দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে—আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগকে অন্তর্বর্তী সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। ছাত্রলীগ ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। তবে স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের দলীয় লেজুড়বৃত্তি বেড়ে গেছে, যা গত ১৫ বছরে আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ড, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, নারী নিপীড়ন ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, এসব কারণে ৭৫ বছরের পুরনো এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার পর, রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠনের রাজনীতিতে কি ধরনের পরিবর্তন আসবে? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়ক আলোচনা চলছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন— শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক দলের অঙ্গ সংগঠন বা ছাত্র সংগঠন থাকা উচিত নয়। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে যদি এ পরিবর্তন আসতে পারে, তবে ভবিষ্যতে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠনের কাছে এটি একটি বার্তা হবে। তবে ছাত্র রাজনীতির সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আসবে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না, কারণ রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাহী প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ না করে জনসমর্থনের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক সংগঠন নিষিদ্ধ হলে সেটি বেশি কার্যকরী হবে বলেও মনে করছেন তারা।
গেল ১৫ বছরে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ উঠেছে, যেমন আর্থিক অনিয়ম, হত্যা, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি এবং ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধ। হত্যা মামলায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মৃত্যুদণ্ডের নজিরও রয়েছে। ২০১৯ সালে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির কারণে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থানে ছাত্রলীগের বিতর্কিত ভূমিকা ছিল।
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে বিশ্লেষণমূলক বই লিখেছেন মহিউদ্দিন আহমদ। তিনি মনে করেন— ছাত্র রাজনীতির নামে যা হয়েছে তা মূলত রাজনৈতিক দলগুলোর ক্যাম্পাসভিত্তিক অঙ্গ সংগঠন। ছাত্র সংগঠনের প্রকৃত চরিত্র থেকে সরে এসে তারা দলীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, “ছাত্রলীগ মানে আওয়ামী লীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, ছাত্রদল মানে বিএনপির বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। আমি মনে করি এই জিনিসটা একেবারেই বন্ধ হওয়া উচিত। ছাত্রদের স্বার্থ রক্ষা বা শিক্ষা সম্পর্কিত বিষয়ে কাজ করাই ছাত্র সংগঠনের কাজ হওয়া উচিত।” মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, “নীতিগতভাবে ছাত্র সংগঠনের দলীয় রাজনীতি বা রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একেবারেই বন্ধ হওয়া উচিত। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করার মধ্য দিয়ে যদি এ বিষয়টি সামনে আনা যায়, তবে আমি মনে করি সামনের দিনে ছাত্রদল বা শিবিরের কার্যক্রমেও নিষেধাজ্ঞা আসা উচিত।”
তিনি মনে করেন, ছাত্ররা যারা রাজনীতি করতে আগ্রহী তারা সরাসরি রাজনৈতিক দলে যোগদান করতে পারে, কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলীয় রাজনীতি থাকা উচিত নয়। “একটা নীতিগত সিদ্ধান্তে আসা উচিত যে রাজনৈতিক দলের কোনো ছাত্র সংগঠন থাকবে না। যারা ওই দলের সমর্থক তারা সরাসরি ওই দলে করবে, আলাদা করে ছাত্র সংগঠন থাকবে না, এটাই নীতিগত সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত।
রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়টি কখনো উত্থাপন করবে না, কারণ ক্ষমতায় থাকাকালে তাদের অঙ্গ সংগঠনগুলো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের এ সময়ে যে সংস্কার চলছে, এতে এ বিষয়টি জোরালোভাবে আসা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
তবে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার ফলে ‘ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি’তে পরিবর্তন আসবে কি না, সে প্রশ্নে তিনি বলেন, “এটা বলা মুশকিল। কারণ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে যেসব কারণে, সেগুলো একেবারে ইমমিডিয়েট কারণে। গত কয়েক বছরে তারা যে সব কাণ্ডকারখানা করেছে, সেজন্য সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় এটি করা হয়েছে। কিন্তু এই কাজগুলো অন্যরাও করে। তাহলে ছাত্রলীগকে দিয়ে অন্যদের শেখানো না, বরং আমি মনে করি ছাত্রলীগকে ধরেই এ ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্তে আসা উচিত।
