Image
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রামে সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ, ৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ কৃষি কর্মকর্তা নাগেশ্বরীতে কয়েক শত কৃষকের বিক্ষোভ, ইউএনওর আশ্বাসে পরিস্থিতি শান্ত

কুড়িগ্রামে সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ, ৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ কৃষি কর্মকর্তা  নাগেশ্বরীতে কয়েক শত কৃষকের বিক্ষোভ, ইউএনওর আশ্বাসে পরিস্থিতি শান্ত
ফটো: সংগৃহিত

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ক্ষুব্ধ কৃষকেরা। এ সময় সার না পাওয়ার ক্ষোভে এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে প্রায় চার ঘণ্টা সার গুদামের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপে ওই কর্মকর্তাকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কচাকাটা থানার বল্লভেরখাস ইউনিয়নের গাবতলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

সার নিতে এসে ক্ষুব্ধ কৃষকেরা

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাবতলা বাজারের ‘ভাই ভাই মেশিনারিজ’ নামের সার ডিলার পয়েন্টে সকাল ৮টা থেকে কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণের কথা ছিল। এ খবর পেয়ে সকাল থেকেই বিপুলসংখ্যক কৃষক সেখানে সার নেওয়ার জন্য জড়ো হন।

কৃষকদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ের আগেই ভোরে সার বিতরণ শুরু করে দেওয়া হয় এবং সকাল ৮টার আগেই মজুত শেষ হয়ে যায়। ফলে নির্ধারিত সময়ে সার নিতে আসা বিপুলসংখ্যক কৃষক সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়লে কৃষকেরা সেখানে দায়িত্ব পালন করা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে সার গুদামের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ

কৃষকেরা শুধু কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করেই থেমে থাকেননি। সারের দাবিতে মাদারগঞ্জ-কচাকাটা সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

জাগো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে প্রায় ৩০০ কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুদাম এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশ কর্মকর্তাকে নিরাপত্তা দিয়ে রাখে এবং পরিস্থিতি যাতে আরও অবনতির দিকে না যায়, সে জন্য সতর্ক অবস্থান নেয়।

চার ঘণ্টা পর উদ্ধার কৃষি কর্মকর্তা

প্রায় চার ঘণ্টা ধরে কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম গুদামের ভেতরে অবরুদ্ধ থাকার পর দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে যান নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।

তিনি বিক্ষুব্ধ কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। কৃষকদের সার দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে তারা অবরোধ প্রত্যাহারে সম্মত হন।

পরে পুলিশের নিরাপত্তায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে গুদাম থেকে বের করে ইউএনওর গাড়িতে করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

কৃষি কর্মকর্তার বক্তব্য

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ওই ডিলার পয়েন্টে মোট ৮০ বস্তা সার বিতরণের কথা ছিল। তাঁর দাবি, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সার বিতরণ শুরু করে তা শেষ করা হয়। পরে কয়েক শ কৃষক সেখানে এসে সার না পাওয়ায় উত্তেজিত হয়ে তাকে অবরুদ্ধ করেন এবং সড়ক অবরোধ করেন।

প্রশাসনের বক্তব্য

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান, চাহিদার তুলনায় বেশি কৃষকের সমাগম হওয়ায় সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে কৃষকদের সার দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে তারা অবরোধ তুলে নেন।

তিনি আরও জানান, এলাকার কৃষকদের চাহিদা পূরণে অতিরিক্ত সার বরাদ্দের জন্য জেলায় চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে সংকট অনেকটাই কমবে বলে আশা করছে প্রশাসন।

কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অর্পণ কুমার জানান, সারের দাবিতে কৃষকেরা সড়ক অবরোধ করেছিলেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

সার সংকট নিয়ে উত্তরাঞ্চলে ধারাবাহিক ক্ষোভ

কুড়িগ্রামে সার নিয়ে কৃষকদের ক্ষোভের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে জেলার ভূরুঙ্গামারীতেও সারের দাবিতে কৃষকেরা সড়ক অবরোধ করেছেন। ৭ সেপ্টেম্বর সেখানে সড়কে খড় জ্বালিয়ে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে এবং পরে কৃষকদের মধ্যে ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার বিতরণের কথা জানানো হয়েছিল।

