রাজশাহীতে একটি ছাত্রীনিবাসে নিম্নমানের খাবারের প্রতিবাদ করায় কয়েকজন ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর জেরে শিক্ষার্থীরা রোববার গভীর রাতে ছাত্রীনিবাস থেকে বের হয়ে আরএমপির বোয়ালিয়া থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় মেস মালিক ও তার দুই ছেলেকে গ্রেফতারের দাবিতে ছাত্রীরা স্লোগান দিতে থাকেন। পরে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে মেস মালিক ও তার দুই ছেলেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
জানা গেছে, মহানগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত এই ছাত্রীনিবাসটির নাম ‘ঝলক-পলক মেস’। ছাত্রীনিবাসটিতে প্রায় ৩০০ ছাত্রী থাকেন। মালিকের শর্তানুযায়ী প্রত্যেকের কাছে অগ্রিম ৭ মাসের ভাড়া নেওয়া হয়েছে। রোববার বেলা ১১টার দিকে নিম্নমানের খাবারের প্রতিবাদ করায় তাদেরকে নির্যাতন করা হয়। পরে দিনভর ছাত্রীদের ছাত্রীনিবাসে অবরুদ্ধ করে রাখে মেস মালিক ও তার দুই ছেলে ঝলক ও পলক। পরে ছাত্রীদের থানা ঘেরাও বিক্ষোভের পর রোববার রাত ১টার দিকে পুলিশ মেস মালিক আব্দুল মতিন ও তার দুই ছেলেকে গ্রেফতার করে।
ওই ছাত্রীনিবাসের ছাত্রীরা জানান, তাদের বেশিরভাগ ছাত্রীই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রস্তুতির জন্য এই ছাত্রীনিবাসে থাকেন। এই ছাত্রীনিবাসে টাকা বেশি নেওয়া হলেও খাবারের মান খুবই খারাপ। পানি সরবরাহ ব্যবস্থাও ভালো না। এসব নিয়ে প্রতিবাদ করলেই মালিক ও তার ছেলেরা ছাত্রীদের ওপর নির্যাতন করে থাকেন। মালিকের ছেলেরা নানা অজুহাতে ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা পয়সাও আদায় করেন। মালিক চুক্তি করে ছাত্রীদেরকে তিনবেলা খাবার সরবরাহ করেন। ছাত্রীরা যে পরিমাণ টাকা দেন খাবারের মান সে তুলনায় খুবই খারাপ।
জানা গেছে, রোববার সকালে নিম্নমানের খিচুড়ি পরিবেশনের প্রতিবাদ করেন এক ছাত্রী। তিনি এই ছাত্রীনিবাসে থাকবেন না বলে জানিয়ে দেন। এ সময় মালিকপক্ষ ওই ছাত্রীকে জানায়, ছাত্রীনিবাসে ওঠার সময় তিনি যে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন সেখানে আছে যে ৭ মাসের আগে ছাত্রীনিবাস ছাড়া যাবে না। ওই ছাত্রী চুক্তিপত্র দেখতে চাইলে মালিক জানান, আইনজীবী ছাড়া এটা দেখা যাবে না।
নিজের স্বাক্ষর করা চুক্তিপত্র দেখতে আইনজীবী লাগবে কেন, এমন প্রশ্ন তুললে ছাত্রীনিবাসের মালিক তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। মালিকের দুই ছেলে ঝলক ও পলক এসে ওই ছাত্রীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। এতে অন্য ছাত্রীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে ঝলক ও পলক তার সহযোগীদের নিয়ে গিয়ে ছাত্রীদের হুমকি দেন যে, তারা তাদেরকে রাজশাহীতেই থাকতে দেবেন না।
ছাত্রীদের অভিযোগ, সকালের ওই ঘটনার পর মালিক মতিন ও তার দুই ছেলে ঝলক ও পলক ছাত্রীনিবাসে ছাত্রীদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। তাদের বলা হয়, রাতে ফটকের তালা খুলে দেওয়া হবে। তখন সবাইকে একযোগে ছাত্রীনিবাস ছাড়তে হবে। তখন ছাত্রীরা ফোন করে তাদের বন্ধুদের সহযোগিতা চান। তখন অনেকেই ছাত্রীদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। আসেন স্থানীয় লোকজনও।
এরপর রাত ১২টার দিকে স্থানীয় কিছু লোকজন গিয়ে ছাত্রীনিবাসের তালা ভেঙে ছাত্রীদের বের করেন। খবর পেয়ে সেখানে যান নগরের বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাসুদ। তিনি ছাত্রীনিবাস থেকে প্রথমে মতিন ও ছেলে পলককে আটক করে নিয়ে যান। এ সময় তিনি মামলা করার জন্য ভুক্তভোগী ছাত্রীদের থানায় ডাকেন। পরে রাত ১২টার দিকে ছাত্রীরা মিছিল নিয়ে থানায় যান। ভুক্তভোগী ছাত্রী মামলা করার পর রাত ২টার দিকে তারা থানা থেকে বের হন।
বোয়ালিয়া থানার ওসি মেহেদী মাসুদ বলেন, ‘আমি খবর পেয়েই সেখানে গিয়ে দুজনকে আটক করি। এরপর ভুক্তভোগীরা চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। তিনজনকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’
ওসি জানান, সোমবার গ্রেফতার তিন আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। মামলায় অজ্ঞাত আরও কয়েকজন আসামি করা হয়েছে। তাদেরও শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
রাতে বোয়ালিয়া থানায় ছিলেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ছাত্রীনিবাসটিতে মালিক ও মালিকেরা ছেলেরা এক ছাত্রীকে শারীরীকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন, শ্লীলতাহানি ঘটিয়েছেন। খবর পেয়েই পুলিশ সেখানে যায় এবং তিনজনকে হেফাজতে নেয়।’
তিনি বলেন, ‘রাজশাহীতে অনেক মেস। এটা আমাদের মাথাতেই আসেনি যে, শিক্ষার্থীরাও এ রকম নির্যাতনের মুখে থাকেন। এটা এখন আমাদের নলেজের মধ্যে আসল। আমরা সজাগ থাকব। কেউ এ রকম ঘটনার মুখোমুখি হলে ৯৯৯ বা থানায় ফোন করলে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Read_more
মন্তব্য / প্রেরক
সর্বশেষ
৫০৩ উপজেলায় ন্যায় নবাবগঞ্জে ‘নতুন কুঁড়ি’ সিজন-২ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
-
মেহেদী হাসান, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
“ ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ফরসা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনার লক্ষ্যে শুভ উদ্বোধন হলো ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবারের আসরে অংশ নিতে ইতোমধ্যে অনলাইনে নিবন্ধন করেছে ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন। এরই ধারাবাহিকতায় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’- সেজন ২ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হালদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো.আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার, উপজেলা প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী, ক্রিয়া সংগঠক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান আগের আসরের তুলনায় এবার শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে।
