Image
  • বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সবাইকে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের রক্তিম শুভেচ্ছা!

কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সবাইকে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের রক্তিম শুভেচ্ছা!
মো: শফিকুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক, বিরামপুর কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়

৫৩ বছরের গৌরবময় পথচলা! এই বিজয়ের দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক— সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রিয় মাতৃভূমিকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।

শুভ বিজয় দিবস! শুভেচ্ছান্তে, কর্তৃপক্ষ, কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়।

মন্তব্য / প্রেরক

৩০ শে জুন ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস

৩০ শে জুন ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস

৩০ শে জুন ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবসের ১৭১-তম সিধু, কানু দিবস। ১৮৫৫ সালে উপমহাদেশে ভগনাদিঘী গ্রামে প্রায় প্রাথমিক ভাবে ১০ হাজার সাঁওতাল আদিবাসী সহ খেটে খাওয়া মানুষ ইংরেজ শোষনের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহের ডাক দিয়েছিল এটাই সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস নামে পরিচিত। দামিন ই-কোহ নামে ভোগলপুর, বীরভূম মুর্শিদাবাদ রাজমোহলের পাহাড়তলী এলাকায় ১৩৬৩ বর্গমাইল বিস্মৃত এক বনাঞ্চলের গাছ- পালা কেটে আদিবাসীরা আবাদযোগ্য জমি গড়ে তোলে এবং সেখানে ফসল ফলাতে শুরু করে। এসব অবস্থা দেখে বিট্রিশ সরকার তাদের কাছ থেকে খাঁজনা নিতে শুরু করে। পরবর্তীতে এর মাত্রা আরো অনেক গুনে বেড়ে যায়। এর পরও সাঁওতালদের উপর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কায়দায় নির্যাতন চলে। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে দামিন-ই-কোহতে যখন ফসলের মাঠ ভরে যায়, তখন জমিদারদের চোখ পড়ে সে দিকে। এ অঞ্চলের ফসলের ভাল অবস্থা দেখে বীরভূম বর্ধমান থেকে কিছু বাঙ্গালী এ অঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন শুরু করে। এর পর সাঁওতাল আদিবাসীদের সাথে তারা মহাজনী কারবার শুরু করে দেয়। কিছু দিনের মধ্যেই অনেক আদিবাসী পরিবার ঋণের জালে আটকা পড়ে। আবার কিছু দিনের মধ্যেই অঞ্চলে থানা, আদালত ও আমলারা আসে। এর পর শুরু হলো জমিদার, মহাজন, পুলিশ ও আমলাদের জুলুম নির্যাতন। ফলে সে অঞ্চলে আদিবাসীদের টিকে থাকা প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়ল। ১৮৪৮ সালে দিকে মহাজনদের জ্বালায় দামিন-ই-কোহ এলাকায় ৩ টি গ্রামের সাঁওতাল পরিবার দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। অন্যায় অত্যাচার সাঁওতালদের ধর্য্যরে মধ্যে থাকলেও মহাজনদের অত্যাচার সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায়। সাঁওতাল আদিবাসীরা মাঠে ফসল ফলায়, আর ফসলের অধিকাংশ যায় মহাজন ও জমিদারদের গোলায়। তাদের এ অবস্থা দেখে ভগনাডির নারায়ন মাঝির চার ছেলে সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৈরব বসে থাকতে পারলেন না। তাদের অন্তরে প্রতিবাদের ঝড় বইতে শুরু করল। সাঁওতালদের সংকটের সময় জমিদার মহাজনেরা সুযোগ বুঝে কিছু অর্থ, শস্য অধিক সুদে আদিবাসীদের ঋণ দিত। উচ্চ হারে সুদ নিয়েও তারা ওজনে ঠকাতো। তাদের নিরক্ষরতার সুযোগে মহাজন ও জমিদারেরা জাল সহি করা থেকেও বিরত ছিল না। প্রতিবাদ করলে তাদের মামলায় অভিযুক্ত করে সায়েস্থা করে সর্বশান্ত করা হত। এই অবর্ননীয় অবস্থা দেখে প্রতিবাদে এগিয়ে এলেন চার ভাই সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৌরব। সাঁওতালদের অন্যায় অত্যাচার ও মহাজনদের কবল থেকে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে তাদের মধ্যে চিন্তা ভাবনা চলতে থাকে। অনেক চিন্তা ভাবনার পর স্থির