ফলে কৃষকদের দাবি, প্রয়োজনের সময় পর্যাপ্ত সার নিশ্চিত করা না গেলে আমনসহ চলমান কৃষি উৎপাদনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাহিদা অনুযায়ী অতিরিক্ত বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

 

মন্তব্য / প্রেরক

শীতের সবজিতে বাজারে ভরপুর দাম কম থাকায় ক্রেতাদের স্বস্তি

শীতের সবজিতে বাজারে ভরপুর  দাম কম থাকায় ক্রেতাদের স্বস্তি
ফটো : প্রতিকি

 দিনাজপুরের সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে উঠতে শুরু করেছে শীতে সবজি। অধিকাংশ সবজি ৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। অন্যদিকে মাছের বাজারেও চড়া দাম বিরাজ করছে। সোমবার রামডুবি হাটে ঘুরে দেখা গেছে সবজি, মাছ ও মুরগির বাজারে ক্রেতাদের খরচ করতে হচ্ছে তুলনামূলক বেশি টাকা। সবজি ব্যবসায়ী ধ্রুব রায় বলেন, বাজারে নতুন সবজি বা পণ্য উঠতে শুরুতেই দাম কিছুটা বেশি থাকলেও গত কয়েকদিন ধরে সবজির দাম সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে দাম কম রয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা যায় প্রতি কেজি ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগির বাজারে বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৬০-১৭০ টাকা অন্যদিকে সোনালী মুরগির দাম ৩০০-৩২০ টাকা। বয়লারের তুলনায় সোনালী মুরগি কিনতে ক্রেতাদের বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে। এদিকে মাছের বাজারেও দামের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে শীতকালীন সবজির সমাহার, চড়া দামে অসন্তোষ ক্রেতারা

নবাবগঞ্জে শীতকালীন সবজির সমাহার, চড়া দামে অসন্তোষ ক্রেতারা
ফটো: প্রতিনিধি

বাজারে উঠতে শুরু করেছে শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পালংশাক, টমেটো ও মুলার মতো শীতকালীন নানাবিধ আগাম সবজি। তবে স্বস্তির খবর নিয়ে আসা এসব নতুন সবজি কিনতে গিয়ে চড়া দামেই পকেট খালি হচ্ছে ক্রেতাদের।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।


বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে আলু ৩০, বেগুন ৩৫, চিচিঙ্গা ৩০, পেপে ২০, মূলা ২০, করলা ৮০, সিম ১২০, শসা ৬০, টমেটো ১০০, মূলা ২০, বরবটি ৮০, ভেন্টি ৪০, কাঁচামরিচ ১০০ ও পটল ৪০ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল শাক ১৫, ধনে পাতা ১০, ডাটা শাক ১৫, মুলা শাক ১০, পুঁইশাক ২০ ও লাউশাক ১৫ টাকা প্রতি মুঠো বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও প্রতি পিস চাল কুমড়া ৩৫, বাঁধাকপি ৩৫
ফুলকপি ৩৫, লাউ ৩৫, মিষ্ঠি কুমড়া ১০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।


দাউদপুর এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা বলেন, অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়ে আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের বাজার করতে হয়। শাকসবজি কিনতে গেলেই টাকা শেষ হয়ে যায় মাছ-মাংসের দিকে তো যাওয়ারই উপায় নেই।


সবজির দাম বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে এক সবজি বিক্রেতা বলেন “ আমাদের বেশি দামে সব কিনে আনতে হচ্ছে। তাই একটু বেশি দামে বিক্রি করি। বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রি করলেতো আমাদের লস হবে।” মাছ ও মাংসের বাজার ঘুরে দেখা যায়,মাছ ও মুরগির বাজারেও দামে তেমন পরিবর্তন নেই।

উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের দলারদর্গা হাটে আসা এক ক্রেতা আক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, “ শীতের নতুন সবজি বাজারে দেখা গেলেও দাম অনেক চড়া।”

এদিকে নবাবগঞ্জ বাজারে আসা মোঃ সাজেদুল ইসলাম নামে এক শিক্ষক
জানান “ শীতকালীন সবজি বাজারে উঠতে শুরু করায় বৈচিত্র্য বাড়লেও সবজির দাম এখনো সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বিশেষ করে টমেটো, শিম, কাঁচা মরিচ ও গাজরের দাম তুলনামূলক বেশি। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী সবজি কিনতে গিয়ে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছে নতুন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে পুরনো সবজির ওপর চাপ কমবে তখন সবজির দাম কমে যাবে।

