Image
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর উদ্বেগজনক পরিস্থিতি: ডেঙ্গুতে এক দিনে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২,২৪৯

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর উদ্বেগজনক পরিস্থিতি: ডেঙ্গুতে এক দিনে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২,২৪৯
ফটো : প্রতিকি

আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলোর মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অন্যতম। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস/BSS)-এর প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২ হাজার ২৪৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ঢাকা থেকে বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২ হাজার ২৪৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে মারা গেছেন সাতজন। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮৪ জনে।
 

মন্তব্য / প্রেরক

নিজ বাড়িতে জনতার চিকিৎসা সেবায় ব্যস্ত থাকেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা.জাহিদ হোসেন

নিজ বাড়িতে জনতার চিকিৎসা সেবায় ব্যস্ত থাকেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা.জাহিদ হোসেন
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলাধীন পুটিমারা ইউনিয়নের মতিহারা গ্রামে মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শুনতে নিজ বাড়িতে সকাল-রাতে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা এ জেড এম জাহিদ হোসেন।জনসংযোগ ও রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে চিকিৎসা প্রদান করছেন তিনি।

তিনি ঢাকা থেকে আসলে
শুক্রবার ও শনিবার সকালে ও রাতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর নিজ বাড়িতে উপস্থিত হন। কেউ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যা নিয়ে, কেউ জমি-জমা সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে, আবার কেউ অসুস্থ স্বজনের চিকিৎসার সেবার গ্রহণের জন্য।

এ সময় মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন (এমপি) প্রত্যেকের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের সমস্যা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। পাশাপাশি অসহায় ও অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, সাধারণ মানুষের কথা সরাসরি শোনা এবং প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানোর কারণে তাঁর প্রতি মানুষের আগ্রহ ও আস্থা তৈরি হয়েছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের সমস্যা জানার পাশাপাশি তাদের কল্যাণে কাজ করার এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তারা।
স্থানীয়রা আরো জানান মন্ত্রী মহোদয় এলাকায় আসলে নিজ বাসায় সকালে ও রাতে জনগণের ভীড় পরিলক্ষিত হয় এবং তিনি চিকিৎসার প্রেসক্রিপশনের বিভিন্ন
সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেন। নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট এ চার উপজেলা জনগণ এমন মানবিক ডাক্তার ও মন্ত্রী পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার প্রত্যয় নিয়ে দিনাজপুর ৬ আসনের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেড জাহিদ হোসেন।

মন্তব্য / প্রেরক

ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯০২ চলতি বছরে প্রাণহানি ২৭১, হাসপাতালে ভর্তি ৮৮ হাজার ৩৬০

ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯০২ চলতি বছরে প্রাণহানি ২৭১, হাসপাতালে ভর্তি ৮৮ হাজার ৩৬০
ফটো : প্রতিকি

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ফের উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশে নতুন করে ১ হাজার ৯০২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ ডেঙ্গু বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৮৮ হাজার ৩৬০ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮২ হাজার ৩৩৫ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫ হাজার ৭৫৪ জন।

নতুন করে মারা যাওয়া ৯ জনের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় তিনজন, বরিশাল বিভাগে দুজন এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে একজন করে রয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭১ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৪০১ জন, খুলনা বিভাগে ৩০৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭২ জন, বরিশালে ২১৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৩ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০৬ জন রয়েছেন। রংপুর বিভাগেও নতুন করে ৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৮৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। তবে একদিনে ৯ জনের মৃত্যু এবং প্রায় দুই হাজার নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা নয়, একই সঙ্গে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও কার্যকর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি।

মন্তব্য / প্রেরক

ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার, সেপ্টেম্বরেই মৃত্যু ১৪৮ ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ৬০৮ হাসপাতালে—দেশজুড়ে জোরদার হচ্ছে

ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার, সেপ্টেম্বরেই মৃত্যু ১৪৮ ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ৬০৮ হাসপাতালে—দেশজুড়ে জোরদার হচ্ছে
ফটো : প্রতিকি