করলেন যে সাঁওতাল রাজ প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে তাদের অবস্থার মুক্তি হবে না। আর এই মুক্তি সংগ্রামে সশস্ত্র বিদ্রোহের প্রয়োজন। আর এ কর্মকান্ডে এলাকার মেহনতি জনগনকে সামিল করতে না পারলে আশানুরুপ ফল হবে না। তারা বিদ্রোহের ডাক সরাসরি না দিয়ে কৌশলের আশ্রয় নিলেন। তারা একদিন এলাকায় লোকজনদের জমায়েত করে ঘোষনা দিলেন তাদের চার ভাইকে ঠাকুর জিও স্বপ¦ আবির্ভূত হয়ে নির্দেশ দিয়েছেন অন্যায়কারী, অত্যাচারী, জোতদার, মহাজন, জমিদারদের উখ্যাত করে সাঁওতাল রাজ্য কায়েমের জন্য। সাঁওতাল আদিবাসী সহ মুক্তিকামী জনতার মধ্যে উক্ত ঘোষনা সঞ্চলিত হলো। সিধু ও কানু ঘোষনা করলেন ঠাকুরের আর্শিবাদ নিয়ে তারা অত্যাচারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামবেন। ১৮৫৫ সালের গোড়ার দিকে তারা একটি পরোয়ানা প্রচার করলেন। সিধু-কানুর কাছে যখন সাঁওতালরা শুনল ঠাকুর জিও তাদের শোষনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বলেছেন। তখন তরা আর বসে থাকতে পারলেন না। তারা মানসিক ভাবে প্রস্তুত হতে লাগলো বিদ্রোহের জন্য। আলোচনার জন্য ভগলা দিঘীর গ্রামে সাঁওতালেরা সমবেত হলে সির্দ্ধান্ত মত পরদিন এক সঙ্গে সবাই শিকারে বেরুবে। পরদিন সিধু-কানুর নেতৃত্বে ৪০/৫০ জন সাওতাল যুবক অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শিকারে যাওয়ার পথে দারোগা মহেশ দত্ত, ২ জন সিপাহী ও কয়েক মহাজনের সামনে পড়ে তারা। দারোগার সঙ্গে ২টি দড়ি বোঝাই গাড়িও ছিল। মূলত তারা সাঁওতালদের ঘোষনা ও সিদ্ধান্ত জানতে পেরেছে। দারোগার সঙ্গে তাদের পথি মধ্যে তাদের বাক-বিতিন্দার এক পর্যায়ে বিদ্রোহী সিধু-কানু সশস্ত্র দল ঘটনা স্থলে দারোগা মহেশ এবং কানু, মানিক রায় মহাজনকে উত্তেজিত ও সংগঠিত সাঁওতালরা হত্যা করে। এ ঘটনার পর ভাগোরপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় সরকারী বেসরকারী লোকজন সহ অত্যাচারী জমিদার ও মহাজন অনেকে সাঁওতালদের হাতে নিহত হয়। ১৮৫৫ সালে ১৭ আগষ্ট সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণের অহবান জানানো হলো। বিদ্রোহীরা সরকারের আহবান ঘৃনা ভরে প্রত্যাখান করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার সেনাবাহিনী মাঠে নামায় এবং পরিস্থিতী সামাল দিকে শত শত বিদ্রোহীকে হত্যা করা শুরু করে সেনাবাহিনী। এক দিকে কামান বন্ধুক অপর দিকে তীর ধনুকের লড়াই। কয়েক দিনের মধ্যেই সেনাবাহিনী ভগলা দিঘীর গ্রাম ধ্বংস করে দেয়। সিধু-কানুর বাড়ি সহ গ্রামের সব বাড়ী আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হলো। আশ্রয়হীন ও খাদ্যহীনতার কারণে অনেকে দুর্বল ও অনেকে ধরা পরে। বিদ্রোহীদের মনোবন আস্তে আস্তে দুর্বল হতে লাগল। কানু সঙ্গীদের নিয়ে হাজারীবাগ অভিমুখে পালাবার সময় জারয়ার সিং নামক ব্যক্তির তৎপরতায় ১৮৫৫ সালের ৩০ নভেম্বর ধরা পড়েন। শেষে কানুর বিরুদ্ধে রাজদ্রোহ, লুন্ঠুন, অত্যাচার ও হত্যার অভিযোগে ১৮৫৬ সালের ১৪,১৫ ও ১৬ জানুয়ারী স্পেশাল কমিশনার এলিয়টের এজলাসে তাদের বিচার হয়। বিচারে কানুকে মৃতে্যুদন্ডে দন্ডিত করা হয়। এই বিদ্রোহে ৩০ হাজার আদিবাসী প্রাণ হারায়। আজ ১৬৮ বছর বিদ্রোহের পার হলেও আদিবাসীরা অত্যাচার আর শোষন থেকে মুক্ত হয় নি। বিট্রিশ সরকার গেছে, জমিদার মহাজন গেছে, তবুও আজ স্বাধীন দেশে বাংলাদেশের মাটিতে বিট্রিশ সরকারের তুলনায় কম নির্যাতিত হচ্ছে না বলে আদিবাসীদের অভিযোগ উঠেছে। এখনও তাদের জমি-জায়গা জাল করা হয়। তাদের প্রতি মিথ্যা মামলা নির্যাতন নিত্য দিনের সাথী। ৩০ শে জুন অন্যায়ের বিরুদ্ধে আদিবাসীদের প্রতিবাদের দিন। সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৌরব শিখিয়ে গেছে, সত্য প্রতিষ্ঠায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে। তাই উপমহাদেশ সহ পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষ এই দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিদ্রোহ দিবস হিসেবে প্রতি বছর পালন করে থাকে।

