সকাল ৯টা। জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) গিয়ে চোখ কপালে উঠার দশা! হাসপাতালটির বহির্বিভাগে শত শত মানুষ। প্রবেশ করার বা হাঁটাও কঠিন।
বেশিরভাগ রোগী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত। তাই একা একা চলাচল করতে পারছেন না। তাই সঙ্গে এসেছেন একাধিক স্বজন। হাসপাতালের কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই নেই। টিকিট কাউন্টার থেকে ডাক্তারের রুম পর্যন্ত যেতে রোগীদের একপ্রকার যুদ্ধ করতে হয়। তবুও মেলে না কাঙ্ক্ষিত সেবা
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন (নিটোর) প্রতিষ্ঠানে গিয়ে এ চিত্রই চোখে পড়ে।
নিটোর কর্তৃপক্ষ বলছে, ধারণ ক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি রোগীর ভিড় হয়েছে। রোগীর স্বজনরাও বলছেন, সকাল থেকে যুদ্ধ করেই চিকিৎসা নিতে হয়।
বেশি রোগীর চাপে চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদেরও হিমশিম অবস্থা। কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা যায় না। অসন্তুষ্টি নিয়েই ফিরে যেতে হয় অনেক রোগীকে।

ডাক্তার দেখাতে সিরিয়ালের যুদ্ধ, সঙ্গে হাজারো ভোগান্তি
এত চাপ কেনো? এটা আজকের চিত্র, নাকি প্রতিদিনকার? প্রশ্নের জবাবে ওপিডি টিকিট কাউন্টারের ইনচার্জ লিয়াকত হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, সাধারণত ৯০০ থেকে ১১০০ রোগী আসে প্রতিদিন। আজকে একটু বেশি, প্রায় ১৪০০ রোগী সকাল থেকে টিকিট কেটেছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের বহির্বিভাগে ১০টি রুমে বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ৩০জন ডাক্তার চিকিৎসা দেন। তবে সামর্থ্যের তুলনায় রোগীর চাপ অনেক বেশি হয়।
একই চিত্র জরুরি বিভাগেও। সেখানেও রোগী নিয়ে স্বজনরা ছুটে এসেছেন। কয়েক মিনিট দাঁড়ালে একজন মানুষকে স্বাভাবিক থাকা দায়। সংকট এত যে কেউ ভারাক্রান্ত হবেন।
জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার (ইএমও) ডা. রাকিজ খান জাগো নিউজকে বলেন, এই চিত্র ২৪ ঘণ্টাই থাকে। রাত তিনটায় আসলেও এরকম ভিড়। প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ রোগী আসে। সারাদেশ থেকে বেশি খারাপ অবস্থার রোগীগুলোই এখানে আসেন। বেশিরভাগ সড়ক দুর্ঘটনার রোগী। বিশেষ করে মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনার। আর কিছু রোগী থাকে প্রবীণ, হাঁটতে গিয়ে পিছলে পড়ে হাড় ভেঙে গেছে।
অভিযোগ নেই, তবে সমস্যার শেষ নেই
চাঁদপুরের মতলব থেকে মা ও খালার সঙ্গে এসেছে ৫ বছরের মিথিলা। এক মাস আগে মোটরসাইকেল অ্যাক্সিডেন্টে পা ভেঙে গেছে। নিটোরে থেকেই প্লাস্টার করে নিয়ে গেছেন, আজ এসেছেন ফলোআপ করাতে। এক্স-রে করে ট্রলিতে রোগী নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন সিরিয়ালে। মানুষের চাপে ডাক্তারের রুমে প্রবেশ করাই দায়। দালাল ধরে রিপোর্ট দেখিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু ভেতরে গিয়ে ডাক্তারকে রোগী দেখানোর সুযোগ হয়নি।
মিথিলার মা জানিয়েছেন, বাড়ি থেকে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে আসছি। ওরে তো ট্রলি ছাড়া মুভ করাতে পারি না। এখানে এসে একজন লোক ধরে টিকিট কাটা, এক্স-রে করে ডাক্তার দেখিয়েছি। লোক ছাড়াতো আমাদের কিছু করার নেই। কোথায় কোন রুমে যাবো, তাও তো চিনি না। আমার কোনো অভিযোগ নেই। তবে আফসোস হলো, ডাক্তারকে সশরীরে দেখাতে পারলাম না। একটু কথা বলতে পারলাম না।
