Image
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

দিনাজপুর জিলা স্কুলে বিদ্যালয় বার্ষিকী 'দিশারি' মোড়ক উন্মোচন ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

দিনাজপুর জিলা স্কুলে বিদ্যালয় বার্ষিকী 'দিশারি' মোড়ক উন্মোচন ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
ফটো: প্রতিনিধি

 দিনাজপুর জিলা স্কুলে বিদ্যালয় বার্ষিকী 'দিশারি' ২০২৫ মোড়ক উন্মোচন, জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী এবং জাতীয়-আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দিনাজপুর জিলা স্কুলের কবি কাজী কাদের নেওয়াজ অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। দিনাজপুর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এস.এম. হাসিবুল হাসান, জেলা শিক্ষা অফিসার খন্দকার মো.আলাউদ্দীন আল আজাদ। প্রকাশিত বিদ্যালয় বার্ষিকীর নান্দনিক দিক তুলে ধরেন দিনাজপুর জিলা স্কুলের চারুকলা বিষয়ের শিক্ষক ফরিদ আহম্মেদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জিলা স্কুলের প্রভাতী ও দিবা শাখার সরকারী প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম ও মো. সাইফুদ্দীন, শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবকবৃন্দসহ প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থী। দিনাজপুর জিলা স্কুলের বাংলা বিষয়ের শিক্ষক ও প্রকাশিত বিদ্যালয় বার্ষিকীর সহকারী সম্পাদক শাহজাহান সাজুর সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও সৃজনশীলতার বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন বর্তমান প্রজন্মকে দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও আধুনিক জ্ঞানচর্চায় এগিয়ে নিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে দিশারী বিদ্যালয় বার্ষিকী ২০২৫-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। পরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। বিদ্যালয় বার্ষিকী দিশারী সম্পর্কে জানতে চাইলে সহকারী সম্পাদক শাহজাহান সাজু জানান প্রচ্ছদ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী - শিক্ষক - প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের লেখাগুলো উপস্থাপনের দিক থেকে এবং অলংকরণের দিক থেকে স্বতন্ত্র থাকার চেষ্টা করেছি আমরা। এবং বিদ্যালয় বার্ষিকীটিকে দিনাজপুর জেলার একটি সৃষ্টিশীল, নান্দনিক এবং ইউনিক পত্রিকা হিসেবে বিবেচনা করেছেন।

মন্তব্য / প্রেরক

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার আমশড়া ফাজিল মাদ্রাসায় কেউ পাস করেনি ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য : শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার আমশড়া ফাজিল মাদ্রাসায় কেউ পাস করেনি  ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য : শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন
ফটোঃ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় আমশড়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে এবারের আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়া ২১ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাশ করতে পারেননি।শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

গত শনিবার ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই মাদ্রাসাটির এমন ফলাফল নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ,প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনিয়ম,শিক্ষকদের অনিয়মিত উপস্থিতি,পাঠদানে গাফিলতি,টাকার বিনিময়ে অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ, নির্ধারিত সময়ের আগেই মাদ্রাসা ছুটি এবং পরিচালনা পর্ষদের দুর্বল ব্যবস্থাপনা,সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দুর্বল তদারকিসহ নানাবিধ সমস্যার কারণে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত ও মাদ্রাসাটির পুরানো ঐতিহ্য হারাতে বসেছে।স্থানীয়দের মতে,এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ফলাফলে সবাই উদ্বেগজনক।শিক্ষার মান উন্নয়ন, নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রমে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার দাবী জানিয়েছেন তারা।অন্যদিকে,প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাও: মিজানুর রহমান জানান,মাদ্রাসাটি প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি ও পড়াশোনায় মনোযোগের ঘাটতি রয়েছে।শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনে আসক্তি এবং অভিভাবকদের পর্যাপ্ত তদারকি ও সচেতনতার অভাবও ফলাফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ বলে তিনি মনে করেন।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী,এবারের আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়া ২১ জন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা,,,,জানান,শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ জানাতে বলা হয়েছে।কেন ফলাফল খারাপ হয়েছে,এমন প্রতিষ্ঠান প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিভাবে পরবর্তী ময়ে ফলাফল ভালো করা যায় সে বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেয়া হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির এমন ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান,পাঠদানের পরিবেশ উন্নয়ন,তদারকী জোরদার এবং ভবিষ্যতে ভালো ফলাফল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