মন্তব্য / প্রেরক

লাঠিতে ভর করে রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার গল্প শোনার আকাঙ্ক্ষা—বিনয় মহন্তের দেশপ্রেমে আবেগাপ্লুত বিরামপুর

লাঠিতে ভর করে রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার গল্প শোনার আকাঙ্ক্ষা—বিনয় মহন্তের দেশপ্রেমে আবেগাপ্লুত বিরামপুর
ফটো: প্রতিনিধি

মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ উপলক্ষে দিনাজপুরের বিরামপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। তবে পুরো আয়োজনের মাঝে সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য হয়ে ওঠেন শতবর্ষী বৃদ্ধ বিনয় মহন্ত।

ঐতিহ্যবাহী বিরামপুর আনসার মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার সময়, তীব্র রোদ উপেক্ষা করে লাঠিতে ভর দিয়ে মাথায় গামছা বেঁধে দাঁড়িয়ে মনোযোগ দিয়ে পুরো আলোচনা শুনছিলেন তিনি। বয়সের ভার তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি—বরং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, শহীদদের ত্যাগ, গণহত্যার বিভীষিকা ও সেই কালো রাতের স্মৃতিচারণ শোনার প্রতি ছিল তার গভীর আকাঙ্ক্ষা।

তার এই দৃশ্য উপস্থিত সকলকে আবেগাপ্লুত করে তোলে। নতুন প্রজন্ম যখন অনেক সময় ইতিহাস জানতে আগ্রহ হারায়, সেখানে শতবর্ষী এই মানুষটির দেশপ্রেম ও জানার আগ্রহ সত্যিই অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে ওঠে। সেই আবেগঘন মুহূর্তটি ধরা পড়ে প্রতিবেদকের ক্যামেরায়।

এর আগে দিনের প্রথম প্রহরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। পরে বিরামপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, নীরবতা পালন ও দোয়ার মাধ্যমে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