মন্তব্য / প্রেরক

ঘোড়াঘাটে সাবিত সীডস কোম্পানির বীজ বিক্রেতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে সাবিত সীডস কোম্পানির বীজ বিক্রেতা সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভা এলাকায় ডিলার ও রিটেইলারদের নিয়ে ‘বীজ বিক্রেতা সমাবেশ-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় পৌর এলাকার সিপি রোড সংলগ্ন স্থানে সাবিত সীডস কোম্পানির আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিলন, সাবিত সীডস কোম্পানির প্রোপাইটর লিপন মিয়া, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন, সাব্বির আহম্মেদ, জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বীজ ব্যবসায়ীরা।

সমাবেশে সাবিত সীডস কোম্পানির উন্নত মানের ভুট্টা বীজ এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত বীজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ডিলার ও রিটেইলারদের সঙ্গে বীজের মান, বিপণন এবং কৃষকদের কাছে উন্নত মানের বীজ পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

আয়োজকরা জানান, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত মানের বীজ কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করাই এ ধরনের সমাবেশের অন্যতম উদ্দেশ্য।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে আঙুর চাষে সফল তৌহিদুল, কৃষিতে নতুন দ্বার উন্মোচন

নবাবগঞ্জে আঙুর চাষে সফল তৌহিদুল, কৃষিতে নতুন দ্বার উন্মোচন
ফটো: প্রতিনিধি

মাদকের ভয়াল থাবায় ও মোবাইলে অনলাইন জুয়া খেলে অনেকেই নিঃস্ব হচ্ছেন, আবার কেউ কেউ ফেসবুক ও ইউটিউব দেখে হয়েছেন স্বাবলম্বী। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে বদলে যাচ্ছে জীবনের গল্প। ঠিক তেমনি ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে সফল আঙুর চাষের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের নলেয়া গ্রামের বাসিন্দা কলেজ পড়ুয়া তরুণ যুবক মো. তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ।

শখের বসে মাত্র পাঁচটি আংগুর চারা রোপণের মাধ্যমে তার প্রথম আঙুর চাষে পথচলা। প্রথমবার সফলতার মুখ না দেখলেও পরবর্তীতে ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
আঙুর চাষ সম্পর্কে নানাবিধ জ্ঞান অর্জন করেন। ২০২৬ সালে তৌহিদুল মাত্র ১০ শতাংশ জমিতে ১৫ জাতের প্রায় ৮৫টি চারা রোপণ করেন করে গড়ে তোলেন
আঙুরের বাগান

শুরুতে স্থানীয়রা তার উদ্যোগকে ভালোভাবে নেয়নি। তবে ধীরে ধীরে বাগান দৃশ্যমান হলে অনেকেই অবাক হন। এখন থোকায় থোকায় ঝুলে থাকা আঙুর দেখে উৎসাহিত হচ্ছেন আশপাশের মানুষ। অনেকেই আগ্রহ দেখাচ্ছেন নতুন করে আঙুর চাষে নামার।

মো.তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ বলেন, ‘প্রথমে কারও সহযোগিতা পাইনি। ফেসবুক ও ইউটিউব দেখে নিজের মতো করে শুরু করি। অনেকে কটাক্ষ করলেও থেমে যাইনি। বরং চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম আঙুর চাষকে। এখন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আমার বাগান দেখতে আসছেন। ফল দেখে মুগ্ধ হয়ে হচ্ছে। তিনি জানান আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং ভালো দাম পেলে ভবিষ্যতে ৪ বিঘা জমিতে আঙুর চাষ করবেন।তৌহিদুলের বাবা মোহাম্মদ আলী বলেন, আমার ছেলে কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি মোবাইলে ইউটিউব দেখে আঙুর চাষ শুরু করে। আমি যতটা পারি তাকে সহযোগিতা করছি। শুরুতে গ্রামের লোকজন এটাকে গুরুত্ব না দিলেও এখন সবাই গর্ব করছে।” উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, তৌহিদুলের বাগান পরিদর্শন করে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তার সফলতা অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস বলেন, “ উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তৌহিদুলকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। অনুকূল আবহাওয়া ও বাজারমূল্য ঠিক থাকলে সে ভালো লাভবান হবেন এবং কৃষিতে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হবে বলে আশা করেন।”

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date