উত্তরবঙ্গের মিলন মিয়া, মাওনা থেকে এসেছেন ছেলে মেহেদী হাসানকে (১৫) নিয়ে। নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেহেদী ৪ বছর যাবৎ হিপ জয়েন্টের ব্যাথায় ভুগছে। দিনমজুর বাবা সন্তানের জন্য সর্বস্ব খুইয়েছেন। তারপরও সন্তোষজনক চিকিৎসা পাচ্ছেন না। আজ সকাল ৮টায় এসে একরকম সিরিয়ালের যুদ্ধ শেষ করে টিকিট নিয়ে ডাক্তারের রুমে যান। সব সময় ডা. সারোয়ারকে দেখান। কিন্তু আজ পাননি। যার কারণে হতাশ তিনি। অন্য ডাক্তার নাপা লিখে বিদায় দিয়ে দিয়েছে। বলেছে, আর আসা লাগবে না। তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না, ছেলে সুস্থ হলো কিনা বা হবে কিনা।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে এসেছেন মাখম (৫০), এক বছর আগে পা ভাঙে। অপারেশন করিয়েছিলেন। ফলোআপে এসেছেন। সকাল ৮টায় এসে সিরিয়াল ধরে টিকিট কেটে বেলা ১১টায় ডাক্তার দেখিয়েছেন। এক্স-রে দিয়েছে, হাসপাতালের নিচতলায় এক্স-রে রুমে গেছেন স্ট্রেচারে ভর করে। কিন্তু তারা ফেরত দিলো। জরুরি বিভাগে যেতে বললো। জরুরি বিভাগে বিশাল সিরিয়ালে পড়ে গেছেন।

ডাক্তার দেখাতে সিরিয়ালের যুদ্ধ, সঙ্গে হাজারো ভোগান্তি
এই রোগীর পেছনে ঘুরে পুরো প্রক্রিয়া দেখে মানুষের অসহায়ত্ব ফুটে উঠেছে। একজন লোক তার সঙ্গে দুজন অভিভাবক। স্ট্রেচারে ধীরে ধীরে এক রুম থেকে আরেক রুমে যাওয়া, এ যেন না বলা এক কষ্টের গল্প।
রেডিওলজি এবং ইমেজিং বিভাগের এক্সরে রুম ১ এর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি জানালেন, এক্স-রে হচ্ছে। তবে রোগী ফেরত দিচ্ছেন কেনো? জানতে চাইলে বলেন, ফিল্ম নেই। অথচ এই প্রতিবেদকের সামনেই দুজন এক্স-রে করে নিয়ে গেলেন।
হাসপাতালটির নানা বিভাগে কথা বলে জানা গেলো, সব মিলিয়ে এখানে ১০০০ বেড আছে। রোগী আছে ১০০৯জন। গেলো ২৪ ঘণ্টায় ৮৯ জন ছুটি পেয়েছেন, ভর্তি হয়েছেন ৯৯জন। এরমধ্যে জরুরি বিভাগ থেকে ৭৯জন ভর্তি হয়েছেন। বহির্বিভাগে মূলত সিট খালি থাকা সাপেক্ষে জরুরি প্রয়োজনের ভিত্তিতে কিছু ভর্তি দেয়। বেশিরভাগই ফেরত দিতে হয়। কারণ সংকুলানের চেয়ে চাপ বেশি।
নিটোরের বিশাল সংখ্যক এসব রোগীর বেশিরভাগই সড়ক দুর্ঘটনার। এজন্য সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গতানুগতিক গতি কমানো, ড্রাইভিং লাইসেন্স চেকের পাশাপাশি সড়ক ব্যবস্থাপনায় জোর দেওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের। নিটোরের ইএমও রাকিজ খান জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের এখন গুরুত্ব দেওয়া দরকার সড়ক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। অর্থাৎ হাইওয়ে থেকে লোকাল সড়কে ঢুকতে গাড়ি কতটুকু ঢালুতে নামতে পারবে, দূরত্ব কত রাখা দরকার, কত স্পিডে নামতে পারবে? এসব মনিটরিং করে সঠিক উদ্যোগ নিতে হবে। হুট করে নামিয়ে দিলেই দুর্ঘটনা ঘটে। একইভাবে শীতকালে ফগ লাইট না থাকায় দুর্ঘটনা হয়। বর্ষাকালে স্লিপ কেটে দুর্ঘটনা হয়। এসব বিবেচনায় নিতে হবে।
Read_more
- সরকারি ৪ মেডিকেলে নতুন অধ্যক্ষ
- ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১২৯৭, মৃত্যু ৬ জনের
- ঢাবি থেকে সাত কলেজের পৃথকীকরণ— সম্ভব কি?