এর আগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী ও এর অঙ্গ সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল সাবেক আওয়ামী লীগ সরকার। ক্ষমতা গ্রহণের পর ওই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকার।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জোবায়দা নাসরীন নিষিদ্ধকরণের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। জোবায়দা নাসরীন বলেন, “যে নির্বাহী প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াত, শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল, সেভাবে সংগঠন নিষিদ্ধ হতে পারে, কিন্তু সেটা যদি জনগণের রায় নিয়ে করা হতো, তাহলে আরো শক্তিশালী বার্তা যেত। যে প্রক্রিয়ায় করা হয়, সেটা কিন্তু দেশের জনগণের যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি, সেটাকে গণতন্ত্রমুখী করার ক্ষেত্রে বার্তা যায় না। নির্বাহী ক্ষমতার আদেশে যখন কিছু বন্ধ করা হয় এবং সেটা যদি জনগণের সমর্থন ছাড়া করা হয়, তখন কিন্তু নতুন কোনো সরকার আসলে সেটা বিশেষ ক্ষমতা আইনে আবার বাতিলও হতে পারে। যেটা আমরা জামায়াতের ক্ষেত্রে দেখেছি।
জোবায়দা নাসরীন বলছেন, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধকরণের এ সিদ্ধান্তে একটা গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ যাবে। যে ম্যালপ্রাকটিসগুলো এতদিন ছাত্র সংগঠনগুলো করেছে, বিশেষ করে ক্ষমতাসীন সংগঠনগুলো করেছে, তাদের কাছে বড় ধরনের বার্তা যে এটা করা যাবে না। কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় সরকার এটা করেছে, তাতে এটা টেকসই প্রক্রিয়া হিসেবে কার্যকর থাকছে না। একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে এ ধরনের সিদ্ধান্ত আসলে তা আরো কার্যকরী হতো।
তিনি বলেন, “গণ অভ্যুত্থানের সময় আমরা দেখেছি জামায়াত নিষিদ্ধ হয়েছে। সেটাও নির্বাহী আদেশে হয়েছে। “তাহলে আমার কাছে মনে হয়, এটা যদি জনগণের ম্যান্ডেট হয়ে আসতো, নির্বাহী আদেশে না হয়ে, সংসদ চালু হওয়ার পরে গণতান্ত্রিক পরিবেশে একটা ডেমোক্রেটিক প্রক্রিয়ায় হলে, এটা সাসটেইন করার গুরুত্ব পেতো।
আরেকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাশেদা রওনক খান মনে করছেন, ছাত্রলীগের মতো বড় একটি সংগঠনের নিষেধাজ্ঞা অন্য সংগঠনগুলোর কাছে একটি বার্তা যাবে, কিন্তু ছাত্র রাজনীতির অতীত সংস্কৃতি থেকে সংগঠনগুলো বের হতে পারবে কি না, এটি এখনো বিবেচ্য বিষয়। তিনি বলেন, “এটি নির্ভর করবে নির্বাচন পরবর্তীতে যে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করবে, তাদের চাওয়া-পাওয়ার উপর। তারা আসলে কতটুকু চায়, নাকি তাদেরও প্রতিহিংসার রাজনীতিতে আবার ফিরে যেতে পারে। ওই সরকার কী আগে দেশ গঠন করবে, নাকি রাজনীতির পুনরাবৃত্তি করবে, তার উপরে অনেকটা নির্ভর করছে।
এদিকে, বুধবার সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নিষিদ্ধ সত্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, “যেহেতু বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে, বিশেষ করে বিগত ১৫ বছরে স্বৈরাচারী শাসনামলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হত্যা, নির্যাতন, গণরুম কেন্দ্রিক নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজী, ধর্ষণ, যৌন নিপীড়নসহ নানাবিধ জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল এবং এ সম্পর্কিত প্রমাণ দেশের সকল গণমাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। কিছু সন্ত্রাসী ঘটনায় সংগঠনটির নেতাকর্মীদের অপরাধ আদালতেও প্রমাণিত হয়েছে।”
“যেহেতু ১৫ জুলাই ২০২৪ তারিখ হইতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে উন্মুক্ত ও বেপরোয়া সশস্ত্র আক্রমণ করে শত শত নিরপরাধ শিক্ষার্থী ও ব্যক্তিদের হত্যা করেছে এবং আরও অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করেছে।”
ওই প্রজ্ঞাপনে সরকার জানিয়েছে, পাঁচই অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরেও ছাত্রলীগ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূল, ধ্বংসাত্মক ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কাজের সাথে জড়িত রয়েছে। সরকারের কাছে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। এসব কারণে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি
মন্তব্য / প্রেরক
বিরামপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
-
মোঃ নজরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি, বিরামপুর, দিনাজপুর
দিনাজপুরের বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা ও পৌর যুবদলের যৌথ আয়োজনে বুধবার (২৮ অক্টোবর) এই কর্মসূচি পালিত হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বুধবার বিকেল ৪টায় বিরামপুর শহরের বিএনপি মোড়ে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