পরবর্তীতে আনসার মাঠে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও প্যারেড, গার্লস গাইড পরিদর্শন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিসপ্লে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। দিবসের মূল আকর্ষণ ছিল দৃষ্টিনন্দন ডিসপ্লে, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও রচনা ও অঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা সুলতানা নীলা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিয়া নওরিন, সার্কেল এসপি হারেছ উদ্দিন, তদন্ত ওসি আতাউর রহমান, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

আলোচনা সভা শেষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও মুক্তিযোদ্ধাদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।
সবকিছুর মাঝেও সবার নজর কেড়েছে একটাই দৃশ্য—
বিনয় মহন্তের অদম্য দেশপ্রেম, যা নতুন প্রজন্মের জন্য এক জীবন্ত শিক্ষা হয়ে থাকবে।

মন্তব্য / প্রেরক

দিনাজপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

দিনাজপুরে মহান স্বাধীনতা  ও জাতীয় দিবস পালিত
ফটো: প্রতিনিধি

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে দিনাজপুর জেলা প্রশাসন চত্বরে অবস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষও উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদনকালে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান জুয়েল ও আবু বক্কর সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, পৌর বিএনপির সভাপতি জিয়াউর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহবায়ক একেএম মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ও সদস্য সচিব রেজাউর রহমান রেজা, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুবেল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুজার সেতু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরনবী শুভ। আরও উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাইফুল আজম সোহেল ও সদস্য সচিব রাসেল আলী চৌধুরী লিমন, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক নুরুজ্জামান সরকার ও সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান মজিব, যুগ্ম আহবায়ক মমতাজুল আলম স্বপন ও আরিফুল ইসলাম তুহিন। এছাড়াও কোতয়ালি কৃষক দলের সভাপতি আব্দুল খালেক, তাঁতী দল কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা তাঁতী দলের সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হাসিনুর রহমান হাসু খান, প্রচার সম্পাদক আবুল হোসেন খোকন, পৌর তাঁতী দলের সভাপতি হীরা আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান শরিফসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, দিনাজপুর ইউনিট মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, দিনাজপুর ইউনিটের উদ্যোগে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, দিনাজপুর ইউনিটের আহবায়ক মো. আল মোবেদীন আরজ, মনিরুল ইসলাম মিঠুন, আজিজুল ইসলাম, ইসরাত জেরিন জুলি, শংকর, মিজানুর রহমান বাবু, ফারুক হোসেন রানা এবং ইঞ্জিনিয়ার মামুনুর রশিদ।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরলে বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

বিরলে বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
ফটো: প্রতিনিধি

বিরলে বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি দিনাজপুর-২ (বিরল- বোচাগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে বিরল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিমরান মোহাম্মদ সায়েক এর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইশতিয়াক আহমেদ, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আল এমরান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড এর আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকশেদ আলী মঙ্গলীয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার, বীরমুক্তিযোদ্ধা আইবুর রহমান, বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দীন বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. পার্থ জ্বিময় সরকার, কৃষি অফিসার রুম্মান আকতার, প্রাণি সম্পদ অফিসার ডা. রিয়াজুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি বিরল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুল হক হিরা প্রমূখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রাজিউল ইসলাম রাজুল। প্রধান অতিথি বক্তব্য শেষে মঞ্চ হতে নেমে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দের আসনে গিয়ে রজনীগন্ধা ফুলের স্টিক হাতে দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন। এর আগে সূর্যদোয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের সূচনা করে বীর শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন, পতাকা বিধি অনুযায়ী সকল সরকারি, আধা- সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৯ টায় বিরল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পুলিশ, আনসার ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিএনসিসি, বাংলাদেশ স্কাউটস, গার্লস গাইড এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র- ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন,  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে সকল মসজিদে, মন্দির,  গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ মুনাজাত/প্রার্থনা অনুষ্ঠিত,  বিকাল ৩ টায় চলচ্চিত্র/প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও প্রধান অতিথি সংসদীয় আসনের বোচাগঞ্জ উপজেলায় গৃহীত একইধরণের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date