- মাওলানা সাদকে আসার অনুমতি দিলে অন্তর্বর্তী সরকার পতনের হুঁশিয়ারি
- জরুরি তলবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার
- প্রধান বিচারপতির বাসভবনকে পুরাকীর্তি ঘোষণা নিয়ে যে সিদ্ধান্ত এলো
- দক্ষিণাঞ্চলে বাড়ছে পানিবাহিত রোগ, ঝুঁকিতে কোটি মানুষ
- ৪ দিন বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের ঢাবি স্টেশন
- ‘গত ১৫ বছরে পুলিশে ৯০ হাজার আ.লীগ পরিচয়ে নিয়োগ’
- তেজগাঁওয়ে আগুন জ্বালিয়ে ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট
- ঢাকায় আসছেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট
- বড়দিন-থার্টি ফার্স্টে আতশবাজি-ফানুস ওড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা
- ওয়াশরুমে পড়েছিলেন কবি হেলাল হাফিজ, মাথা ফেটে বের হচ্ছিল রক্ত
- আদায় বিরল ৩ উপাদান রয়েছে
- বেড়ানোর কথা বলে ইটভাটায় নিয়ে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ
- উত্তরা ও তুরাগ নদ সংলগ্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
- ইজতেমা ময়দানে ১৪৪ ধারা জারি
- কড়াইল বস্তিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিট
- ইজতেমা ময়দান ছাড়ছেন মুসল্লিরা
- ‘বরবাদ’ সিনেমা ১০০ কোটির ক্লাবে যাবে : শাকিব খান
- কেরানীগঞ্জে ব্যাংকে ডাকাত দলের হানা, গ্রাহকদের জিম্মি করে ১৫ লাখ দাবি
- কেরানীগঞ্জে ব্যাংকে ডাকাত দলের ৩ জনের আত্মসমর্পণ
- বাংলাদেশকে ৬৮৫ ভারতীয় বিশিষ্ট নাগরিকের খোলা চিঠি
- গেম-মুভি দেখে অ্যাডভেঞ্চার হিসেবে ৩ কিশোরের ব্যাংক ডাকাতির চেষ্টা
- চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি, দু-তিনদিনের মধ্যে গ্রেপ্তারে অভিযান
- নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত, আহত ১৭
- ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান, শহীদ ও আহতদের প্রথম ধাপের খসড়া তালিকা প্রকাশ
- কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছাড়লেন চিকিৎসকরা
- বড়দিনের নিরাপত্তার দায়িত্বে সোয়াত-স্পেশালাইজড ইউনিট
- ‘সাদপন্থিরা তাবলিগি নয়, তারা সন্ত্রাসী চরমপন্থি বাহিনী’
- দারুস সালাম এলাকায় তিন ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
- বুধবার রাতে আগুন লেগেছিল সচিব নিবাসেও
- এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় বাসের ধাক্কায় ৫ জন নিহত
- বেড়েছে ব্রয়লারের দাম, অস্বস্তি মাছের বাজারেও
- সচিবালয়ের অস্থায়ী প্রবেশ পাস বাতিল, সাংবাদিক প্রবেশেও বিধিনিষেধ
- হাসনাত আব্দুল্লাহ ইস্যুতে মুখ খুলল সময় টিভি
- সাভার থেকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২
- পুরান ঢাকায় পেশাদার চার ছিনতাইকারী গ্রেফতার
- ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১২
- ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গ্রেফতার ৫
- ঢামেকের মর্গে পড়ে আছে গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছয়জনের মরদেহ
- দেশে প্রথমবারের মতো ৫ জনের শরীরে রিওভাইরাস শনাক্ত
- দেশে এইচএমপি ভাইরাস শনাক্ত
মন্তব্য / প্রেরক
দেশজুড়ে ডেঙ্গুর উদ্বেগজনক পরিস্থিতি: ডেঙ্গুতে এক দিনে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২,২৪৯
-
ঢাকামোড়২৪.কম | জাতীয় সংবাদ | ২৫ অক্টোবর ২০২৬
আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলোর মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অন্যতম। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস/BSS)-এর প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২ হাজার ২৪৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
মন্তব্য / প্রেরক
নিজ বাড়িতে জনতার চিকিৎসা সেবায় ব্যস্ত থাকেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা.জাহিদ হোসেন
-
মেহেদী হাসান, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলাধীন পুটিমারা ইউনিয়নের মতিহারা গ্রামে মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শুনতে নিজ বাড়িতে সকাল-রাতে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা এ জেড এম জাহিদ হোসেন।জনসংযোগ ও রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে চিকিৎসা প্রদান করছেন তিনি।
তিনি ঢাকা থেকে আসলে
শুক্রবার ও শনিবার সকালে ও রাতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর নিজ বাড়িতে উপস্থিত হন। কেউ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যা নিয়ে, কেউ জমি-জমা সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে, আবার কেউ অসুস্থ স্বজনের চিকিৎসার সেবার গ্রহণের জন্য।