মন্তব্য / প্রেরক
সর্বশেষ
বিরামপুরে এক বছরেও রাস্তার কাজ শুরু না হওয়াই, মানব বন্ধন ও মন্ত্রীর কাছে স্মারক লিপি প্রদান
-
বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ॥
দিনাজপুরের প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌরসভায় বিশ্ব ব্যাংকের বরাদ্দের ১ বছরেও কাজ শুরু না করার প্রতিবাদে এবং রাস্তার কাজ শুরুর দাবিতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মানববন্ধন ও মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছে। সমাজ কল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন শেষে সমাজ কল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, শহরের নবাবগঞ্জ রোড (শালবাগান) থেকে চরকাই তিনমাথা পর্যন্ত ১.৭ কিলোমিটার রাস্তা চলাচলের অনুপযোগি হওয়ায় পৌর কর্তৃপক্ষ রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে আরসিসি রাস্তা, ড্রেন, সড়ক বাতি ও ফুটপাত তৈরি কাজের টেন্ডার দেওয়া হয়। টেন্ডারে রাজশাহীর দু’টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সে কাজের দরপত্র পায়। ঐ কাজ ১৩ নভেম্বর ২০২৫ সালে শুরু হয়ে ২০২৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে শেষ করার কথা। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার সম্মুখে এসেও সেই প্রকল্পের কাজ শুরুই করা হয়নি। এতে ঐ রাস্তা দিয়ে শহরে চলাচলকারী ছাত্র-ছাত্রী, কৃষক-শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রায় এক বছরেও বরাদ্দকৃত প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়ায় এলাকার ৩ শথাধিক মানুষ বৃহস্পতিবার মিছিলসহ উপজেলা চত্বরে গিয়ে কাজ শুরুর দাবিতে মানববন্ধন শেষে স্থানীয় এমপি, সমাজ কল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক ও সাংবাদিক রিপন মানিক চৌধুরী সহ এলাকাবাসীর গণ স্বাক্ষরে স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন, সাবেক পৌর কাউন্সিলর জোবায়দুল হক জুয়েল, ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের, জাহিদুল ইসলাম খোকন, মশকুরুল হক, আনোয়ার সরকার, রিয়াজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, শিহাবুর রহমান প্রমূখ।
মন্তব্য / প্রেরক
সর্বশেষ
বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান
-
বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌর নাগরিকদের দূর্ভোগ নিরসন ও শহরের শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবিতে সোমবার ২ নভেম্বর দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সরকার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুনের নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন, বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের সদস্য সচিব ও বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, সাবেক ভিপি গোলাম মোর্শেদ সৈকত, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, হাফিজ উদ্দিন সরকার, মোবারক আলী, ফরিদ হোসেন, মানিক চৌধুরী, মাজহারুল ইসলাম তানিম।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, বিরামপুর শহরের উভয় পাশে এবং ঢাকামোড়ে অটোরিক্সা, মিশুক, টেম্পু, ভ্যান ও বাসের অবৈধ স্ট্যান্ড অপসারণ, যানজট নিরসন, অটোরিক্সার ভাড়া নির্ধারণ, শব্দ দুষন নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করণ, ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, এবং সপ্তাহে দু’দিন পৌর কার্যালয়ে প্রশাসকের কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানানো হয়।
দাবির প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুন বলেন, অচিরেই ঢাকামোড় ও হাসপাতাল মোড় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।
মন্তব্য / প্রেরক
সর্বশেষ
নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত
-
প্রতিবেদন: ঢাকামোড়২৪.কম (DM24NEWS)
উত্তরের জেলা নীলফামারীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে চলছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে সমবেত হন লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।
জেলার সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়কসংলগ্ন দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে আয়োজিত এ ইজতেমায় নীলফামারী ছাড়াও ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নেন। জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি মূল মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ
এবারের ইজতেমায় বিদেশি মুসল্লিদেরও অংশগ্রহণ রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সুদান ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এতে অংশ নিয়েছেন।
ইজতেমায় দ্বীনের দাওয়াত, মানবকল্যাণ, ধর্মীয় জীবনযাপন এবং আখিরাতের প্রস্তুতি বিষয়ে বয়ান পেশ করা হচ্ছে।
নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও সাদাপোশাকের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মুসল্লিদের সার্বিক সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
শনিবার আখেরি মোনাজাত
আয়োজকদের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ জেলা ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি এবং মানবকল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য / প্রেরক
সর্বশেষ
সাম্প্রতিক
নিউজলেটার
নিউজলেটার বিবরণ