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি বছরের মোট মৃত্যুর বড় একটি অংশ। অক্টোবরের শুরুতেও আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (DGHS) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১ হাজার ৬০৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ২৫৬ জনে এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৮৪ হাজার ৩৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য পরিস্থিতির এই অবনতির মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শনিবার খুলনায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। রাজশাহীতেও জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বলছে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নজরদারি, জনসচেতনতা এবং আক্রান্তদের যথাযথ চিকিৎসা—সবগুলো কার্যক্রম সমন্বিতভাবে পরিচালনা করা প্রয়োজন।

সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত, জমে থাকা পানি এবং পরিবর্তিত আবহাওয়া এডিস মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। ফলে বাড়ি, অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়া এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নাগরিকদের করণীয়

  • বাড়ির ছাদ, বারান্দা ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া।
  • ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, প্লাস্টিকের বোতল ও পুরোনো টায়ার পরিষ্কার রাখা।
  • জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
  • ডেঙ্গু শনাক্ত হলে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া।
  • নিজ এলাকার মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো।

জাতীয়ভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ এখন শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব নয়; পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্র : ইন্টারনেট  ।

মন্তব্য / প্রেরক

ঋতু পরিবর্তনে বাড়ছে রোগব্যাধি ! ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ভর্তি ৭০-৮০ রোগী, মেঝেতেও চিকিৎসা

ঋতু পরিবর্তনে বাড়ছে রোগব্যাধি ! ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ভর্তি ৭০-৮০ রোগী, মেঝেতেও চিকিৎসা
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুরে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নানা ধরনের রোগব্যাধি। হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তনে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, পেট ব্যথাসহ বিভিন্ন মৌসুমি রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসা নিতে আসছেন বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট। বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে মেঝেতে কিংবা বিকল্প শয্যায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন বহির্বিভাগে প্রায় ৬০০ থেকে সাড়ে ৬০০ রোগী এবং জরুরি বিভাগে ১১০ থেকে ১২০ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে গুরুতর অসুস্থ প্রায় ৭০-৮০ জন রোগীকে প্রতিদিন হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিদিন গড়ে ৬-৭ জন প্রসূতির স্বাভাবিক প্রসব করানো হচ্ছে।

বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শাহরিয়ার পারভেজ জানান, দিনে প্রচণ্ড গরম এবং রাতে মৃদু ঠান্ডা আবহাওয়া বিরাজ করায় এ সময়ে বিভিন্ন মৌসুমি রোগের প্রকোপ বেড়েছে। নারী, শিশু ও বয়স্কদের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত রোগীরাও চিকিৎসা নিতে বেশি আসছেন।

তিনি বলেন, রোগীর বাড়তি চাপের কারণে শয্যার তুলনায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেশি হচ্ছে। ফলে কিছু রোগীকে মেঝে বা বিকল্প শয্যায় চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। তবে বর্তমানে ওষুধের সরবরাহ রয়েছে এবং ওষুধ সংকটের আশঙ্কা নেই। মৌসুমি রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে নারী, শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

চিকিৎসকরা জানান, ঋতু পরিবর্তনের সময়ে শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপরও প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ঠান্ডা-গরমের তারতম্যজনিত অসুস্থতা দ্রুত দেখা দিতে পারে। তাই বিশুদ্ধ পানি পান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

এদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল আজিজ জানান, তার মেয়ে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে তাকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সরকারি হাসপাতাল থেকে স্যালাইন, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসেবা পাওয়ায় তার মেয়ে বর্তমানে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, রোগীর সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে ৫০ শয্যার এই হাসপাতালের সক্ষমতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করা গেলে রোগীদের মেঝেতে চিকিৎসা নেওয়ার পরিস্থিতি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রোগীর বাড়তি চাপ অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে শয্যা সংকট আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date