমে যাইনি। বরং চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম আঙুর চাষকে। এখন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আমার বাগান দেখতে আসছেন। ফল দেখে মুগ্ধ হয়ে হচ্ছে। তিনি জানান আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং ভালো দাম পেলে ভবিষ্যতে ৪ বিঘা জমিতে আঙুর চাষ করবেন।তৌহিদুলের বাবা মোহাম্মদ আলী বলেন, আমার ছেলে কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি মোবাইলে ইউটিউব দেখে আঙুর চাষ শুরু করে। আমি যতটা পারি তাকে সহযোগিতা করছি। শুরুতে গ্রামের লোকজন এটাকে গুরুত্ব না দিলেও এখন সবাই গর্ব করছে।” উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, তৌহিদুলের বাগান পরিদর্শন করে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তার সফলতা অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস বলেন, “ উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তৌহিদুলকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। অনুকূল আবহাওয়া ও বাজারমূল্য ঠিক থাকলে সে ভালো লাভবান হবেন এবং কৃষিতে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হবে বলে আশা করেন।”

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date