মন্তব্য / প্রেরক

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে জিপিএ-৫ ও পাসের হারসহ সব সূচকে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। এবার দিনাজপুর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৫৩ জন শিক্ষার্থী।

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে জিপিএ-৫ ও পাসের হারসহ সব সূচকে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।  এবার দিনাজপুর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৫৩ জন শিক্ষার্থী।
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে জিপিএ-৫ ও পাসের হারসহ সব সূচকে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। এবার দিনাজপুর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৫৩ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে মেয়ে ১৫৭০ জন ও ছেলে ১৩৮৩ জন। ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ১৮৭ জন বেশী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফলে এসব তথ্য জানা যায়। বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এ বছর বোর্ডের অধীনে আট জেলার ৬৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট এক লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৩৯৮ জন পরীক্ষার্থী পাশ করেছে। মোট পাশের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আর বোর্ড থেকে ২ হাজার ৯৫৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩৮৩ জন এবং ছাত্রী পেয়েছে ১ হাজার ৫৭০ জন। মোট পাসের মধ্যে মেয়েদের পাসের হার ৫০ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাসের হার ৪১ দশমিক ৩১ শতাংশ। মেয়েরা ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশী পাস করেছে।ফলাফলে আরও দেখা যায় বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগেও মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ভাল করেছে। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৬৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। যার মধ্য মেয়েরা ৬৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ও ছেলেরা ৬৫ দশমিক ৯ শতাংশ। যেখানে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ২ দশমিক ৬১ ও শতাংশ বেশী পাস করেছে। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। যার মধ্যে মেয়েরা ৪৫ দশমিক ৬০ শতাংশ ও ছেলেরা ৩৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। এখানে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ১২ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশী পাস করেছে। আর বাণিজ্য বিভাগে পাসের হার ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। যার মধ্যে মেয়েরা ৩৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ ও ছেলেরা ৩৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। এই বিভাগেও ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ২ দশমিক ০৭ শতাংশ বেশী পাস করেছে। শনিবার দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বোরহান উদ্দিন স্বাক্ষরিত পরিসংখ্যানে বিষয়টি জানানো হয়।

মন্তব্য / প্রেরক

সভাপতি মেহেদী হায়দার চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম. নুরুজ্জামান মিয়া

সভাপতি   মেহেদী হায়দার চৌধুরী  সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম. নুরুজ্জামান  মিয়া
ফটো: সংগৃহিত