র্যালীতে উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মিঞা শফিকুল আলম মামুন, উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল, পৌর বিএনপি'র সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজু, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক নুর ইসলাম এবং নূর আলম নূরা, মুকুন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জীবন চৌধুরী শাহিন, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মিঞা শিরন আলম, পৌর যুবদলের আহবায়ক তসলিম উদ্দিন মন্ডল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব পলাশ বিন আশরাফীসহ উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
র্যালী শেষে সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জীবন চৌধুরী শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মিঞা শিরন আলম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জাকির খন্দকার, পৌর যুবদলের আহবায়ক তসলিম উদ্দিন মন্ডল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব পলাশ বিন আশরাফী প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, "শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল দেশের প্রতিটি সংকটে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে যুবদল অগ্রভাগে লড়াই করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে বাংলাদেশ নতুনভাবে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি দিনাজপুর-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন এর নেতৃত্ব বিগত সময়ে উন্নয়ন কর্মকান্ডে পিছিয়ে থাকা দিনাজপুর-৬ আসনের অন্তর্গত বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট এই চারটি উপজেলায় উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজ ও কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে।"
মন্তব্য / প্রেরক
বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত
-
বেলাল হোসেন, বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।।
বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় হতে র্যালি বের হয়ে পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ শেষে পূণরায় দলীয় কার্যালয়ে ফরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা বিএনপি'র সহ-সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলাম বাদশা, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ রশিদ, পৌর বিএনপি'র সহ-সভাপতি আসাদুল হক হিরা, সাধারণ সম্পাদক নুরজামাল হোসেন সোনাহার, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) হাবিবুর রহমান, যুগ্মআহ্বায়ক মামুনুর রশিদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক জাহিদ হাসান বুলেট, রোস্তম আলী, মমিনুর ইসলাম, খায়রুল আলম বাবু, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি/সম্পাদকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কুরবান আলী।
এছাড়াও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুল ইসলাম, কৃষকদলের সভাপতি বেলাল হোসেন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুমন রেজা, সদস্য সচিব রেজাউল ইসলাম রুবেল, পৌরছাত্রদলের আহ্বায়ক মাইদুল ইসলাম, সদস্য সচিব শিহাব ইমতিয়াজ, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদসহ উপজেলা যুবদল ও বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে বৃক্ষরোপণ করা হয়। ০৩ নং ধামইর ইউনিয়ন হতে শতাধিক মোটরসাইকেল বহরসহকারে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রোস্তম আলীর নেতৃত্বে র্যালিতে আগত নেতাকর্মীবৃন্দকে স্বাগত জানান উপজেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য / প্রেরক
দিনাজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নবগঠিত ১০১ সদস্যের কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
-
বেলাল হোসেন, বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।।
মন্তব্য / প্রেরক
“নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে দিনাজপুরের হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আলী মর্তূজাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আজ বুধবার ( ৭ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ভূইয়া স্বাক্ষরিত প্যাডে এই আদেশ দেন।
আরও উল্লেখ রয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
স্বাক্ষরিত পত্রে আরো উল্লেখ আছে, বহিষ্কৃতদের কোন ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নিবে না। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
মন্তব্য / প্রেরক
সাম্প্রতিক
নিউজলেটার
নিউজলেটার বিবরণ