এ সময় মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন (এমপি) প্রত্যেকের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের সমস্যা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। পাশাপাশি অসহায় ও অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের মতে, সাধারণ মানুষের কথা সরাসরি শোনা এবং প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানোর কারণে তাঁর প্রতি মানুষের আগ্রহ ও আস্থা তৈরি হয়েছে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের সমস্যা জানার পাশাপাশি তাদের কল্যাণে কাজ করার এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তারা।
স্থানীয়রা আরো জানান মন্ত্রী মহোদয় এলাকায় আসলে নিজ বাসায় সকালে ও রাতে জনগণের ভীড় পরিলক্ষিত হয় এবং তিনি চিকিৎসার প্রেসক্রিপশনের বিভিন্ন
সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেন। নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট এ চার উপজেলা জনগণ এমন মানবিক ডাক্তার ও মন্ত্রী পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার প্রত্যয় নিয়ে দিনাজপুর ৬ আসনের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেড জাহিদ হোসেন।
মন্তব্য / প্রেরক
ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯০২ চলতি বছরে প্রাণহানি ২৭১, হাসপাতালে ভর্তি ৮৮ হাজার ৩৬০
-
ঢাকামোড়২৪.কম/DM24NEWS ডেস্ক
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ফের উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশে নতুন করে ১ হাজার ৯০২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ ডেঙ্গু বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৮৮ হাজার ৩৬০ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮২ হাজার ৩৩৫ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫ হাজার ৭৫৪ জন।
নতুন করে মারা যাওয়া ৯ জনের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় তিনজন, বরিশাল বিভাগে দুজন এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে একজন করে রয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭১ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৪০১ জন, খুলনা বিভাগে ৩০৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭২ জন, বরিশালে ২১৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৩ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০৬ জন রয়েছেন। রংপুর বিভাগেও নতুন করে ৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৮৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। তবে একদিনে ৯ জনের মৃত্যু এবং প্রায় দুই হাজার নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা নয়, একই সঙ্গে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও কার্যকর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি।
মন্তব্য / প্রেরক
ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার, সেপ্টেম্বরেই মৃত্যু ১৪৮ ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ৬০৮ হাসপাতালে—দেশজুড়ে জোরদার হচ্ছে
-
মো: রফিকুল ইসলাম সরকার, সম্পাদক, ঢাকামোড়২৪.কম
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি বছরের মোট মৃত্যুর বড় একটি অংশ। অক্টোবরের শুরুতেও আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (DGHS) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১ হাজার ৬০৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ২৫৬ জনে এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৮৪ হাজার ৩৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে।
স্বাস্থ্য পরিস্থিতির এই অবনতির মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শনিবার খুলনায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। রাজশাহীতেও জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বলছে, ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নজরদারি, জনসচেতনতা এবং আক্রান্তদের যথাযথ চিকিৎসা—সবগুলো কার্যক্রম সমন্বিতভাবে পরিচালনা করা প্রয়োজন।
সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত, জমে থাকা পানি এবং পরিবর্তিত আবহাওয়া এডিস মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। ফলে বাড়ি, অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়া এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নাগরিকদের করণীয়
- বাড়ির ছাদ, বারান্দা ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া।
- ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, প্লাস্টিকের বোতল ও পুরোনো টায়ার পরিষ্কার রাখা।
- জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
- ডেঙ্গু শনাক্ত হলে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া।
- নিজ এলাকার মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো।
জাতীয়ভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ এখন শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব নয়; পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র : ইন্টারনেট ।
মন্তব্য / প্রেরক
সাম্প্রতিক
নিউজলেটার
নিউজলেটার বিবরণ