মেহেদী হায়দার চৌধুরীকে সভাপতি এবং এইচ. এম. নুরুজ্জামান মিয়াকে  সাধারণ সম্পাদক করে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধীন মাস্টার অব প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (এমপিএ) ২০২৬-২০২৭ এবং ২০২৭-২০২৮ মেয়াদের জন্য তাদের নতুন ২১ সদস্যবিশিষ্ট এই কার্যনির্বাহী কমিটি  গঠন করা হয়েছে।  গত শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ ভবনে অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ ফারুক মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত  প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি: মোঃ জাকির হোসেন এফসিএস, মীর জাহাঙ্গীর আলম সরকার, যুগ্ম সম্পাদক: সৈয়দ আল হাদী,কোষাধ্যক্ষ: মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক: অনুপ কুমার রায়,প্রকল্প সম্পাদক: সাবরিনা ইসলাম পপি,সদস্যপদ উন্নয়ন সম্পাদক: আব্দুল আহাদ পাঠান, এফআইপিএ, এফএফএ, কল্যাণ সম্পাদক: মোঃ মনোয়ার হোসেন,আইসিটি সম্পাদক: পল্লব কুমার মহালানবিশ,আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক: রনি হালদার, ক্রীড়া সম্পাদক: মোঃ আলামিন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক: অমিত কুমার মল্লিক,দপ্তর সম্পাদক: মোহাম্মদ নাজমুল হাসান। কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা হলেন :মোঃ মোফাকখারুল ইসলাম পারভেজ,মোঃ ফয়েজ আহমেদ, মীর মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন, সরজিৎ কুমার সাহা,এম. এ. কুদ্দুস,মোহাম্মদ সোলায়মান উদ্দিন।  কমিটি গঠনের পরে নেতৃবৃন্দ জানান, এই নতুন গতিশীল টিম অ্যাসোসিয়েশনকে নেতৃত্ব দেবে এবং হিসাববিজ্ঞান পেশাজীবীদের মধ্যে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলবে। নবগঠিত এই কমিটির মূল লক্ষ্য হলো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এবং করপোরেট নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। কমিটির সদস্যরা আর্থিক খাতে কর্মরত গ্র্যাজুয়েটদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন, পেশাদার নেটওয়ার্কিং এবং সম্মিলিত উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া। অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা আরো  জানান, "আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি সক্রিয় প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যা আমাদের অ্যালামনাইদের সহায়তা করার পাশাপাশি আমাদের প্রিয় বিভাগের উন্নয়নে অবদান রাখবে।" নেতৃবৃন্দ আরও জানান যে, আগামী মাসগুলোতে মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম, প্রফেশনাল ওয়ার্কশপ এবং নেটওয়ার্কিং ইভেন্টসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমপিএ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (MPA Alumni Association) প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের দায়িত্বে নিয়োজিত তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে ছিলেন এমপিএ কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার চৌধুরী। কমিশনের অন্য সম্মানিত সদস্যরা হলেন অ্যাকাউন্টিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মাকসুদুর রহমান সরকার, এফসিএমএ (FCMA) এবং অধ্যাপক আমিরুস সালাত।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরে মিড ডে মিলের পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন

বিরামপুরে মিড ডে মিলের পাইলট প্রকল্প উদ্বোধন
ফটো: প্রতিনিধি

রংপুর বিভাগের নির্বাচিত একমাত্র বিরামপুর উপজেলার শান্তিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রবিবার (১ নভেম্বর) শিক্ষার্থীদের মিড ডে মিল (কুপন) পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।


জানা গেছে, বিরামপুর উপজেলার ১১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। ঐ প্রকল্পের গতানুগতিক একই রকম খাদ্যে বৈচিত্র আনার জন্য শিশুদের পছন্দ মতো ৮ রকমের খাবারের সম্ভার নিয়ে এই পাইলট প্রকল্প শুরু করা হলো। দেশের ৮ বিভাগে ৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ পাইলট প্রকল্পের আওতায় রংপুর বিভাগের বিরামপুর উপজেলার শান্তিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পাইলট প্রকল্পের জন্য বেছে নিয়ে সেখানে রবিবার প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এ পাইলট প্রকল্পে এখন থেকে মিড ডে মিল হিসাবে ডিম ও কলার পাশাপাশি শিশু শিক্ষার্থীরা তাদের কুপন জমা দিয়ে নির্ধারিত দোকান থেকে পছন্দ মতো খাদ্য বনরুটি, কিসমিচ, বাদাম, ড্রাইকেক, খেজুর ও বিস্কুট নিতে পারবেন। অভিভাবকদের প্রত্যাশা, প্রতিদিন ৩৫ টাকা মূল্যের বৈচিত্রময় এ খাবারের প্রতি শিশুরা আরো বেশি আগ্রহী হবে এবং বিদ্যালয়ে তাদের উপস্থিতি বাড়বে।


উদ্বোধন উপলক্ষ্যে দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ তানজিনা খাতুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুনা লায়লা, সহকারী শিক্ষা অফিসার নাজিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মিঞা মোঃ শফিকুল আলম মামুন, সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল, পৌর বিএনপি’র সভাপতি হুমায়ুন কবীর, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজু, শান্তিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি লুৎফর রহমান, সহ-সভাপতি সানোয়ার হোসেন, ইএসডিও এনজিও’র স্কুল ফিডিং কর্মসূচির জেলা ম্যানেজার শাহ মোঃ আমিনুল হক, প্রধান শিক্ষক আলী কবির রেজা, বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান প্রমূখ।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date